স্টাফ রিপোর্টার - মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ময়মন সিংহ সদর দপ্তর সহ বিভিন্ন উপকেন্দ্রে বিগত দিনে কোটি কোটি টাকার লোটপাট হলেও তার বিচার হয়নি।একটি সুত্রে জানা যায় গবেষণা খাতে বরাদ্দ কৃত কোটি কোটি টাকা অর্ধেক বিভিন্ন জাল জালি য়াতির মাধ্যমে লোটপাট করছে দায়িত্বে থাকা কর্মক র্তারা।গত ২০১৮ - ১৯ - ২০২০ - ২০২১ অর্থ বছরে বিভিন্ন প্রজাতির মৎস্য গবেষণা কাজের জন্য ক্যামিক্যাল নাম মাত্র সরবরাহ করে প্রায় দুই কোটি টাকা লোপাট করেছে।এছাড়া গোপন টেন্ডার এর মাধ্যমে কতিপয় ঠিকাদার কে কাজ দিয়ে লাখ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়েছে। ওপেন টেন্ডার হলে সিডিউল বিক্রয় মাধ্যমে সরকার অনেক রাজস্ব পেত।
আরও জানা যায় কুচিয়া চাষ ও মুক্তা চাষ প্রকল্পে কয়েক কোটি টাকা লুটপাট করেছে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালক ও মহাপরিচালক।মুক্তা চাষ প্রকল্পে অফি স ভবন ও রাস্তা নির্মান কাজে ব্যায় বরাদ্দ বাড়িয়ে দুই কোটি টাকা লোপাট করেছে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা।যা অডিটে ধরা পড়লে তা ধামাচা পা দেওয়া হয়।প্রতিষ্ঠান টির কয়েকজন কর্মকর্তা তাদের দুর্নীতিকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ইলেকট্র নিক মিডিয়ার কয়েকজন সাংবাদিক কে দিয়ে মাঝে মধ্যে তাদের পক্ষে প্রতিবেদন করান।গত ২০১৭ - ২০১৮ - ২০১৮ - ২০১৯ অর্থ বছরে ফটোকপি মেশি ন,সনি ও স্যামসান ব্যান্ডের ফ্রিজ সরবরাহ দরপত্র আহ্বান করে নেওয়া হয়েছে স্টিকার লাগানো চায় না কমদামি ফ্রিজ। এতে লাখ, লাখ টাকা তছরুপ করেছেন প্রতিষ্ঠানের পিআরএল এ যাওয়া এক চীফ সাইন্টিফিক কর্মকর্তা।
জানা যায় উক্ত প্রতিষ্ঠান এর দুই কর্মকর্তা ময়মন সিংহ নগরীতে কয়েক কোটি টাকা খরচ করে আলি শান বাড়ি নির্মান করছে।পিআরএল এ যাওয়া ঐ কর্মকর্তা কোহিনূর মিয়া পিআরএল এ গেলেও এখনও বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এর কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নিয়ে কাজ বন্টন করে থাকে।বিভিন্ন প্রজাতির মাছের রেনো পোনা বিক্রির টাকা তছরুপ এর রয়েছে অভিযোগ।
প্রধান সম্পাদক জয়নাল আবেদীন সজীব,|
Mobile: 01301429493 /
Email: msojibe73@gmail.com
ইপেপার