সুলতানা রাজিয়া (সান্ধ্য কবি) স্টাফ রিপোর্টার।
ধরলা প্রতিরক্ষা বাঁধরাস্তাটি ব্রম্মপূত্র নদী ভঙ্গনে বিলীন হয়ে গেছে।মানুষের চলাচলের এক মাত্র রাস্তার অর্ধেক বিলীন হয়েছে।কারণ নদীটি অব্যাহতভাবে ভেঙ্গেই চলেছে অথচ ভাঙ্গন রোধে কোন উদ্যোগ নেইবিষয়টি খুবই দুঃখজনক।রাস্তাটি উলিপুরের বুড়াবুড়ী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের আ মিনুরের বাড়ি হইতে আব্বাছ মেম্মারের বাড়ির সামন দিয়ে দেলদারগঞ্জ বাজার পর্যন্ত ২কিলো বিভিন্ন স্থানের মাটি ধসে পড়েছে।পাঁচ- ছয় বছর আগে রাস্তাটির প্রস্থ ১২ফুট ছিল,প্রতি বছর ভঙ্গনে একটু একটু করে রাস্তাটি নদীর পেটে গেছে।
গত বছর রাস্তার প্রস্থ ৮ফুট দাঁড়িয়ে, এ বছর ভাঙ্গনে একটু একটু করে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।অথচ এত বছরেও এ ব্যাপা রে কারও টনক নড়েনি। গ্রাম বাসীর আশঙ্কা,ভাঙ্গন অব্যাহ ত থাকলে ও রাস্তা তো বিলীন হবেই,ও গ্রামের মানুষের বসত ভিটা,
স্কুল মসজিদ সহ বিভিন্ন গুরুত্ব পূর্ণ স্থাপনও বিলীন হয়ে যাবে।ভাঙ্গন রোধে এখনই যদি কোন উদ্যোগ না নেওয়া হয়,তাহলে গ্রাম বাসির আশঙ্কা সত্য হতে সময় লাগবে না। এ জন্য উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় পানি উন্ন য়ন বোর্ডকে তৎপর হতে হবে নদী ভাঙ্গন রোধে দ্রুত এবং রাস্তা সংস্করণে, প্রকল্প গ্রহন করতে হবে।আমাদের দেশে নদীর তীরবর্তী মাটির তলদেশে ক্ষয়ে যাওয়া নদীর তীব্রতা বৃদ্ধি অপপরি কল্পিত ড্রেজিং নদীর গতিপথ পরিবর্তন,নদী তে অপরিকল্পিত বাঁধ ও গ্রোয়েন নির্মাণ সহ নানা কারণে নদী ভাঙ্গন হয়।সরকারি উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে ন দী ভাঙ্গন রোধে নেওয়া হয়না প্রকল্প ব্লক ফেলা সহ নেওয়া হয় নানা ব্যবস্থা।এতে কোটি কোটি টাকা ব্যয় হলেও এ সব ব্যবস্থা স্থায়ী হয় না।সরে জামিনে দেখা যায় বুড়াবুড়ী ফকির মহম্মদ ৩নং ওয়ার্ডের দেলগঞ্জ যাওয়া পর্যন্ত রাস্তা মেরামত ও নদী সহ দেশের অন্যান্য নদীতে সৃষ্টি ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেয়া হোক।
প্রধান সম্পাদক জয়নাল আবেদীন সজীব,|
Mobile: 01301429493 /
Email: msojibe73@gmail.com
ইপেপার