October 19, 2026, 2:15 am
শিরোনামঃ
রাজউক জোন-৫/১ এর অথরাইজড অফিসার সাইদা ইসলামের বিরুদ্ধে ‘প্ল্যান বাণিজ্য’, প্রতীকী মোবাইল কোর্ট ও ঘুষ দাবির অভিযোগ মাদক, জুয়া এবং অন্যান্য সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে : ওয়াহাব আকন্দ এমপি পাটগুদাম ব্রিজ বাসস্ট্যান্ড পরিদর্শনে মসিক প্রশাসক প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক সেনাবাহিনীর ০৭টি ইউনিটকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড (জাতীয় পতাকা) প্রদান অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কমলাপুরে ৩০০ অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার সারাদেশে শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে : আইজিপি ২০ লাখ টাকার বালু ৫ লাখে নিলাম”চকরিয়ার খুটাখালী তে জব্দ বালুর নিলাম নিয়ে বিতর্ক শাহজাদপুর উপজেলা ৯২ টি দুর্গাপূজার মন্ডপে আনসার মোতায়ন শাহজাদপুরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও পূজা উদযাপন কমিটির মতবিনিময় সভা
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

তিস্তা ব্যারেজ রং করতে সাড়ে তিন কোটি টাকা’র অনিয়ম

Reporter Name

রমজান আলী, স্টাফ রিপোর্টার- উত্তরাঞ্চলঃ

দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প উত্তরাঞ্চলের তিস্তা ব্যারেজ সংস্কারের নামে কয়েক কোটি টাকার অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তিস্তা ব্যারেজের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য রঙের কাজে রংবাজি করা হয়েছে ৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকা ব্যয় দেখিয়ে!

অনুসন্ধানে দেখা যায়, তিস্তা ব্যারেজে সৌন্দর্য বৃদ্ধির কাজে দায়সারাভাবে রং করাসহ নানা অনিয়ম বেরিয়ে আসে। ব্যারাজের রেলিং ও ৫২টি জলকপাট পরিষ্কার ও রং করার জন্য ক্যাট প্রকল্পের ৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।

কাগজে কলমে দরপত্রের মাধ্যমে কাজটি পেয়েছেন রংপুরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ইউনাইটেড ব্রাদার্স। ধূলাবালি আর জং তুলতে ঘষাঘষি করা হয় ব্রাশ, ছেনি-বাটালের মতো দেশীয় সরঞ্জাম দিয়ে। যদিও দরপত্রে এই কাজে অত্যাধুনিক কমপ্রেশার মেশিন ব্যবহারের শর্ত আছে কার্যাদেশে। পানিতে তলিয়ে থাকা লোহা ও ইস্পাতের গেটসহ ব্যারেজের মূল অংশ রয়ে গেছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডালিয়া পাউবোর এক কর্মচারী জানান, “নির্দেশনা না মেনে হাত দিয়েই রং করা হয়েছে। এতে ৩০ লাখ টাকাও ব্যয় হয়নি।”

দরপত্র অনুযায়ী যোগাযোগ করা হলে মেসার্স ইউনাইটেড ব্রাদার্স ঠিকাদার জাফর আলম বলেন, “আমার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজটি কে করছেন আমি কিছুই জানি না।”

কাজের দেখভালের দায়িত্বে থাকা উপসহকারী প্রকৌশলী বিলাস চন্দ্র হাত দিয়ে রং করার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, “ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা যেভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন সেভাবেই কাজ বুঝে নিয়েছি। রঙের কাজে আধুনিক যন্ত্র কেন ব্যবহার হয়নি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আপনি নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলুন।”

এ বিষয়ে ডালিয়া যান্ত্রিক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রুবাইয়াত ইমতিয়াজের সাথে কথা বলা হয়। তিনি শারিরিকভাবে অসুস্থ জানিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বারবার। তিস্তা ব্যারেজের রং এর বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি পরে কাগজপত্র দেখে জানাবেন বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান।

বর্ষার ভরা মৌসুমে তিস্তা ব্যারেজের রং ও সংস্কারের নামে ক্যাট প্রকল্পের ৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকা ব্যয় নিয়ে যে ঠিকাদারের লাইসেন্সে ব্যারেজের সৌন্দর্য বর্ধন বাড়ানোর জন্য রংয়ের কাজ করা হয় সেই ঠিকাদার কিছুই জানে না।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST