November 6, 2026, 10:00 pm
শিরোনামঃ
৭ বছরের চাকরিতেই অঢেল সম্পদের মালিক গণপুর্তের রেজাউল করিম পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে বাসে তুলে ক্যাম্পাসে নিয়ে গেলেন কুবি শিক্ষার্থীরা বিমানবন্দরসমূহের নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নের সভা মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন—বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কষ্ট কি আপনার হৃদয় স্পর্শ করে না? মাদক ব্যবসায় প্রতিবাদ করার দোকানপাটে হামলা ভাঙচুর, লুটপাট ও বেশ কয়েকজন আহত ​টেকনাফের উপকূলীয় জনপদ: সাগরের ঢেউ আর পাহাড়ের ত্রাসের সঙ্গে নিত্যদিনের লড়াই টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডাকাতের গুলিতে সেনা সদস্য আহত, পাহাড়ে যৌথ অভিযান শুরু টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডাকাতের গুলিতে সেনা সদস্য আহত, পাহাড়ে যৌথ অভিযান শুরু ওএমএস কালোবাজারির হোতা : সাভার উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা ময়মনসিংহে সাংবাদিকের অভিযোগ, ১০ মাসেও দেখেনি আলোর মুখ!
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

বিমানবন্দর ইমিগ্রেশনে কর্মরত মান্নান এর আমলনামা ফাঁস

Reporter Name

প্রথম বাংলা : বিমানবন্দর ইমিগ্রেশন শাখায় কর্মরত সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) রাশেদুজ্জামান মান্নান নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সাধারণ চাকুরিজীবী হয়েও তিনি এখন শত কোটি টাকার মালিক বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্বের অপব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ উপার্জনের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করেছেন তিনি। টাঙ্গাইলের কালিহাতি থানা এলেঙ্গা পৌরসভায় অভিজাত এলাকায় সাহাপাড়া, এলেঙ্গা হাই স্কুল সংলগ্ন পূর্ব পাশে, এলেঙ্গা বাজার সংলগ্ন মসজিদের সামনে, বাসি রাস্তা সংলগ্ন মুরগী হাটের ডানপাশে, পাশি গ্রামে এক প্লটে তিনশত শতাংশ, এলেঙ্গা ব্রীজের পশ্চিম পাশে প্লট, এলেঙ্গা ব্রীজ থেকে দুইশত গজ সামনে হাতের বাম পাশে চকের মাঝখানে জমিসহ একাধিক বাড়ি, প্লট, জমিসহ ও বিপুল ব্যাংক আমানতের মালিকানা ইতোমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,মান্নানের পিতা জিন্নাত আলী পেশায় মা টি টানার কাজ করতেন। বিগত সরকারের দলীয় সুবিধা নিয়ে মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট নিজের করে নেয়। বোন রাশেদা গৃহিণী বোন জামাই আবদুল জলিল এলেঙ্গা বিরতি রিসোর্টের ঝাড়ুদার। ওদের নামে বেনামে মান্নান পুলিশের অর্থ সম্পদ সহ ব্যাংক একাউন্টে অর্থ জমা আছে বলে জানা গেছে। বাসি মৌজায় জমির পরিমাণ তিনশত শতাংশ যাহার মূল্য শতাংশ দুই লক্ষ টাকা করে আনুমানিক ছয়শত কোটি টাকা। এলেঙ্গা মৌজায় পাঁচচল্লিশ শতাংশ জমি যাহার মূল্য প্রতি শতাংশ দেড় লাখ টাকা করে ছয়শত পচাত্তর কোটি টাকা। এছাড়াও গাড়ি, একাধিক স্থানে বাড়ী, ফ্লাট, জমি নামে বেনামে রয়েছে বলে সূত্রে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায় সর্বমূল্য বারশত পচাত্তর কোটি টাকার সম্পদের খোঁজ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, স্বল্প বেতনের সরকারি কর্মকর্তা হয়েও তার বিলাসবহুল জীবনযাপন সবার চোখে পড়ে। নানা সময় দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ বিদেশেও পাচার করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এই ঘটনায় পুলিশ বাহিনীর সুনাম ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল। শিগরই দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে তদন্তে নামার দাবি জানিয়েছে সচেতন মহল। মান্নানের এতো সম্পদ প্রশ্ন এখন সর্বত্র ঘুরপাক খাচ্ছে।

এ বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে মান্নান বলেন, আমার বার লক্ষ টাকার সম্পদ নেই। আপনি আমার সাথে দেখা করেন। সাইনবোর্ড যা দেখেছেন আমার নামে হতে পারে কিন্তু আমার না। মান্নান পুলিশের ছবি এবং তার জমি বিক্রয়ের সাইনবোর্ড সংগ্রহীত। সরেজমিনে মান্নানের ক্রয়কৃত জমির ভিডিও চিত্র ও সংশ্লিষ্ট এলাকার জমি বিক্রেতা স্থানীয়দের সাক্ষাৎকার সংরক্ষণ করা হয়েছে।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST