লাভলী আক্তার নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধিঃ
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার মাংস ব্যবসায়ী আরা দন মিয়াপচা মাংস বিক্রির অভিযোগে সংবাদ সন্মেলন করেন।১২ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেলে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার পৌর শহরের বাসিন্দা দূর্গাপুর মো র বাজারের মাংস ব্যবসায়ী আরাদন মিয়া, মরা গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে যে অভিযোগটি তার বিরুদ্ধে করা হয়েছে তা আসলে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন।
তিনি বলেন, আমি ৩৭ বছর ধরে গরু-ছাগলের মাংস বিক্রি করে আসছি সুনামের সাথে। কোনোদিন অসুস্থ পশুর মাংসও বিক্রি করিনি। আমাকে নিয়ে কেউ কো নোদিন কোনো অভিযোগও করেনি। আর মরা পশুর মাংস বিক্রি করার তো কোনো প্রশ্নই আসে না। কিন্তু গৌরীপুর থেকে মাংস কেনার পর আমাকে জড়িয়ে নানারকম বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে ফেসবুকে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। তার জন্য আমি বিব্রত এবং লজ্জিত আমি ওই বিভ্রান্তিকর সংবাদের প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
গৌরীপুর থেকে মাংস কেন্দুয়ায় নিয়ে আসার পর গৌ রীপুর এলাকা থেকে টেলিফোনে হিন্দু সম্প্রদায়ের এক জন আমাকে জানায়, যে গরুটার মাংস কেনা হয়েছে, সেটা নাকি অসুস্থ ছিল এবং আগেই জবাই করা ছিল। বিষয়টি জানার পর আমি এসব মাংস বিক্রি করিনি ও সব মাংস বস্তায় ভরে মাটিতে পুঁতে রাখি।
তিনি মাংস ক্রেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন,আমার ব্যবসার একটা সুনাম আছে। মরা গরুর মাংস বিক্রি তো দূরের কথা,কেউ বলতে পারবেন না আমি কখনও অসুস্থ গরু -ছাগলের মাংস বিক্রি করেছি। এরকম অন্যায় কাজ আমি কখনও করিনি আর করবও না ইনশাআল্লাহ।
তাৎক্ষণিক কেন্দুয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার নির্দেশে তাঁর অফিসের লোকজনের উপস্থিতিতে কেন্দুয়া বাজারে মাটিতে পুঁতে রাখা গৌরীপুর থেকে কেনা গরুর মাংস উত্তোলন করে দেখান।
এ সময় স্থানীয় ১৫ জন সাংবাদিকরাও উপস্থিত ছিলেন আরাদনের দাবি আমিএক ছটাক মাংস ও বিক্রি করিনি সেই অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, অনুষ্ঠিত হয়েছে।আরাদন তার লিখিত বক্তব্যটি তুলে ধরেন'সং বাদ সন্মেলনে তিনি বলেন- উপস্থিত সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা, আসসালামু আলাইকুম।
আমি মোঃ আরাদন মিয়া,কেন্দুয়া উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের দূর্গাপুর মোর বাজারের একজন মাংস ব্যব সায়ী। আমি ৩৭ বছর যাবৎ এই ব্যবসা করে আসছি, আমার বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত কোন অভিযোগ নাই। আজ আপনাদের মাধ্যমে আমি ও আমার ব্যবসায়ের সুনাম বিনষ্ট করার একটি অপচেষ্টা ও সম্পূর্ণ মিথ্যা অপপ্রচা রের প্রতিবাদ জানাতে হাজির হয়েছি।
ঘটনার সত্যতা হলো-গত ৮ সেপ্টেম্বর ওই এলাকা থে কে একটি গরু কেনার কথা চলছিল, গরুটি হাটাচলা বা উঠতে পারছিল না ঠিকই, তবে সেটি জীবন্ত ছিল। গরুটির মাংস আমি কেনাকাটা বা আনায়নের জন্য নিজে সে এলাকায় যাইওনি;
অন্য একজন লোককে পাঠানো হয়েছিল। হিন্দু বাড়ি থেকে গরুটি আগেই জবাই করে দেওয়া হবে-এ বিষয়ে আমি সম্পূর্ণ অজ্ঞ ছিলাম। যদি আগে থেকে জানতাম, তবে কোনোভাবেই সেই মাংস আমি সংগ্রহ করতাম না।
এরপর ব্যক্তিগত জরুরি প্রয়োজনে আমাকে চট্টগ্রামে যেতে হয়। সেখান থেকেই জানতে পারি যে, অসাধু চক্র উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে-আমি নাকি বাজারে 'পঁচা মাংস' বিক্রি করেছি
আমি সুস্পষ্টভাবে বলছি, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক। একজন সৎ ব্যবসায়ী হিসেবে আমি কখনো হারাম বা পঁচা মাংসের কারবার করিনি।
আমি আপনাদের মাধ্যমে এধরনের উদ্দেশ্য প্রণোদিত প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সঠিক তথ্য তুলে ধরে সত্য উন্মোচনের জন্য অনুরোধ করছি, আপনাদের সহায়তার জন্য ধন্যবাদ।
প্রধান সম্পাদক জয়নাল আবেদীন সজীব,|
Mobile: 01301429493 /
Email: msojibe73@gmail.com
ইপেপার