নিজস্ব প্রতিবেদন:
আমি মনে করি ১৯৭১ সালে যেভাবে পুলিশ বাহিনীকে হত্যা করা হয়েছিল রাজাকার মুক্ত করতে হলে পাকিস্তানি দালাল জংলি পুলিশগুলোকে প্রকাশ্য হত্যা করা হোক যেভাবে মানুষকে নিপাত করা হয়। একইভাবে নিপাত করা হলে বাংলার জনগণ আর কখনো অশান্তি নির্যাতন দর্শন গুম খুনের আর হবে না বাংলার মাটিতে এবার শেষ মুহূর্ত রাজাকারমুক্ত চাই।
এরা পুলিশ নয় এরা সন্ত্রাসী একাত্তরের বিরোধিতা এরা বাংলার জনগণের শত্রু দেশের শত্রু এদের আইনকানুন বলতে কিছু নেই তাই এদেরকে বিউটি এন্ড বিউটি যে যেখানে পাবেন বাংলার জনগণ গণধোলাই দিয়ে এই পৃথিবীর থেকে মায়া ত্যাগ করে পাকিস্তানি তাদের লাশ পাঠাইতে হবে মাইন্ড তাহলে আমি মনে করি ৩০ লক্ষ শহীদের আত্মা মাগফেরাত কামনা হবে বেঁচে রাখলে ভবিষ্যতে বাঙালিদেরকে এভাবে হত্যা করবে যা আইনের প্রক্রিয়া দেখাবে।একজন অপরাধী না হইয়াও যদি অপরাধী হয় তাহলে তার উচিত অপরাধী কে পারছি তো দেওয়া অপরাধীকে পাতানো দেওয়া মিথ্যা অপরাধের কারণে আজ যদি কারাগারে যেতে হয় তাহলে সত্যি সত্যি পুলিশ সুপারকে হত্যা করে জেল হাজতের যেতে অনেক ভালো লাগবে।
আগামী দিনে এই পুলিশ সুপারের নামে সন্ত্রাসী গডফাদারকে প্রকাশ্য জনতায় হত্যা করার দরকার না হলে এভাবে আরও অনেক হাজার পরিবার হারাতে হবে কারণ এরাই নারায়ে তাকবীর বলে মানুষকে হত্যা করতে তাদের বুক কাঁপে না হাত কাঁপে না আসমান কাফেরা থাকে শুধু আনন্দ উল্লাস তাই এরা মীরজাফর পুলিশ সুপারকে প্রকাশ্যে হত্যা করা হোক গণপিটুনি দেওয়া হোক পুলিশ সুপারের কার্যালয় ঘিরা দেয়া হোক পাশে আগস্টের পরে হাজার হাজার পুলিশকে হত্যা করেছে জানোয়ার বাচ্চাকে কিভাবে রেখে দিয়েছে আসলেই থাকবে এরাতো পাকিস্তানের দালাল বর্তমান তাদের শাসন চলতেছে।
যার কারনে রাজনীতি প্রতিহিংসার কারণে এভাবেই শিশু বাচ্চাকে হত্যা করবে কখনো ভাবতে পারি নাই এরা পুলিশ প্রশাসন নয় এরা একেকটায় কসাই এই কসাইদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হোক বাঙালি জাতি এই পুলিশ সুপারদের পরিবারকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে সেই ঠিক এভাবে পরিবারকে হত্যা করা হোক তাহলে দেশের শান্তি-শৃংখলা ফিরে আসবে যেখানে থাকবে পুলিশের অন্যায় সেখানে থাকবে জনগণের দোলায়।এক পরিবার লোকান্তরে লক্ষ পরিবার ঘরে আমি শুধু আওয়ামী লীগ পরিবার ও মুক্তিযুদ্ধ সহ পরিবারের কাছে অনুরোধ থাকবে।
আগামী ভারতের ঘণ্টার ভিতরে ওই সাদ্দামকে বলবো জীবনের ঝুঁকি শেষ ঝুঁকি নিয়ে যারা তোমার পরিবারের উপরে হত্যা করেছে গোমখলের নির্যাতন শিকার হয়েছে ওই সাদ্দাম হোসেনের পরিবারকে পুলিশ সুপার হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিয়েছে আমি মনে করি ওই পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না হোক সরাসরি এক সাদ্দাম লোকান্তরে লক্ষ্য সাদ্দাম ঘরে ঘরে বাংলাদেশের ৩০-৪০ হাজার মানুষ মেরে হত্যা করেছিল এই দেশে বিচার হবে না জনতার মাঝে পুলিশের বিচার করা হোক।
সাদ্দামের যদি এক বিন্দু রক্ত থাকে তাহলে এই পুলিশ সুপারকে প্রকাশ্য হত্যা করা হোক তাহলে আমি তার স্ত্রী সন্তানের আত্মার শান্তি পাবে।এই পুলিশ সুপার যতদিন বেঁচে থাকবে ততদিন সাদ্দামের স্ত্রী সন্তান অভিশাপ দিবো সাবধান সাদ্দামকে কারণ তার স্ত্রীর হত্যার বিচার করতে পারে নাই তাই আইন মামলা না করে প্রকাশ্যের নিচের নিজের হাতে বিচার করা হবে আজকের যে সিনারি মনে হয় হাজার 971 সালে যে মা বোনের দর্শন নির্যাতন ও হত্যা যেভাবে হয়েছে ঠিক একই ভাবে গত 17 মাসে ৩০০০০ নেতাকর্মীর উপরে হত্যা করেছে সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বাংলার জনগণ আবার ঐক্যবদ্ধ হও।