June 13, 2026, 3:16 pm
শিরোনামঃ
গৌরীপুরে খাল পুনঃখনন ও টিআর প্রকল্প পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হলেন মোতাহার হোসেন লোকজ সাংস্কৃতিক রাজধানী এই প্রতিপাদ্যে কেন্দুয়া ‘লোকজ সাহিত্য আসর’ উদ্বোধন মাতামুহুরী উপজেলায় ডাকাতি ও ধর্ষণ গ্রেপ্তার ৬ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির চর্চার মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ করে তুলতে হবে : ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার খাগড়াছড়িতে আ.লীগ-ছাত্রলীগের হামলায় বিএনপির ৬ নেতাকর্মী আহত টেকসই উন্নয়ন ও পরিকল্পনা প্রণয়নে সঠিক তথ্য-উপাত্তের বিকল্প নেই: বিভাগীয় কমিশনার দেশে বছরে ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হয়: খাদ্যমন্ত্রী ভুয়া তথ্যের জালে সমাজ, সচেতনতায় হতে পারে মুক্তি জী এমন মাহাফুজুর রহমানের নেতৃত্বে লোহাগাড়া উপজেলা ( ইউএনও)র সাথে সাক্ষাৎ
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

বেতাগীতে বেড়েছে চোখ ওঠা, বাজারে ড্রপের সংকট

Reporter Name

বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি

বরগুনার বেতাগীতে হঠাৎ করে বেড়ে গেছে চোখ ওঠা (কনজাংটিভাইটিস) রোগের প্রকোপ ও রোগীর সংখ্যা। দিন দিন প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারেও সহজে মিলছেনা চোখের ড্রপ। দেখা দিয়েছে সংকট।প্রতিবছর গ্রীষ্মে এ ভাইরাসজনিত ছোঁয়াচে রোগের দেখা মিললেও এবার শরতে বেড়েছে এর প্রকোপ। শিশু, বয়স্কসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষের মধ্যে এ রোগে প্রতিদিন গড়ে ১৫-২০ জন চোখের প্রদাহ রোগের চিকিৎসা নিতে আসছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।

কিন্তু এই হাসপাতালে চোখের চিকিৎসক বা কনসালট্যান্ট না থাকায় বিপাকে পড়ছেন রোগীরা। অনেকেই ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই বাইরের ফার্মেসি থেকে ড্রপ কিনে ব্যবহার করছেন চোখে।চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, চোখ ওঠাকে কনজাংটিভাইটিস বা রেড/পিংক আই বলে। রোগটি মূলত ছোঁয়াচে ও ভাইরাসের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। কারও কারও চোখ ওঠা হয়তো তিনদিনে ভালো হয়ে যায়। আবার অনেকের তিন সপ্তাহও লাগতে পারে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত কয়েক দিন ধরে চোখে চুলকানি, লাল হওয়া ও পানি পড়ার লক্ষণ নিয়ে রোগীরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসছেন। কিন্তু হাসপাতালে চোখের চিকিৎসক না পেয়ে অনেকেই ক্ষুব্ধ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। অনেকেই প্রাইভেট ক্লিনিকেও চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন। চোখের প্রদাহ রোগে আক্রান্ত উত্তম শীল নামের এক সেল্যুন ব্যবসায়ী বলেন, আমার চোখ লাল হয়ে আছে, সঙ্গে চুলকানি। সকালে দুই চোখ আটকে থাকে, পানি দিয়ে অনেকক্ষণ পরিষ্কার করে চোখ খুলতে হয়। রোগটি ছোঁয়াচে বলে কাস্টমারও চুল কাটাতে আসছে না।

চোখের প্রদাহ রোগে আক্রান্ত সাইদুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে চোখের কোনো ডাক্তার নেই। চোখের এ সমস্যা নিয়ে সরকারি হাসপাতালের টিকিট কাউন্টারে গেলে সেখান থেকে পাঠানো হয় অন্য বিষয় চিকিৎসকদের কাছে। মানুষ বাইরের চিকিৎসকদের কাছে পরমর্শ নিয়ে দোকান থেকে ড্রপ কিনে ব্যবহার করছে। কিন্ত সরবরাহ কম থাকায় এতেও রয়েছে সংকট। ’

বেতাগী পৌর শহরের তাজ ফার্মা এন্ড সার্জিকালের প্রোপাইটার মো: হুমায়ূন কবির জানান, হঠাৎ করে চোখ ওঠা রোগ বেড়ে যাওয়ায় চোখের ড্রপ ক্রয়ে মানুষের চাহিদা বেড়েছে। কিন্ত চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় সংকট দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে বেতাগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা আবু বকর বলেন, সারা দেশেই এ রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছে। এ সময়টাতে একটু সচেতন থাকলে ভয়ের কিছু নেই। তবে আক্রান্ত হলে বাড়িতেই থাকতে হবে। বিশেষ প্রয়োজনে বাইরে গেলে চোখে কালো চশমা ব্যবহার করতে হবে।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST