স্টপ রিপোর্টার_
লক্ষীপুর সদর উপজেলা চন্দ্রগঞ্জ থানা অধীনে ১১ নং হাজিরপাড়া ইউনিয়ন ইউসুফপুর গ্রামের ভূমিদস্যুর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক এ সময় এলাকাবাসীর সাথে কথা বলার সময় তারা বলেন টাকা আর ক্ষমতার দাপটে আমা দের ফসলের জমি নষ্ট করে মাটির নিয়ে যাচ্ছে। ভূমিদস্যু বসু কোম্পা নি,মানুষ কালো হলে আচরণও এরকম খারাপ হয় খুব দুঃখ জনক ঘটনা।সে হাজার কোটি টাকার মালিক হলো তার টাকার কোন মূল্য থাকবে না। সে যেভাবে মানুষের সাথে খারাপ আচরণ করছে। এদিকে লক্ষীপুরে সকল কর্মকর্তা অফিস ম্যানেজ করে।রাত দিনে. ২৪ ঘন্টা মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দিয়ে কোন লাভ হয় না।
আমাদের ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছিল কোন ভাবে ফসলের জমি নষ্ট করা যাবে না ফসল উৎপাদন করতে হবে। আমরা গরীব অসহায় দিনমজুর, শ্রমিক আমরা ফসল উৎপাদন করার, জমিগুলো নষ্ট করে খাল তৈরি করে দিয়েছিলেন হাজারো অভিযোগ দিয়ে ও কোন লাভ হয় নাই, প্রশাসন আমাদের কথা শুনে না কারণ আমরা টেবিলের ব্যাগ ভর্তি টাকা দিতে পারি নাই, অতি দুঃখজনক ঘটনা আল্লাহ সবাইকে বিচার করার তৌফিক দান করুণ।
এদিকে ভূমিদস্যু বসু কোম্পানির সাথে কথা বলার সময় তিনি বলেন সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি খারাপ আচরণ দিয়ে বলতে থাকে শুধু মাটি কি আমি কেটে নিটছি, আরো অনেকে মাটি কেটে নিয় আর মাটি কাটলে সাংবাদিকের সমস্যা কি আমি বসু মাটি কিনেছি মাটি কেটে নিয়ে যাব।সাংবাদিক তথ্য সংগ্রহ করে নিউজ করো, আর এ নিউজে আমাদের কিছু যায় আসবে না কারণ আমি প্রতিটা টেবিলে আমাদের টাকা দেওয়া আছে দুঃখজনক ঘটনা বসু কোম্পানির কথা শুনে সাংবাদিকের মুখ বন্ধ হয়ে গেল,একজন সাংবাদিকের সাথে খারাপ আচরণ করা মানেই পুরো সাংবাদিক মহলে আচরণ খারাপ করা একই সমান।
ভূমি মন্ত্রনালয়ে যেভাবে নিদর্শ দিয়ে। বলেছিলেন ফসলের জমি নষ্ট করা যাবে না ফসল উৎপাদন করতে হবে তাহলে আমি মনে করি, এসিলেন্ড ইউ এনও, তসিলদার সহ অফিসার গণ দেখে ও না দেখার ভান করে ছলে । যাহারা ফসলের জমি কেটে মাটি নিয়ে যাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে যেন কঠিন ব্যবস্থা নেয়া হয়।যে সকল অফিসারদেরকে দায়িত্ব দেওয়া হয় তারা যদি টাকার বিনিময় অবৈধ কাজ করার সুযোগ করে দেয় থাকে তাহলে সাধারণ জনগণ যাবে কার কাছে যারা ঘুষ খায় ঘুষখোদের বিরুদ্ধে যেন মন্ত্রণালয় থেকে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হোক।
প্রধান সম্পাদক জয়নাল আবেদীন সজীব,|
Mobile: 01301429493 /
Email: msojibe73@gmail.com
ইপেপার