April 21, 2026, 1:35 pm
শিরোনামঃ
ঢাকার ৭ পাম্পে ‘ফুয়েল পাস’ বাধ্যতামূলক শান্তিপূর্ণ পরীক্ষা নিশ্চিত করতে ডিএমপির কড়া বিধিনিষেধ, যা যা জানা প্রয়োজন তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৬০ জন গ্রেফতার সম্মিলিত প্রচেষ্টাই পারে পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তিকে আরও শক্তিশালী করতে : আইজিপি অনলাইনে আয়ের প্রলোভনে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলাধীন টুপামারী জিয়া পুকুর পাড়ে দর্শনার্থীদের ভিড় ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ, ফেব্রুয়ারি-২০২৬ সংক্রান্তে ব্রিফিং অনুষ্ঠিত বাকৃবিতে ছাত্রদল নেতাকে মারধরের অভিযোগ জামালপুরে মেলান্দহে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ মন্জুরুল কবির মঞ্জ সিএনজি স্ট্যান্ডে চাঁদা নিয়ে দ্বন্দ্ব, ময়মনসিংহে শ্রমিক দলের দু’পক্ষের সংঘর্ষ
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফেরাতে ৫ দফা দিলেন শেখ হাসিনা

Reporter Name

স্টাফ রিপোর্টা:
——
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে ভাষণ দিয়েছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। ভারতের নয়া দিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবে (এফসিসি) আয়োজিত ‘সেভ ডেমোক্রেসি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে অডিও বার্তার মাধ্যমে তিনি এই বক্তব্য প্রদান করেন।

শেখ হাসিনা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘অবৈধ, সহিংস’ প্রশাসনের প্রধান হিসেবে অভিযুক্ত করেন। বক্তব্যে তিনি ড. ইউনূসকে ‘দখলদার’, ‘অর্থ পাচারকারী’ এবং ‘ক্ষমতালোভী বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে বারবার উল্লেখ করেন। শেখ হাসিনা বলেন, “বাংলাদেশ আজ ধ্বংসের কিনারে দাঁড়িয়ে আছে।”

তিনি অভিযোগ করেন যে, দেশ বর্তমানে “একটি বিশাল কারাগার, একটি বধ্যভূমি এবং মৃত্যু উপত্যকায়” পরিণত হয়েছে। মানবাধিকার পদদলিত হচ্ছে, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বিলুপ্ত হয়েছে এবং নারী ও সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

গত ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানকে একটি “সতর্কভাবে সাজানো ষড়যন্ত্র” হিসেবে বর্ণনা করে শেখ হাসিনা বলেন, সেই দিন থেকেই বাংলাদেশে গণতন্ত্র নির্বাসনে গিয়েছে। তার মতে, বর্তমানে দেশে আইনশৃঙ্খলার কোনো অস্তিত্ব নেই এবং মব ভায়োলেন্স, লুটতরাজ ও চাঁদাবাজিতে রাজধানী থেকে গ্রাম পর্যন্ত জিম্মি হয়ে পড়েছে। এর পেছনে তিনি উগ্রবাদী গোষ্ঠী ও বিদেশি স্বার্থকে দায়ী করেন।

শেখ হাসিনা দাবি করেন, ড. ইউনূস জাতীয় সম্পদ ও কৌশলগত স্বার্থ বিদেশি শক্তির হাতে তুলে দিয়ে বাংলাদেশকে একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। তিনি বলেন, “জাতিকে প্রতারিত করে খুনি ফ্যাসিস্ট ইউনূস আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন।”

বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে পাঁচটি প্রধান দাবি তুলে ধরেন: ১. মুক্ত ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে ‘অবৈধ ইউনূস প্রশাসন’কে অপসারণ করা। ২. দৈনন্দিন সহিংসতা বন্ধ করে জননিরাপত্তা পুনরুদ্ধার করা। ৩. ধর্মীয় সংখ্যালঘু, নারী ও অসহায় জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় দৃঢ় নিশ্চয়তা প্রদান করা। ৪. সাংবাদিক ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা বন্ধ এবং বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা ফিরিয়ে আনা। ৫. গত এক বছরের ঘটনাবলী তদন্তে জাতিসংঘকে একটি “নতুন ও নিরপেক্ষ তদন্ত” পরিচালনার করতে হবে।

সবশেষে তিনি আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ‘একমাত্র বৈধ অভিভাবক’ হিসেবে দাবি করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তিকে সংবিধান পুনরুদ্ধারে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

ভাষণের এক পর্যায়ে ইউনূসকে যে কোনো আসনে তার বিরুদ্ধে লড়াই করার চ্যালেঞ্জও জানান বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST