প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ৪, ২০২৬, ১:২৩ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুন ৩, ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ণ
কেন্দুয়ায় পৌর শহরে “চার বোন” ও তার “মা” জীবন হুমকির আতংকে, নিরাপত্তা চায়

লাভলী আক্তার নেত্রকোনা (জেলা প্রতিনিধিঃ)
নেত্রকোনার কেন্দুয়ার পৌর শহরে চার বোন ও তার মা হুমকির আতংকে, নিরাপত্তা চায় পরিবার।
অভিযোগ কারী মোছাঃ রীনা আক্তার (৩৫), স্বামী- কাজী মাহবুব আলম, পিতা- আব্দুল গনি, সাং- সরাপাড়া, কেন্দুয়া পৌরসভা, থানা- কেন্দুয়া, জেলা- নেত্রকোনা গতকাল থানায় অভিযোগ দাখিল করেন।
গতকাল ২ মে মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১০ ঘটিকার সময় অভিযোগকারী ও আহত স্বামী থানায় গিয়ে এই অভিযোগ দাখিল করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করেন- আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী মোছাঃ রীনা আক্তার (৩৫), স্বামী-কাজী মাহবুব আলম, পিতা- আব্দুল গনি, সাং- সরাপাড়া, কেন্দুয়া পৌরসভা, থানা- কেন্দুয়া, জেলা- নেত্রকোনা। আমি আপনার থানায় হাজির হইয়া এই মর্মে লিখিত এজাহার দায়ের করিতেছি যে, উল্লেখিত বিবাদীরা আমার চাচাতো ভাই। আমার বাবা এবং ভাই মৃত। আমরা চার বোন এবং আমাদের ভাই নাই। আমার পরিবারে আমাদের কোন ভাই এবং বাবা না থাকায় উল্লেখিত বিবাদীগণ দীর্ঘদিন যাবৎ আমাদের যাবতীয় সম্পত্তি তাদের নিজেদের দখলে নেওয়ার জন্য পায়তারা করিয়া আসিতেছে। উক্ত জমি জমার বিষয়কে কেন্দ্র করিয়া ঘটনার দিন ইং ০২/০৬/২০২৬ তারিখ দুপুর অনুমান ০২.৫০ ঘটিকার সময় কেন্দুয়া থানাধীন কেন্দুয়া চাউলের বাজারে জনৈক বিল্লালের চাউলের দোকানের সামনে আমার স্বামী ১নং জখমী সাক্ষী কাজী মাহবুব আলম (৫২) অবৈধভাবে পথরোধ করিয়া আমার স্বামী এবং মেয়েকে বিবাদীরা অতর্কিতভাবে হামলা করে। আমার স্বামী বিবাদীদেরকে বাধা নিষেধ করিলে ১নং বিবাদীর প্ররোচনায় ৪নং বিবাদী তাহার হাতে থাকা বাঁশের লাঠি দিয়া বাম হাতের কব্জিতে বারি মারিয়া নীলা ফুলা জখম করে এবং আমার মেয়ে কাজী মেহেরিমা আনজুম (১০) কে ৪নং বিবাদী তাহার হাতে থাকা বাঁশের লাঠি দিয়া এলোপাথারীভাবে বাইরাইয়া আমার মেয়ের ডান হাতের আঙ্গুলে নীলা ফুলা বেদনাদায়ক জখম করে। আমার স্বামী এবং আমার মেয়েকে ফিরাইতে গেলে ৪নং বিবাদী ডান হাতের আঙ্গুলে থাকা ০৪ আনা ওজনের স্বর্ণের আংটি, যাহার মূল্য অনুমান ৬০,০০০/- (ষাট হাজার) টাকা, গলায় থাকা ০১ ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন, যাহার মূল্য অনুমান ২,৩০,০০০/- (দুই লক্ষ ত্রিশ হাজার) টাকা ছিনাইয়া নিয়া যায়। আমরা বাজারে থাকার সুবাদে ২নং ও ৩নং বিবাদী ৪নং বিবাদীর প্ররোচনায় আমার চার বোনের নামের দোকানের কর্মচারীদেরকে দোকান খুলতে নিষেধ করে এবং দোকান বন্দ করিয়া দেয়। উক্ত ঘটনা এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের অবগত করিয়া এবং আমার পরিবারের সবার সাথে পরামর্শ করিয়া থানায় আসিয়া অভিযোগ দায়ের করিলাম।
এদিকে অভিযুক্ত শাহ আলম, নুরে আলম, নুরুজ্জামান ঝগড়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন- ঘটনার বিষয় আমরা তিন ভাই জানি না।
আমরা (রিনা,কনার----) তাদের আপন চাচাতো ভাই, তাঁরা বিভিন্ন জায়গায় বিয়ে হয়ে গেছে। ঈদ পারপাশে তাঁরা তাদের মায়ের সাথে দেখা করতে আসে। তাদের প্রতি আমাদের কোন অভিযোগ নাই।
কেন্দুয়া বাজারের চালের ব্যবসায়ী বিল্লাল মিয়া বলেন- গতকাল দুপুরে চাল মহালে ভাতের হোটেল ভাত খাইতে যা-ই, হঠাৎ দেখি রিনা ও তার স্বামী রিকশা যোগে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় তুষার পিছন থেকে তাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়।
তখন আমি ও আরও কয়েকজন দৌড়ে যাওয়ার আগেই রিনার স্বামীর উপর লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করলে স্বামী তার হাত দিয়ে ফিরাইলে হাতে পড়ে আহত হয়। আরও বাইড়াইয়া মারতে চাইলে তাঁকে নিষেধ করি এবং সে ফিরে যায়। এই মারামারিতে নুরুজ্জামান, নুরে আলম, শাহ আলম কেউ ছিল না।
এবিষয় থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেহেদী মাকসুদ বলেন- আমি অভিযোগ পেয়েছি, ঘটনার পরপরই ঘটনা স্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। অভিযোগের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রধান সম্পাদক জয়নাল আবেদীন সজীব,|
Mobile: 01301429493 /
Email: msojibe73@gmail.com
ইপেপার