প্রিন্ট এর তারিখঃ অক্টোবর ৯, ২০২৬, ১২:৩৬ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ অক্টোবর ৭, ২০২৬, ৯:৪৫ পি.এম
বিমানবন্দরে আবারও নওশাদের মতো সাহসী ম্যাজিস্ট্রেটকে দায়িত্ব দেওয়ার দাবি

মো টিপু সুলতান-স্টাফ রিপোটারঃ
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালন করা ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদকে নিয়ে মানুষের মাঝে যে আলোচনা ও প্রশংসা রয়েছে, তা নতুন করে সামনে এসেছে। অনেকের দাবি—তিনি দায়িত্বে থাকাকালে বিমানবন্দরের অনিয়ম, অতিরিক্ত দাম আদায়, যাত্রী হয়রানি ও নানা অসঙ্গতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন।
অভিযোগ ও জনশ্রুতি রয়েছে, তার উপস্থিতিতে বিমান বন্দরের ভেতরে পানির বোতল কিংবা কোমল পানীয়ের অতিরিক্ত দাম নেওয়া, টয়লেটকেন্দ্রিক অনিয়ম কিংবা যাত্রীদের লাগেজ নিয়ে কারসাজির মতো বিষয়গুলোতে কেউ সহজে ছাড় পেত না। তার কঠোর নজরদারির কারণে বিমানবন্দরের সংশ্লিষ্ট অনেকেই নিয়ম মেনে চলতে বাধ্য হতেন—এমন কথাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোনা যায়।
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে—এমন একজন কর্মকর্তা এখন কোথায়? কেন তাকে বিমানবন্দর থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল?
যদি তিনি সত্যিই অনিয়মের বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা রেখে থাকেন, তাহলে তার মতো সৎ, সাহসী ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের আরও গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া উচিত। বিমানবন্দরের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যাত্রীসেবা, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে কঠোর ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসনের প্রয়োজন রয়েছে।
প্রবাসীরা বছরের পর বছর কষ্ট করে উপার্জন করে দেশে ফেরেন। একজন যাত্রী যেন বিমানবন্দরে প্রবেশের পর হয়রানি, অতিরিক্ত মূল্য, লাগেজ চুরি কিংবা কোনো ধরনের অনিয়মের শিকার না হন—এটা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
তাই দাবি একটাই—নওশাদ যদি তার দায়িত্বকালে সত্যিই অনিয়মের বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা রেখে থাকেন, তাহলে তাকে আবারও হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হোক।
সৎ ও সাহসী কর্মকর্তাদের ভয় পাওয়ার নয়, বরং উৎসাহিত করার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।
বিমানবন্দর হবে যাত্রীসেবার জায়গা, হয়রানি ও অনিয়মের নয়। 🇧🇩✈️
আপনাদের কী মত? নওশাদের মতো কঠোর ও সৎ কর্মকর্তাদের কি বিমানবন্দরে প্রয়োজন আছে?
প্রধান সম্পাদক জয়নাল আবেদীন সজীব,|
Mobile: 01301429493 /
Email: msojibe73@gmail.com
ইপেপার