May 20, 2026, 7:01 am
শিরোনামঃ
দলের দুঃসময়ে শেখ হাসিনার আস্থায় আয়মান হোসেন অপু: ত্যাগী নেতৃত্বে জেগে উঠছে বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠন ময়মনসিংহ সমাজসেবা অধিদপ্তরে দুর্নীতির অভিযোগ বর্তমান সরকার দেশের উন্নয়নের সকল কর্মসূচি বাস্তবায়নের কাজ করে যাচ্ছে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ৫ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কাজ করছে সরকার : ত্রাণমন্ত্রী গুদামে ধান বিক্রির আবেদন “অ্যাপস” জটিলতা বিপাকে কৃষকরা ত্রিশালে জাতীয় কবি নজরুলের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী: সমাপনী দিনে প্রধান অতিথি তারেক রহমান বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক দিঘলী বাজার শাখায় রেমিট্যান্স উৎসবের পুরস্কার বিজয়ী সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত লক্ষ্মীপুরে জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মারামারির ঘটনার মামলায় নেত্রকোনা খাদ্য বিভাগে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ (২) মৃত্যুর মিছিলে আবারো শোকের ছায়া সুনতি বাঁশি
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

শেখ কামাল: ক্রীড়া সংগঠক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব

Reporter Name

শেখ কামাল: ক্রীড়া সংগঠক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব

স্টাফ রিপোর্টার:

মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পর সকল মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের ২ বছরের সিনিয়রিটি দেওয়ার কারণে শেখ কামালকেও ক্যাপ্টেন হিসেবে পদোন্নতি দেয়া হয়। তবে বেশিদিন আর সেনাবাহিনীতে না থেকে আবারো বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামাল”

নিজের স্নাতক সম্পন্ন করেন। একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠক হিসেবে যে অভিজ্ঞতা তিনি অর্জন করেছেন, তা বেসামরিক জীবনে কাজে লাগানোর বহুমুখী উদ্যোগ নেন। তিনি খেয়াল করলেন ৭১-এর পরাজিত শক্তিরা এক জোট হয়ে ছাত্র-যুবকদের বিপথে নিয়ে যাচ্ছে। সেই অবস্থা থেকে তরুণদের ফিরিয়ে আনতে তিনি খেলাধুলার দিকে নজর দিলেন।

১৯৭২ সালে ‘আবাহনী ক্রীড়া চক্র’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশে আধুনিক ফুটবলের উন্মেষ ঘটান তিনি। তিনি নিজে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাস্কেট দলের খেলোয়ার ছিলেন, এছাড়াও ফুটবল খেলেছেন আজাদ স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে। এমনকি ছায়ানটে নিয়মিত সেতার বাজানো শিখতেন এবং একাধিক নাটকে অভিনয় করেছেন। স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর পৃষ্ঠপোষকতা করতেন তিনি।

মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামালের স্ত্রী সুলতানা কামাল খুকিও বাংলাদেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। সুলতানা ছিলেন বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের হয়ে লং জাম্প ও ১০০ মিটার স্প্রিন্টে রুপা ও ব্রোঞ্জ পদক জয়ী প্রথম অ্যাথলেট।

তিনি ছিলেন স্প্রিন্ট আর লং জাম্পে ন্যাশনাল রেকর্ডধারী
১৯৭৫ সালের ১৪ জুলাই বিয়ে করেছিলেন বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গণের শ্রেষ্ঠ সংগঠক শেখ কামাল এবং দেশের শ্রেষ্ঠ নারী ক্রীড়াবিদ সুলতানা (খুকি)। কিন্তু হাতের মেহেদি শুকানোর আগেই ঘাতকদের বুলেটে রক্তস্নাত হয়ে অকালে প্রাণ হারান তারা। বিয়ের মাত্র এক মাসের মাথায়, ১৫ আগস্ট ভোর রাতে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার জন্য দেশদ্রোহী ঘাতকদল যখন ধানমন্ডি ৩২ নম্বর রোডের বাড়ি ঘিরে ফেলে অতর্কিত গুলি চালাতে থাকে।

তখন ওপর থেকে নেমে আসেন শেখ কামাল। নিচতলার অভ্যর্থনা কক্ষে পৌঁছামাত্র প্রথমেই তাকে ব্রাশফায়ার করে হত্যা করে ঘাতকরা। এরপর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ পরিবারের সবাইকে এক এক করে হত্যা করে তারা।

এমনকি কোনো নারী ও শিশুর প্রাণকেও রেহাই দেয়নি নরপিশাচরা।
পরবর্তী সময় বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগকে নিয়ে এই খুনি উগ্রবাদীরা যেভাবে দীর্ঘ ২১ বছর ধরে বিভিন্ন মিথ্যা অপ প্রচার চালিয়েছে, ঠিক তেমনিভাবেই ইতিহাস থেকে শেখ কামালের অবদানগুলো আড়াল করে তাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করেছে। তবে মাত্র ২৬ বছরের স্বল্প জীবনে শেখ কামাল রাজনীতি, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে যে অবদান রেখে গেছেন, তা চিরকাল তারুণ্যের অনুপ্রেরণা এবং স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

#শেখকামাল #বাংলাদেশ



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST