সুলতানা রাজিয়া সান্ধ্য কবিঃদৈনিক মুক্তিযুদ্ধ ৭১ সংবাদ পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার।
দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে ২০২২-২০২৩ অর্থ বছ রের গ্রামীন অবকাঠামো -টিআর,কাবিটা,কাবি খা, এর আওয়াধীন- এর উন্নয়ন মূলক কাজগুলো।১৪ই জানুয়ারি সকালটা একটু হেঁটে হেঁটে দেখার ইচ্ছা হল আকাশ কুয়াশচ্ছন্ন, প্রচন্ড শীত এই কুয়াশায় কাজ করতে যাচ্ছে।
দিন- মুজুররা জিজ্ঞাসা করলাম কোথায় যাচ্ছেন?
ওরা বলল রাস্তা সংস্কার হচ্ছে সেখানে কাজ করতে যাচ্ছি আমিও পিছে পিছে গেলাম দেখার জন্য–
কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়নে একটি অন্যরকম অবস্থা বিরাজ করছে।
১) ফকিরমহম্মদ জামে মসজিদ-এর ২১ শতাংশ কবর স্থান ১০ফুট উচু করে বেঁধে দেয়া হয়েছে
ইতিপুর্বে ৫০ বছরেও এ মসজিদের এমন কাজ হয়নি বন্যার সময় ওয়াক্ত নামাজে মুসুল্লীগণ নামাজ পড়তে পারেনা এবারের জন্য মুসুল্লিগণকে অনেক খুশি দেখা যায়।
২) বুড়াবুড়ী ইউনিয়নের বহু পুরনো একটি বহুল পরিচিত সাতদরগা ব্রিজ হতে মোঃ বানচার সরদা ররের বাড়ির সামন পর্যন্ত ৫০০ মিঃ রাস্তা সংস্কার,
৩) কামারপাড়া ব্রিজ থেকে জনতা হাটের ডাঃ আশুতোষ – চন্দ্রের বাড়ির সামন পর্যন্ত ৫০০ মিঃ রাস্তা সংস্কার,৪) ৩নং ফকিরমহম্মদ মওলানা হাকিম মিয়ার বাড়ির সামন থেকে সুলতান নাইয়া-মোঃ নসদ্দি নাইয়ার বাড়ির সামন পর্যন্ত ৫০০মিঃ রাস্তা সংস্কার,
অনেকের মুখে শুনে আবারও ইচ্ছা হল তাই মটর সাইকেলে রওনা হলাম-একেবারে পাড়াগাঁ চোখে পড়বার মত নয় জঙ্গল ঘেরা বাঁশঝারের ভিতরে একটি মসজিদ সেখানে কয়েকজন পুরুষ মহিলা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছে জিজ্ঞাসা করলাম আমি তো এখানে কখনও আসিনি আপনারা সত্য করে বলুন তো প্লিজ!কবর স্থান কারা বেঁধে দিলেন?
তাদের মধ্যে প্রথমেই মোছাঃ বিউটি বেগম,
মোছাঃ মুন্নি বেগম,মোঃ ছকমল আলী বলেন,
২৭কুড়িগ্রাম -৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক এম এ মতিন এমপি মহোদ্বয়ের আওয়াতাধীনে উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলছে বিভিন্ন জায়গায়।তাই তাদের লোকজনই আমাদের কবর স্থান বেঁধে দিতেছেন।আমাদের বাঁশঝারের আড়ালে মসজিদ ও কবর স্থান কেউ চোখে দেখে না এবার তিনি লোক দিয়ে খুঁজে বের করে আমাদের কবর স্থান বেঁধে দিলেন।মসজিদের পরিবেশ লক্ষ করলাম প্রায় ৬০ শতাংশ,তবে স্থানীয়রা বলেন,৩০শতাংশ কবরস্থান বেঁধে দেয়া হয়েছে।
স্থানীয়রা আরো বলেন,আজীবন এমন করে কবর স্থান, রাস্তা সংস্কারের কাজ দেখিনি আমরা অত্যান্ত খুশী।৫০ বছরের ভাঙ্গাচোরা রাস্তা সংস্কারের কাজ চলিতেছে একটি জাতীয় শুদ্ধ সংস্কারের কাজ চলিতেছে।দেখে যেন মনে হয় তাদের মনে চেতনায় প্রদ্বীপ জ্বালিয়ে দিয়েছে।