স্টাফ রিপোর্টার : শেরপুর জেলার শ্রীবদরী খাদ্য গুদামে এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায় এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলসানা খাতুন এর আগে ঝিনাইগাতি এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা থাকাকালে বোরো ও আমন ধান – চাউল সংগ্রহ অভিযানে নিম্ন মানের চাউল ক্রয় করে লাখ, লাখ টাকা কামিয়ে শ্রীবদরী খাদ্য গুদামে পোস্টিং নেয়। ঝিনাইগাতি থাকাকালে গুদামের স্টাফদের সাথে যোগসাজযে খালি বস্তা বাহিরে বিক্রি করে দেয়।
গোলসানা খাতুন খাদ্য গুদামে চাকুরীর কি মধু পেয়েছে জামালপুর থেকে এসে অফিস করেন অফিস সময় শেষ না হতেই আবার জামালপুরে চলে যান।
শেরপুর জেলায় সিনিয়র খাদ্য পরিদর্শক থাকার পরও এলএসডিতে পোস্টিং পায়না। এলএসডিতে পোস্টিং পেতে নাকি ২০/৩০ লক্ষ টাকা খরচ করতে হয়। আবার যে সকল উপজেলায় ধান ও চাউল সংগ্রহের বরাদ্দ বেশি সে সকল এলএসডিতে ৪০/৫০ লক্ষ টাকা খরচ করতে হয়। এ টাকা যায় কার পকেটে?
জানা যায় শোলসানা খাতুন শ্রীবদরী খাদ্য গুদামে চলতি বোরো ধান ও চাউল সংগ্রহে প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে নাম মাত্র ধান ক্রয় করে সিন্ডিকেটের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে ধান সংগ্রহ করেছেন। শ্রীবদরী এলএসডিতে চলতি বোরো ধান ও চাউল সংগ্রহ অভিযানে ২০০০ টন ধান ও ৭০০ মেঃটন চাউল সংগ্রহের বরাদ্দ দেওয়া হয়।
সরকারি বিভিন্ন কর্মসুচীর চাউল বিতরণে জিডিটাল কারচু পির মাধ্যমে এসআই আল আমিন ও পিয়ন এর মাধ্যমে ওজনে কম দেওয়া হয়। এ নিয়ে কয়েকজন ডিলার ও জনপ্রতিনিধি বিভিন্ন সময় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
গুদামে ভালো মানের চাউল মজুদ হলে তা বেশি দামে বাহিরে বিক্রি করে কম মুল্যের চাউল মজুদ করে গুদামের স্টাফরা। কমিশন পেয়ে নীরব থাকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। উপ খাদ্য পরিদর্শক ( এসআই) আল আমিন আট বছর শ্রীবদরী খাদ্য গুদামে কর্মরত রহস্য জনক কারনে বদলি নেই।
একটি সুত্রে জানা যায় গোলসানা খাতুন কে শ্রীবদরী এলএসডিতে পোস্টিং পেতে জামালপুর জেলার আরেকজন খাদ্য পরিদর্শক অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেছে।
এ ব্যাপারে এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলশানা খাতুন এর বক্তব্য জানতে ফোন দিয়ে পাওয়া যায়নি।
এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে রয়েছে আরও অনিয়ম ও দুর্নীতি। ছবি : সংগৃহীত