July 5, 2026, 6:40 pm
শিরোনামঃ
০২ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে ডিবি উত্তরা বিভাগ পলাশবাড়ী মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সভাপতি নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক: যা বললেন নবনির্বাচিত সভাপতি বান্দরবানে অস্ত্র ও গুলিসহগ্রেফতার কুকি চিং সদস্য থানা ও উপজেলার সামনে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে ট্রাক, অলৌকিকভাবে রক্ষা পেল কারখানা ও শ্রমিকরা মানবপাচার থেকে রাজনীতির শীর্ষপদ: দীপক মন্ডলের ‘ভোলবদল’ নাটকে জিম্মি গোপালপুর পরিচয়ের আড়ালে বহুরুপী এক চরিত্র (দীপক মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক, ০৩ নং গোপালপুর ইউনিয়ন বিএনপি চন্দ্রগঞ্জে ইয়াবা, নগদ টাকা ও মোবাইলসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার নেতাকর্মীদের চোখে এখন আর জল নেই, আছে শুধুই আগুন, এই আগুন বিস্ফোরিত হবে শীঘ্রই – ওবায়দুল কাদের জামাতের সাথে বিএনপির বিরোধ লোক দেখানো-গৌতম লাহিড়ী কমলনগরে বেত্রাঘাতে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র অসুস্থ, শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

অন্ধ পরিবারের পাশে দাড়ালেন ভাষা সৈনিকের পুত্র ফিলিপ

Reporter Name

আব্দুস সালাম রুবেল স্টাফ রিপোর্টারঃ

ঠাকুরগাঁওয়ের এক অন্ধ পরিবারের পাশে দাড়িয়েছেন ভাষা সৈনিকের পুত্র ফিলিপ তিনি ওই পরিবারটিকে গবাদি পশু (গরু) কিনে দিয়েছেন লালন পালনেযা থেকে আয়ের অংশ হিসেবে যোগ হবে পরিবারে।গত কয়েক দিন আগে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বাবা সুবেশ চন্দ্র পালকে সঙ্গে নিয়ে বাইসাই কেলে মাটির তৈরি জিনিসপত্র নিয়ে জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার লাহিড়ী বাজারের পথে হেঁটে যাচ্ছিলেন বারো বছর বয়সী মে রিনা রানী।

সাইকেলের পেছনের একটি অংশ ধরে পেছন পেছন হাঁট ছেন তার দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বাবা। এমন হৃদয় বিদায়ক দৃশ্য চো খে পড়ে ভাষা সৈনিক মরহুম এ্যাডভোকেট মুহম্মদ দরিরু ল ইসলামের ছেলে মো: আহসান উল্লাহ ফিলিপ এর। সুবে শ চন্দ্র পাল ওই উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা আমজান খোর ইউনিয়নের উদয়পুর বালুবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা। পরে সুবেশ চন্দ্র পালের বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারের খোঁজ খবর নেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় গবাদিপশু গরু কিনে দেয়ার বিষয়ে আশস্ত করেন।হঠাৎ গতকাল শুক্রবার (১৩ ) মে বিকেলে গরুটি নিয়ে হাজির হয় পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের ভাষা সৈনিকের ছেলে ফিলিপ। স্থানীয়দের উস্থিতিতে তুলে দেন গরুটি। এমন অবস্থায় গরু উপহার হিসেবে পেয়ে খুশি পরিবারটি।

দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সুবেশ চন্দ্র পাল বলেন,অন্ধ হওয়ায় পরিবারে র জন্য আয় করতে পারছি না। স্ত্রী সন্তানরা বাসায় মাটির জিনিস তৈরি করে। আর তা বিক্রির জন্য ১২ বছর বয়সী মেয়ে আমাকে সাথে নিয়ে সাইকেলে করে হাটবাজারে বিক্রির পর অন্ন জোগাতে হয়। গরুটি পেয়ে আমি ভীষন খুশি। সেটি লালন পালন করে আয় করা যাবে। তবে কয়েক বছর পর মেয়েকে বিয়ে দিতে হবে এমন চিন্তায় ভেঙ্গে পরেছেন তিনি।

এ বিষয়ে ভাষা সৈনিকের পুত্র ফিলিপ জানান, সমাজের বৃত্তবানরা যদি এমন অসহায় পরিবারগুলোর দিকে এগিয়ে আসে তাহলে অনাহের কেউ দিন পার করবে না বলে মনে করেন তিনি।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST