July 29, 2026, 3:46 am
শিরোনামঃ
লক্ষ্মীপুরে চাঁদা দাবির জেরে হোটেল কর্মচারীর ওপর হামলার অভিযোগ নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মানবিক সহায়তা করলেন অসহায় বিধবা মিলন রাণী দাসকে সারজিস ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী চলতি বোরো ধান ও চাউল সংগ্রহ নিয়ে চলছে তুঘলকি কান্ড সেনাবাহিনী প্রধানের সঙ্গে নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ টম ক্রুজের পদবি বাদ দিলেন মেয়ে সুরি, মায়ের মধ্যনাম ‘নোয়েল’ এখন তার শেষ নাম তিন মাসে ১ লাখ ৪১ হাজার ৯৮৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ সৎ, ন্যায়নিষ্ঠ, সাহসী ও মানবিক ইউএনও সাবরিনা শারমিন: কর্মদক্ষতায় মানুষের হৃদয়ে অনন্য এক নাম ৯/১১-এর ২৫তম বার্ষিকীর স্মরণানুষ্ঠানে মামদানির অংশগ্রহণ ঠেকাতে পিটিশন, স্বাক্ষর প্রায় ১৭ হাজার
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

বেতাগীতে বেড়েছে চোখ ওঠা, বাজারে ড্রপের সংকট

Reporter Name

বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি

বরগুনার বেতাগীতে হঠাৎ করে বেড়ে গেছে চোখ ওঠা (কনজাংটিভাইটিস) রোগের প্রকোপ ও রোগীর সংখ্যা। দিন দিন প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারেও সহজে মিলছেনা চোখের ড্রপ। দেখা দিয়েছে সংকট।প্রতিবছর গ্রীষ্মে এ ভাইরাসজনিত ছোঁয়াচে রোগের দেখা মিললেও এবার শরতে বেড়েছে এর প্রকোপ। শিশু, বয়স্কসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষের মধ্যে এ রোগে প্রতিদিন গড়ে ১৫-২০ জন চোখের প্রদাহ রোগের চিকিৎসা নিতে আসছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।

কিন্তু এই হাসপাতালে চোখের চিকিৎসক বা কনসালট্যান্ট না থাকায় বিপাকে পড়ছেন রোগীরা। অনেকেই ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই বাইরের ফার্মেসি থেকে ড্রপ কিনে ব্যবহার করছেন চোখে।চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, চোখ ওঠাকে কনজাংটিভাইটিস বা রেড/পিংক আই বলে। রোগটি মূলত ছোঁয়াচে ও ভাইরাসের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। কারও কারও চোখ ওঠা হয়তো তিনদিনে ভালো হয়ে যায়। আবার অনেকের তিন সপ্তাহও লাগতে পারে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত কয়েক দিন ধরে চোখে চুলকানি, লাল হওয়া ও পানি পড়ার লক্ষণ নিয়ে রোগীরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসছেন। কিন্তু হাসপাতালে চোখের চিকিৎসক না পেয়ে অনেকেই ক্ষুব্ধ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। অনেকেই প্রাইভেট ক্লিনিকেও চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন। চোখের প্রদাহ রোগে আক্রান্ত উত্তম শীল নামের এক সেল্যুন ব্যবসায়ী বলেন, আমার চোখ লাল হয়ে আছে, সঙ্গে চুলকানি। সকালে দুই চোখ আটকে থাকে, পানি দিয়ে অনেকক্ষণ পরিষ্কার করে চোখ খুলতে হয়। রোগটি ছোঁয়াচে বলে কাস্টমারও চুল কাটাতে আসছে না।

চোখের প্রদাহ রোগে আক্রান্ত সাইদুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে চোখের কোনো ডাক্তার নেই। চোখের এ সমস্যা নিয়ে সরকারি হাসপাতালের টিকিট কাউন্টারে গেলে সেখান থেকে পাঠানো হয় অন্য বিষয় চিকিৎসকদের কাছে। মানুষ বাইরের চিকিৎসকদের কাছে পরমর্শ নিয়ে দোকান থেকে ড্রপ কিনে ব্যবহার করছে। কিন্ত সরবরাহ কম থাকায় এতেও রয়েছে সংকট। ’

বেতাগী পৌর শহরের তাজ ফার্মা এন্ড সার্জিকালের প্রোপাইটার মো: হুমায়ূন কবির জানান, হঠাৎ করে চোখ ওঠা রোগ বেড়ে যাওয়ায় চোখের ড্রপ ক্রয়ে মানুষের চাহিদা বেড়েছে। কিন্ত চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় সংকট দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে বেতাগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা আবু বকর বলেন, সারা দেশেই এ রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছে। এ সময়টাতে একটু সচেতন থাকলে ভয়ের কিছু নেই। তবে আক্রান্ত হলে বাড়িতেই থাকতে হবে। বিশেষ প্রয়োজনে বাইরে গেলে চোখে কালো চশমা ব্যবহার করতে হবে।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST