June 4, 2026, 5:30 am
শিরোনামঃ
নেত্রকোনায় পাওনা টাকার দ্বন্দ্বে এক ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কু’পিয়ে হ’ত্যা কালিয়াকৈরে ৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকায় চার গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন কেন্দুয়ায় পৌর শহরে “চার বোন” ও তার “মা” জীবন হুমকির আতংকে, নিরাপত্তা চায় ফিটনেসবিহীন ও লাইসেন্সবিহীন যানবাহনে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা, মোটা অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার আসহাব উদ্দিন চৌধুরী’র মায়ের জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন ২.০ সফল করতে শাহজা লাল বিমানবন্দর দখলে রাখার ঘোষণা গেরিলা বাহিনীর. আয়মান হোসেন অপু” দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা ঈদের জামাত ও ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তায় ডিএমপি বহুমাত্রিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে: ডিএমপি কমিশনার ময়মনসিংহ জেলায় কর্মরত আউটসোর্সিং সদস্যদের মাঝে পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষে ঈদ উপহার পুনাকের সামগ্রী বিতরণ “ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার কর্তৃক বিভিন্ন থানা ও মহাসড়ক পরিদর্শন
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

নেত্রকোণা সদর থানায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকে অমানবিক নির্যাতন: চোখ বাঁধা অবস্থায় ঝুলিয়ে রেখে স্ত্রীকে ডেকে দেখানোর অভিযোগ

Reporter Name

নেত্রকোণা প্রতিনিধি:

নেত্রকোণা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি আপেল মাহমুদকে অবৈধভাবে গ্রেফতারের পর নেত্রকোণা সদর থানায় রিমান্ডে নিয়ে অমানবিক নির্যাতন করার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের ভয়াবহতা এখানেই শেষ নয়; নির্যাতনে জড়িত পুলিশ সদস্যরা আপেল মাহমুদের স্ত্রীকে বারবার ফোন করে ডেকে নিয়ে সেই বর্বর দৃশ্য দেখতে বাধ্য করেছেন বলেও দাবি করেছেন তার পরিবার।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আপেল মাহমুদকে গ্রেফতারের পর তাকে নেত্রকোণা সদর থানায় রিমান্ডে নেওয়া হয়। সেখানে তার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়।

স্ত্রীর জবানবন্দি: খেয়া পার হয়ে দেখলাম স্বামী ঝুলছে

আপেল মাহমুদের স্ত্রী সাংবাদিকদের কাছে তার ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, স্বামীকে গ্রেফতারের পর থেকেই তাকে বারবার থানায় ডেকে পাঠানো হচ্ছিল। কেন তাকে ডাকা হচ্ছে, প্রথমে তা তিনি বুঝতে পারেননি।

আপেল মাহমুদের স্ত্রী বলেন, “আমি বাধ্য হয়ে শিশু বাচ্চাকে সঙ্গে নিয়ে খেয়া পার হয়ে কোনোমতে থানায় পৌঁছাই। কিন্তু থানায় গিয়ে যে দৃশ্য দেখলাম, তা কোনোদিন ভুলতে পারব না।”

তিনি অভিযোগ করেন, থানায় প্রবেশ করে তিনি দেখতে পান— তার স্বামী আপেল মাহমুদকে চোখ বাঁধা অবস্থায় শূন্যে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। সেখানে কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাকে নির্মমভাবে নির্যাতন করছে। এই অমানবিক দৃশ্য শিশু সন্তানসহ তাকে দেখতে বাধ্য করা হয়।

স্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, “রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কাউকে অবৈধভাবে গ্রেফতার করা হতে পারে, কিন্তু এভাবে একজন মানুষকে নির্যাতনের পর তার স্ত্রী-সন্তানকে ডেকে এনে সেই দৃশ্য দেখানোর অধিকার কোনো পুলিশ সদস্যের থাকতে পারে না। এটি চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন।”

অভিযুক্ত এসআই এর পরিচয় প্রকাশ

আপেল মাহমুদের স্ত্রীর দাবি অনুযায়ী, এই বর্বর নির্যাতনের ঘটনায় নেত্রকোণা সদর থানার এসআই (সাব-ইন্সপেক্টর) মোঃ ফজলুল করিম সরাসরি জড়িত ছিলেন। তিনি অভিযুক্ত কর্মকর্তার ব্যাচ নম্বরও প্রকাশ করেছেন: বিপি- ৮৮০৬১১২৪৫২।

নির্যাতনের কারণে আপেল মাহমুদের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে পরিবার। তার স্ত্রী অবিলম্বে অভিযুক্ত এসআই ফজলুল করিমের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা ও আইনগত কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এছাড়া আপেল মাহমুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর আবেদন জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে নেত্রকোণা সদর থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কোনো মন্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি।

#JusticeForApelMahmud
#PoliceBrutality
#CustodialTorture
#HumanRightsViolation
#NetrokonaPolice



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST