নিজস্ব প্রতিবেদক:
ইনফ্যাক্ট ফেসবুকেও ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছে তারা এমন কিছু যায়গায় পোস্টার লাগিয়েছে যেটা সিসি ক্যামেরার আওতাভুক্ত! প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের আশে পাশে তারা পোস্টার লাগিয়েছে।নিশ্চয় এটা গোয়েন্দাদের চোখ এড়িয়ে যাবার কথা নয়!
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সবাই এটা জানতো যে তারা জমায়েতের চেষ্টা করছে।আইন শৃঙ্খলা বাহিনী হাঁকডাক দিল অনেক কিছু করবে,আদতে তাঁরা বীরদর্পে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল করলো তারপর আধাঘন্টা পর লোক দেখানো পুলিশ এ্যাকশনে গেল।আমরা বাঙ্গালী কি বো*চো* কিছু বুঝি না!
আমার প্রশ্নটা হলো, সরকারের ঠিক কোন অংশের বা কার কার সাপোর্ট এখানে আছে?নাকি পুরো সরকার আওয়ামী লীগ তো নিষিদ্ধ সংগঠন না।অথচ আওয়ামী লীগকে আজ পর্যন্ত এভাবে কোন মিছিল করতে দেয়া হয়নি ৫ আগস্টের পরে।যদিও কোন রকমে ঝটিকা মিছিল করেছে তারপরই আওয়ামী লীগারদের দেখে দেখে গ্রেফতার করা হয়।বাসায় গিয়ে তন্নতন্ন করে খুঁজে তাদের পরিবারকে হয়রানি করা হয়!
আজ তথাকথিত নিরাপত্তার মধ্যে হিজবুত তাহরির এত জমায়েত তাহলে কিভাবে করলো পূর্বেই ঘোষণা দিয়ে?? পৃষ্ঠপোষকতা কার?অবশ্যই সরকারের!
যেহেতু এই সংগঠন বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বহু দেশেই নিষিদ্ধ,
তাদের এই কর্মকাণ্ড এই মুহুর্তে একটাই উদ্দেশ্য হতে পারে আর তা হলো দেশকে জঙ্গীরাষ্ট্র বানানো।আর সরকার এতে মদদ দিচ্ছে।
এদের কেন গ্রেফতার করছেন না এভাবে তৎপরতা দেখানোর পরেও??