July 29, 2026, 6:33 am
শিরোনামঃ
লক্ষ্মীপুরে চাঁদা দাবির জেরে হোটেল কর্মচারীর ওপর হামলার অভিযোগ নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মানবিক সহায়তা করলেন অসহায় বিধবা মিলন রাণী দাসকে সারজিস ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী চলতি বোরো ধান ও চাউল সংগ্রহ নিয়ে চলছে তুঘলকি কান্ড সেনাবাহিনী প্রধানের সঙ্গে নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ টম ক্রুজের পদবি বাদ দিলেন মেয়ে সুরি, মায়ের মধ্যনাম ‘নোয়েল’ এখন তার শেষ নাম তিন মাসে ১ লাখ ৪১ হাজার ৯৮৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ সৎ, ন্যায়নিষ্ঠ, সাহসী ও মানবিক ইউএনও সাবরিনা শারমিন: কর্মদক্ষতায় মানুষের হৃদয়ে অনন্য এক নাম ৯/১১-এর ২৫তম বার্ষিকীর স্মরণানুষ্ঠানে মামদানির অংশগ্রহণ ঠেকাতে পিটিশন, স্বাক্ষর প্রায় ১৭ হাজার
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

জাতিসংঘের নিয়ম লঙ্ঘন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড: গুতেরেসকে ড. মোমেনের জরুরি চিঠি

Reporter Name

নিজস্ব প্রতিবেদক |

বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে আব্দুল মোমেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কাছে একটি জরুরি চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে তিনি বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুদণ্ডাদেশ, বিচারিক প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের প্রতিবেদনের কথিত ‘অপব্যবহার’ এবং দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

চিঠিতে ড. মোমেন অভিযোগ করেন, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্কের দেওয়া পর্যবেক্ষণকে ভিত্তি করে বাংলাদেশে একটি ‘বিতর্কিত’ রায় প্রদান করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এই রায়ের মাধ্যমে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, যা ন্যায়বিচারের পরিবর্তে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’র বহিঃপ্রকাশ।

ড. মোমেন তার চিঠিতে উল্লেখ করেন, ভলকার তুর্ক যে প্রতিবেদন বা পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন, তা জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল (UNHRC) কর্তৃক অনুমোদিত বা পর্যালোচিত ছিল না। তিনি দাবি করেন, জাতিসংঘের কার্যপ্রণালী বিধির (Rules of Procedure) বাইরে গিয়ে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে এবং বাংলাদেশের আদালতে তা এমনভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, যা জাতিসংঘের বিশ্বাসযোগ্যতাকে ক্ষুণ্ন করে।

চিঠিতে বলা হয়, “কোনো অনুমোদন বা তদারকি ছাড়া এ ধরনের একপাক্ষিক পদক্ষেপ বহুপাক্ষিকতাকে দুর্বল করে। বিশেষ করে যখন জীবন-মৃত্যুর সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রতিবেদনের প্রভাব থাকে, তখন যথাযথ প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া জরুরি।”

আগামী ২০ থেকে ২৪ নভেম্বর কমনওয়েলথ মহাসচিবের বাংলাদেশ সফরের কথা উল্লেখ করে ড. মোমেন এটিকে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার সুযোগ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। চিঠিতে তিনি কমনওয়েলথ মহাসচিবের সফরের প্রাক্কালে চারটি সুনির্দিষ্ট দাবি তুলে ধরেন:

১. অবিলম্বে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু করা, যেখানে আওয়ামী লীগসহ সকল রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করতে পারে।
২. রাজনৈতিক দল ও সমাবেশের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেওয়া।
৩. জরুরি অবস্থা বা রাজনৈতিক কারণে আটক নেতাকর্মী ও সাংবাদিকদের মুক্তি।
৪. কমনওয়েলথ স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান অব অ্যাকশন বাস্তবায়ন।

চিঠির শেষাংশে ড. মোমেন সতর্ক করে বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে এক গভীর সংকটের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে। এই সংকট নিরসনে এবং জীবন বাঁচাতে তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের দ্রুত ও ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপ কামনা করেন। চিঠিটির অনুলিপি লন্ডনে কমনওয়েলথ সচিবালয়েও পাঠানো হয়েছে।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST