সংবাদদাতা, বাকেরগঞ্জ বরিশাল।
জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১৪ নং নিয়ামতি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হুমায়ন এর নির্দেশে চাউল চুরির অভিযোগ দুই ডিলারে বিরুদ্দে।
উল্লেখ্য সূত্র মতে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে তার ইশতেহারের ঘোষিত অনুসারে দশ টাকা দরে চাউল গরীব, অসহায়,মধ্যবিত্ত মানুষের মাঝে বিতারনের প্রতিশ্রুতি অনুসারে সারা দেশে ডিলার নিয়োগের মাধ্যমে হতদরিদ্রদের দশ টাকা দরে ত্রিশ কেজি বিতারন নিয়ম চালু করেন।আর তারই ধারাবাহিকতায় খাদ্যবান্ধ্যব কর্মসূচি নতুন করে দাম বৃদ্ধি কর চলিত মাসেও ১৫টাকা কেজি দরে বিতারন করা হয়।
সরেজমিন সূত্রে,গত বৃহস্পতিবার ২৭ অক্টোবর বরিশালে জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নের মধ্য মহেশপুর ট্যাগ অফিসার এর উপস্থিততে কার্ডধারী গ্রাহকদের মাঝে ১৫ টাকা কেজি দরের চাল বিতারন করেন স্থানীয় ডিলার ফরিদ ও নাসির। তবে চাল বিতারনের দেখা মিলে চেয়ারম্যান এর নির্দেশে চাল চুরির মহাউৎসব। যেখানে কার্ডধারী প্রতি গ্রাহক ৩০ কেজি পাওয়ার নিয়ম থাকলেও বিতারণ করে ২৮.৫০০ কেজি। এদিকে পাচ্ছেন সঠিক ভাবে কার্ডধারী ব্যাক্তি’রা।১৫ টাকা দরে ৩০ কেজি চাল বিতারন করার সময় সাংবাদিকের দৃষ্টিগোচর হলে কতিপয় দরিদ্র লোকদের চাল জনসম্মুখে মাপালে কারো ২৮.৫০০ কেজির বেশী চাল দেয় না। ডিলার ফরিদ ও নাসির সরকারের নির্দেশনাকে তোয়াক্কা না করে প্রতি গ্রাহকের থেকে ১.৫০০ কেজি পরিমান চাল চুরি করে এমনটাই দেখা মিলে।
এসময় সাংবাদিক'রা ডিলার ফরিদ ও ডিলার নাসির এর চাল কম দেয়ার কথা জানতে চাইলে তারা সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন আমাদের ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ূন কবির এর নির্দেশে এবং ট্যাগ অফিসারের উপস্থিততে ২৮.৫০০ কেজি চাল বিতারণ করি।
তবে এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ূন কবির কে সরাসরি না পেয়ে ফোনে মাধ্যমে জানতে চাইলে তিন ফোনে ব্যস্ততার কথা বলে ফোন কেটে দেন।
ভুক্তভোগী একাধিক গ্রাহক'রা চাল চুরির অভিযোগ এনে ফরিদ ও নাসির এর ডিলারশীপ বাতিল পূর্বক বিচারের দাবী জানাচ্ছে।
প্রধান সম্পাদক জয়নাল আবেদীন সজীব,|
Mobile: 01301429493 /
Email: msojibe73@gmail.com
ইপেপার