স্টাফ রিপোর্টার : ময়মনসিংহ নগরীর কৃষ্টপুর, বাঘমারা, পাটগুদাম,জেসি গুহ রোড, আটানী পুকুরপাড় ও রেলস্টে শন চত্বর এলাকায় রকমারী মাদক বেচা-কেনার ব্যবসা এখন তুঙ্গে অবস্থান করছে। আর এই ব্যবসার টপ লিডার হচ্ছে কৃষ্টপুরের কচুয়া বংশের মৃত নূরুল ইসলাম পাগলার কন্যা জামাতা বিনু মিয়া। বিনু তার স্ত্রী সহ পরিবারের অন্যা ন্যদের নিয়ে মদের ডিপোর নিকট দুই রেলপথের (ভৈরব ও ঢাকা) মাঝে রেলকোয়ার্টারে বসবাস করে দীর্ঘদিন ধরে পাইকারী ও খুচরায় মাদক দ্রব্য
বেচা-কেনা করে আসছে খবরে ময়মনসিংহ ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১শ' পিচ ইয়াবা সহ বিনুকে আটক করে জেল হাজতে পাঠায়। কিন্তু দুঃখের বিষয়, মাত্র ৪ দিনের মাথায় অন্যতম মাদক সম্রাট বিনু জামিনে ছাড়া পেয়ে বাসায় ফিরে আসে। ফিরে এসেই সে ইয়াবা, হেরোইন, গাঁজা, নেশাকর ইনজেকশন সহ নানা ধরনের মাদক দ্রব্য ব্যবসা আরো বহুগুনে বাড়িয়ে তোলেছে। বিনু নিজে কখনো মদের ডিপো মসজিদ সংলগ্ন স্থানে, কখনো কৃষ্টপুর দিলরওশন মসজিদের কাছে,
কখনো বাঘমারা রেলগেইট এলাকায়, কখনো ব্রীজ মোড় রেলগেইট এলাকা,আবার কখনো কৃষ্টপুর কলোনী এলাকা য় অবস্থান নিয়ে নির্বিঘ্নে উল্লেখিত মাদকদ্রব্য বিক্রয়েমেতে ওঠেছে। তার এই ব্যবসায় সহযোগীতা করছে তার স্ত্রী পরি বারের অন্যান্য সদস্যসহ কমপক্ষে ২ ডজন ব্যক্তি।
বিনুর মাদক ব্যবসার ছোবলে শিকার হাজার কিশোর তরুন যুবক। ধবংশ হয়ে যাচ্ছে এদের জীবনের ভবিষ্যৎ। বিনু প্রকাশ্যে ঘোষনা দিয়েছে তার এই মাদক ব্যবসা কেউ বন্ধ করতে পারবে না। যেহেতু বিভিন্ন আইন শৃংখলা বাহিনীর পিছনে প্রতিমাসে কয়েক লাখ টাকা বখরা হিসেবে ব্যয় করা হয়।
উল্লেখ থাকে যে, বিনু এ পর্যন্ত মাদকসহ কমপক্ষে ১৫ বার গ্রেফতার হয় এবং প্রতিবারই স্বল্প সময়ের মধ্যেই জামিনে ছাড়া পেয়ে যায়। এর ফলে প্রতিবারেই প্রশাসনের অবৈধ মাসোহারা বেড়ে যায়। আর এই মাসোহারার যোগান দিতে বিনুকে মাদক ব্যবসার প্রসারও ঘটাতে হয়। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন কীভাবে মাদকের ছোবল থেকে সমাজ রক্ষা পাবে?
অপরদিকে নগরীর কেওয়াটখালী, আকুয়া, বাশবাড়ী ও ছত্রিশবাড়ী কলোনি, দিঘারকান্দা ও আকুয়া বাইপাস এর আশেপাশের এলাকায় চলছে জমজমাট মাদক ব্যবস্যা। ছবি : সংগৃহীত
প্রধান সম্পাদক জয়নাল আবেদীন সজীব,|
Mobile: 01301429493 /
Email: msojibe73@gmail.com
ইপেপার