প্রথম বাংলা – রাজধানীর খিলগাঁও থানার লুট হওয়া বিপুল পরিমাণ প্রাণঘাতী অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে খিলগাঁও ঈমানবাগ জামে মসজিদের ভেতর থেকে, যা ছিল এক নির্মম ও জঘন্য ষড়যন্ত্রের অংশ। এলাকাবাসীর সাহসী সহযোগিতায় এসব অস্ত্র বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পবিত্র আল্লাহর ঘরকে কীভাবে পরিণত করা হলো এক সন্ত্রাসী অস্ত্রাগারে? কার স্বার্থে মসজিদকে রক্তক্ষয়ী জঙ্গিবাদের ঘাঁটিতে পরিণত করা হলো? মূলত , এই অস্ত্রগুলো ছিল দেশকে অস্থিতিশীল করে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ধ্বংসের উদ্দেশ্যে মজুত। এই চক্র শুধু ইসলামবিরোধী নয়, বরং বাংলাদেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও শান্তির সর্বশত্রু। তারা ধর্মের নাম ভাঙিয়ে দেশের গহীনে বিষের বীজ বুনছে।
সরকারকে স্পষ্ট ঘোষণা দিতে হবে, কার নির্দেশে এবং কী উদ্দেশ্যে ধর্মীয় স্থানে অস্ত্র মজুত করা হয়েছিল, আর কতদিন এমন নরকযন্ত্র চালিয়ে যাবে?
অবৈধ ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার ইউনুসের ষড়যন্ত্রে বাংলাদেশ কে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস এ পরিণত করছে এই জঙ্গি গোষ্ঠী ।