June 6, 2026, 1:42 am
শিরোনামঃ
যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই : ডিসি ময়মনসিংহ মানবতার মুক্তি সাধনায় সর্বজনীন মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ঈদ পরবর্তী সভায় ইনসানিয়াত বিপ্লবের চেয়ারম্যান আল্লামা ইমাম হায়াত সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে হামলা মামলা ও রাজনৈতিক চাপ: কেন প্রশাসনিক বাঁধা? ময়মনসিংহে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ডিবির পুলিশের বিশেষ টহল নেত্রকোনায় পাওনা টাকার দ্বন্দ্বে এক ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কু’পিয়ে হ’ত্যা কালিয়াকৈরে ৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকায় চার গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন কেন্দুয়ায় পৌর শহরে “চার বোন” ও তার “মা” জীবন হুমকির আতংকে, নিরাপত্তা চায় ফিটনেসবিহীন ও লাইসেন্সবিহীন যানবাহনে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা, মোটা অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার আসহাব উদ্দিন চৌধুরী’র মায়ের জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন ২.০ সফল করতে শাহজা লাল বিমানবন্দর দখলে রাখার ঘোষণা গেরিলা বাহিনীর. আয়মান হোসেন অপু”
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

দুর্নীতির বরপুত্র রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান যন্ত্রপ্রকৌশলী এক অর্থ বছরের লোপাট এপিপির ৩৬ কোটি টাকা

Reporter Name

গোলাম ছরওয়ার, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সিএমই দপ্তরে এক অর্থ বছরে এ পিপির ৩৬ কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ উঠেছে দপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী (যন্ত্র) তাপস কুমার দাশ ও রেলওযে পূর্বাঞ্চলের সদ্য অবসরে যাওয়া মহাব্যবস্থা পক (জিএম) জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে এই অভিযো গ তুলেন সংশ্লিষ্ট ঠিকাদাররা। ঠিকাদাররা অভিযোগ করেন, গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে এপিপির আওতায় ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ পায় রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের যন্ত্র প্রকৌশল দপ্তর। বরাদ্দের ১৪ কোটি টাকার যন্ত্রাংশ রেলওয়ে সরঞ্জাম ক্রয় দপ্তরের মাধ্যমে ক্রয় করা হলেও বাকি ৩৬ কেটি টাকার কেনাকাটার কোন হদিস নেই।

সূত্র মতে, এই ৩৬ কোটি টাকার কেনাকাটায় রয়েছে শুভঙ্করের ফাঁকি। বিভিন্ন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠনের নামে এসব কেনাকাটার অস্তিত্ব শুধুমাত্র হিসাব দপ্তরের কাগজে-কলমেই রয়েছে, বাস্তবে নেই। যা কাজীর গরু হিসাবে আছে গোয়ালে নেই এর মতো। যার সত্যতা মিলেছে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের হিসাব দপ্তরের তথ্যেও। দপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, সিএমই দপ্তরের এপিপির ৩৬ কোটি টাকার বিল হিসাব শাখা থেকে তোলা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে বিশদ বিবরণী দেওয়া সম্ভব নয়। এটা অনেক সময়সাপেক্ষ ব্যাপার।

খরচ (ঘুষ) দিলে চেষ্টা করে দেখতে পারি এ জন্যতিনি ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন।দপ্তরের আরেক কর্ম কর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,এ ধরণের অনি য়ম সাধারণত একজনের পক্ষে সম্ভব হয় না। এই অনি য়ম ঠিকাদার,এপিপি বাস্তবায়ন কমিটি ও সর্বোপরি সং শ্লিষ্ঠ দপ্তরের কর্মকর্তারা জড়িত রয়েছেন।সূত্রের দাবি, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সাবেক জিএম জাহাঙ্গীর আলম ও প্রধান যন্ত্র প্রকৌশলী তাপস কুমার দাস অত্যন্ত কুট কৌশলে কাগজে-কলমে হিসাব দেখিয়ে এপিপির আ ওতায় বরাদ্দকৃত এই ৩৬ কোটি টাকা লোপাট করেছে ন। শুধূ এই ৩৬ কোটি টাকা নয়,রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান যন্ত্র প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে আরও নানা অনিয়মের অভিযোহ তুলেছেন ঠিকাদাররা।

ঠিকাদারদের অভিযোগ, প্রধান যন্ত্র প্রকৌশলী তাপস কুমার দাস কেনাকাটার যে কোন ফাইল মোটা অংকের কমিশন ছাড়া ছাড়ে না। ফাইলের প্রকারভেদে ৫ থেকে ১০ পারসেন কমিশন আদায় করেই ফাইলে স্বাক্ষর করেন তিনি।অন্যথায় ফাইল আটকে রেখে সময়ক্ষেপ ণ করে হযরানি করেন। তার অধীনে চট্টগ্রামের পাহাড় তলীতে রেলওয়ে ক্যারেজে উন্নতমানের যন্ত্রাংশ তৈরি ও মেরামতের কারখানা থাকলেও অত্যন্ত কুটকৌশলে তিনি তা না করে সব যন্ত্রাংশ খোলা মার্কেট থেকে ক্রয় করে সরকারের কোটি কোটি টাকা নয়ছয় করেন।আর এসব অনিয়ম ও দূর্নীতির বিষয় গোপন রাখতে নিরাপ ত্তার অজুহাতে কোন সাংবাদিককে ক্যারেজে প্রবেশ করতে দেন না। অথচ ঠিকাদার-সাপ্লাইয়ারের পরিচয়ে ক্যারেজে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ নির্বিঘ্নে প্রবেশ করে। শুধু তাই নয়,

সাংবাদিকদের এড়িয়ে চলতে তিনি ঠিকমতো অফিসও করেন না। প্রায় সময় তিনি অবস্থান করেন ঢাকায়। সপ্তাহে দুই-একদিন অফিস করলেও বসেন বিকেলে এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে প্রধান যন্ত্র প্রকৌশলী তাপস কুমার দাস বলেন, ঠিকাদারদের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যে। আমি কোন অনিয়ম-দুর্নীতির সাথে জড়িত নই।

কাজ দিয়ে আমি সন্তুষ্ট করতে পারিনি বলেই ঠিকাদার রা এমন অভিযোগ করছে। এপিপির ৩৬ কোটি টাকার অনিয়মের বিষয়ে কানতে চাইলে তিনি বলেন,এবিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই। কারণ এপিপি আমি করি না ক্যারেজের ভেতরে প্রকৌশলী যারা বসেন তারাই এপি পি করেন। আপনি তাদের সাথে কথা বলেন।

কিন্তু ক্যারেজে গেলে সেখানে দায়িত্বে থাকা রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষি দ্ধ বলে জানিয়ে দেন। এ বিষয়ে জানতে সদ্য অবসরে যাওয়া রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক জাহাঙ্গীর আলমের সাথে অনেক চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST