বেগমগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রী অফিসে স্বঘোষিত দূর্নীতিবাজ, পিএস বাবুর অবৈধ অর্থ বানিজ্য
Reporter Name
Update Time :
Sunday, August 16, 2026
/
133 Time View
/
Share
নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালী জেলা বৃহত্তর জন অধ্যুষিত বানিজ্যকেন্দ্র বেগমগঞ্জ উপজেলা, প্রতিনিয়ত শতাধিক দলিল এই রেজিস্ট্রিী অফিসে রেজিস্ট্রিী হয় দাতা গ্রহীতারা বিভিন্ন ভাবে প্রতারিত হয়ে আসছে যেমন, সকারি ফিস কত কেউ জানে না।
একটি সংঘবদ্ধ চক্র কতিপয় ব্যক্তিনিকট দলিল লিখতে নয়ে যায় এবং ভিন্ন কায়দায় প্রতারিত করা হয়। এর মধ্যে সাব-রেজিস্ট্রারদের গোপন ফিস, অফিস খরচ, কেরানীর ফিস সহ মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। কতিপয় দলিল চক্র এসব অবৈধ অর্থের সিংহভাগ সাব-রেজিস্ট্রারের পাশে দাড়িয়ে থাকা মোরশেদ আলম বাবুর এসবের সাথে যোগসাজস রয়েছে, দালাল কয়েকজন সদস্যগন।
দীর্ঘ এক যুগের ও বেশী সাব-রেজিস্ট্রারদের পাশে থেকে মোরশেদ আলম বাবু নানা অপকর্ম করে যাচ্ছে। অফিসের খাতায় তার নাম লিপিবদ্ধ নেই। অথচ সাব-রেজিস্ট্রারের পিএস দাবি করে দেদারসে ঘুষ বাণিজ্য করে আসছে। জানা গেছে সাবেক কেরানী কামাল উদ্দিনকে ধর্মবাবা ডেকে এ অফিসে অলিখিত নাইট গার্ডের চাকরি নেয়। সে থেকে বিভিন্ন কৌশলে কেরানী কামাল উদ্দিনের সহযোগীতায় যখন যে সাব-রেজিস্ট্রার এ অফিসে যোগদান করেন, তাদের পা-চাটা হয়ে, অপকর্ম চালিয়ে আসছে। ঘুষ বানিজ্যের নমুনা মোটা অংকে
মূল্যের দলিল রেজিস্ট্রীহলে তাকে মোটা
হারে টাকা তাকে দিতে হয়। বাবু কতিপয় লেখকের মাধ্যমে প্রতি দলিলে কয়েক হাজার টাকা এবং সাব-রেজিস্টারের জন্য ঘুষ আদায় বানিজ্যের ৩০% তার পকেটস্থ হয়। অপরদিকে কোন একটি দাগের অর্ধেক পৌর সভায়, অর্ধেক ইউনিয়নে মাঠ জরিপে লিপিবদ্ধ হলেও দাতা অফিসে রেজিস্ট্রী করতে আসলে সরকারি কর ফাঁকি দিয়ে পৌরসভার অংশের জমিনকে ইউনিয়ন অংশ দেখিয়ে কত মোরশেদ আলম বাবু সাব-রেজিস্ট্রারদের একান্ত আপনজন হয়ে, দূর্নীতি ও অপকর্ম উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের খতিয়ে দেখার জন্য ভুক্তভোগীরা দাবি করেন