July 24, 2024, 6:51 am
শিরোনামঃ
কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তির দেশব্যাপী নৈরাজ্য প্রতিবাদে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের মানববন্ধন উলিপুরের থেথরাই বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষকের মৃ/ত্যু : লাখো মানুষের ভীর শাহজাদপুরে দেশী মদের দোকান সিলগালা করায় মুসল্লিদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ জামালপুর জেলায় ধান – চাউল সংগ্রহের চিত্র ২টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ২০৬ রাউন্ড গুলিসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে সিটিটিসি ১৬২ সদস্যকে ডিএমপির কল্যাণ তহবিল হতে আর্থিক অনুদান প্রদান উপবৃত্তির অর্থ পাইয়ে দিতে প্রতারণার ফাঁদ, মাউশির জরুরি বিজ্ঞপ্তি বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার পেলেন ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবি”র ওসি ফারুক হোসেন ঘুরেফিরে প্রভাবশালীরা ঢাকায়, গণপূর্তের ৫ নির্বাহী প্রকৌশলীর বদলি সিটিসি ডা: গোলাম রব্বানীই শেষ কথা: প্রাণিসম্পদ ও ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্পে কসাইখানা নির্মাণে ভয়াবহ দুর্নীতি
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

তিস্তা পাড়ের সর্বনাশী -মৃধা বেলাল

Reporter Name

এসেছিলে তুমি অথিতি পাখির মতো_

করেছিলে তুমি আমার সনে,প্রতিঙ্গা আছে যতো।

  • বাসবে অনেক ভালো_
    থাকবে মোর সনে,
    আমৃত্যু কাল ধরে।
    এসেছিলে তুমি_
    এই প্রতিঙ্গা নিয়ে।

এসেছিলে তুমি একদিন_
তিস্তা পাড় থেকে।
মনে পড়ে সেই দিনের কথা?
ঐ যে শ্যামলী ফুটওভার ব্রিজের নিচে?
দাড়িয়ে ছিলেম আমি তোমার অপেক্ষাতে।
এসেছিলে তুমি অথিতি পাখির মতো উরে,
ধরেছিলে ডান হাতটা মোর শক্ত করে।
বলেছিলে তুমি ভালোবাসো মোরে।
বাঁ হাতে তোমার কাপড়ের ব্যাগটা নিয়ে_ ডান হাতে তোমায় শক্তকরে ধরে হেটেছিলাম ফুটওভার ব্রিজের পথ ধরে।

  1. তোর দেখানো মিথ্যা স্বপ্নে,
    বেঁধেছিলো হৃদয়_
    ভালোবাসার ঘড়।
    তাইতো খুজেছি, তোকে নিয়ে মাথা গোজার নীড়।
    পাড়ি দিয়েছিলেম আমি শ্যামলী থেকে,
    সাতক্ষীরার রায়পুর।

যাত্রপথে অসুস্থ হয়ে পরেছিলাম ভিষন আমি_ ক্লান্ত দেহখানি হেলিয়ে দিয়েছিলাম তোর কোলে, দু’হাত বাড়িয়ে কাছে টেনে জরিয়ে ধরেছিলে মোরে।
কখন যে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পরেছিলাম তোর কোলে?
তোর হাতপাখার বাতাসে।
কিছুদুর যেতেই, হঠাৎ করে গাড়ির ঝাঁকিতে ঘুমটা গেলো ভেঙে।
শরীরটা একটু সুস্থ লাগছে, তাই তো কতশত খুনসুটি তোর সাথে_
মাথা রেখে তোর কোলে।

  • চলছে যাত্রাগাড়ি, ভোর ৬ টা পৌছে গেছে সাতক্ষিরার ঝাউডাঙ্গা।
    ফোন দিয়েছিলাম নজরুল কে _
    সে জানিয়ে দিলো সাফকথা,
    সেখানে যাওয়া মানা।
    হাঠাৎ যেনো মাথায় আকাশ ভেঙে পরলো,
    তোকে নিয়ে এখন যাওয়া যায় কোথা,
    ভেবে পাচ্ছিনা।
    ফোন দিলাম আসাদ ভাইকে_
    বললাম খুলে সব সমস্যা।
    অবশেষে স্থান হলো মাইকেল মধুসূদন দত্তের কপোতাক্ষ নদ পাড়ে_
    আমাদের আগমনে পিকুলরা সব খুশিতে আত্নহারা।

কাঁচামাটির ঘড়খানিতে,
তোর আর আমার থাকা।
মধুর মিলনে শত খুনসুটিতে,
তোর সাথে শুরু হয়েছিলো মোর পথ চলা।

  1. সন্ধ্যা বেলা আসাদের মা এসেছিলো মোর দারে।
    নয়ন জলে বুক ভাসাইলো, আসলামের কথা বলে।
    আসলাম ছিলো আসাদের ভাই, থাকতো কেরানীগঞ্জে।

স্ত্রী তাহাকে হত্যা করে,
দিয়েছিলো ফেলে বুড়িগঙ্গা নদে।
কিছুদিন পরে হাসনাবাদ নৌ পুলিশ ফারি_আসলামের পঁচিতগলিত লাশ উদ্ধার করে।
আকৃতি বিহীন লাশ কি ভাবে সনাক্ত করবে?
যশোর থেকে এসেছিলো আসলামের মা,
নিজ সন্তান ফিরে পেতে।

  • ডিএনএ হলো সিআইডিতে,
    রিপোর্ট গেলো মিলে।
    অবশেষে নিজ দায়িত্বে,
    আশলামকে দিলাম কেরানীগঞ্জ কবরস্থানে সায়িত করে।
    সেদিন থেকে আসলামের মা বড্ড ভালোবাসে মোরে।

মনে পরে সেদিনের কথা?
সাগরদাঁড়ির কপোতাক্ষ নদের ঘাটে_ তুই আমি পাশাপাশি বসে,
করেছিলাম কতশত পরিকল্পনা।

মনে পড়ে সেই শুক্রবারের কথা?
এক অসুভ শক্তি ভেঙ্গে দিয়েছিলো তোর হৃদয়-
সেই কাঁচামাটি ঘরে_তোকে শক্তকরে জরিয়ে ধরে বুকে তোর মাথা রেখে, বলেছিলাম তোকে কখনোই ছেরে যাবোনা।

  • সাতদিন পরে কপোতাক্ষ ছেরে গিয়েছিলাম সাতক্ষীরা।
    উদেশ্য একটাই তোকে নিয়ে মাথা গোজার ঠাই খোঁজা।
    সেথায় গিয়ে আরেক কান্ড_
    ভয়ে বাচিনা।
    স্মামী স্ত্রী দুজন হত্যা হয়েছে_অবুজ শিশুটি ছারা _
    সাতক্ষীরার কলারোয়া,
    চারিদিকটা স্তব্ধ, ভয়ে বাচিনা।

সেখান থেকে দিলাম পাড়ি মাদারীপুরের পথে।
সেখানে ছিলো খান সাহেবে_ গিয়েছিলাম তার আমন্ত্রণে।
সেথায় গিয়ে তাদের সাথে কিছুটাদিন থাকা।
অন্যের বাড়ি তোকে তেমন সময় দিতে পাড়িনা।
এই নিয়ে ঝগড়া একদিন খুব ভোরে,
ঘুম ঘুম চোখে বলেছিলাম তোকে আমার লাগবেনা।
অন্যের কানপড়া, অভিমানে গিয়েছিলে তুমি আমায় ছেরে বহুদুরে।

  • ঘুম ভেঙে দেখি তুমি নাই_
    মনটা গেলো ভারি হয়ে।
    অনুনয় বিনয় করে ডেকেছিলাম তোকে,
    এসেছিলেও তবে তুমি ফিরে।
    কদিন পরে বাসা নিলাম মাদারীপুরের শকুনী লেকের পাড়ে।
    তোর আর আমার সংসার গোছানোর পালা,
    এখন আর কোন ঝামেলা নেই, থাকবো দুজন মহানন্দে।
    রাসেল ছিলো ফটোগ্রাফার_ থাকতো আমাদের পাশে, সুখে দুঃখে পাশে থাকতো, বোন ডেকেছিলো তোকে।
    ডিসেম্বরের তিন তারিখে তোর জন্মদিনে_
    আড়িয়াল খাঁ নদের পাড়ে, গিয়েছিলাম তোকে নিয়ে_
    সেদিনের বিকেলে।
    সন্ধ্যায় এক অনুষ্ঠান হবে,
    তোর জন্মদিন উপলক্ষে।
    দাওয়াত ছিলো মাসুদ খান সহ, টুবিয়া গ্রামের অনেককে।
    কে যেন ভুল বুজিছে খানকে,
    হয়তো মাতালও ছিলো সে।
    তাইতো তোকে নিয়ে আমার সাথে,
    মিথ্যা গুজব ছড়িয়েছে।

মনে পরে সেই দিনগুলো?
রাসেলের খালাবাড়ি,
রসমাখালো চিতই পিঠা।
বাচ্চু ভাইয়ের বাড়ি কাজীর ভাত,
আর হরেক রকম ভর্তা?
রাসেলের সাথে_ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে, কখনো বিয়ে বাড়ি আবার
কখনো সুন্নতে খাৎনা।

  • লোক গুলো আমাদের ভিষন আপন করে নিয়েছিলো,
    তবে আজ তারা তোকে করে ঘৃনা।
    মনে পরে? জমিদার বাড়ি,হাজির হাওলা, শকুনি লেকের পাড়ে,
    কত যে হেটেছি সকাল সন্ধ্যা তোর হাতটি ধরে।।

১১/১২/২০২২ইং
পর্ব ১


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page