November 7, 2026, 10:50 am
শিরোনামঃ
গৃহহীন মানুষের স্থায়ী ঠিকানা নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়-ফজলুল হক ৭ বছরের চাকরিতেই অঢেল সম্পদের মালিক গণপুর্তের রেজাউল করিম পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে বাসে তুলে ক্যাম্পাসে নিয়ে গেলেন কুবি শিক্ষার্থীরা বিমানবন্দরসমূহের নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নের সভা মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন—বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কষ্ট কি আপনার হৃদয় স্পর্শ করে না? মাদক ব্যবসায় প্রতিবাদ করার দোকানপাটে হামলা ভাঙচুর, লুটপাট ও বেশ কয়েকজন আহত ​টেকনাফের উপকূলীয় জনপদ: সাগরের ঢেউ আর পাহাড়ের ত্রাসের সঙ্গে নিত্যদিনের লড়াই টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডাকাতের গুলিতে সেনা সদস্য আহত, পাহাড়ে যৌথ অভিযান শুরু টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডাকাতের গুলিতে সেনা সদস্য আহত, পাহাড়ে যৌথ অভিযান শুরু
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ নজরদারিতে তারেক ও বাবর

Reporter Name

আন্তর্জাতিক রিপোর্ট:
————————————————————
ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।আমেরিকার মিত্রদেশ ভারতের সেভেন সিস্টার ও চিকেন নেকের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্নতার পাশাপাশি এঅঞ্চলের নিরাপত্তার ব্যাপারে চীন,পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ভূমিকা গভীরভাবে পর্যবেক্ষন করছে।অতীতে সেভেন সিস্টারে বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর নিকট অস্ত্র সরবরাহের মাধ্যমে অঞ্চলটিকে বার বার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হয়েছে।বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে দশ ট্রাক অস্ত্র সরবরাহের ঘটনাটি এমনই একটি ঘটনা।

এঘটনায় শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে যে মামলা হয় সেটিই দশ ট্রাক অস্ত্র মামলা নামে বহুল আলোচিত।ভৌগলিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে মামলাটি ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে খুবই স্পর্শকাতর।মামলার আসামীদের ইউনুস সরকার একে একে খালাস করে দিয়েছে।মামলা থেকে খালাস পেলেও তারেক রহমান ও লুৎফজ্জামান বাবর উবয় আসামী ভারতের কঠোর নজরদারিতে রয়েছে।ভারতের নিরাপত্তা প্রশ্নে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিকটও এই দুইজন ব্যক্তি বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারিতে রয়েছে।যে কোনো সময় পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তারেক ও বাবরের গ্রেফতার ও পুনর্বিচার হবেই।

একারনেই তারেক বাবর দু’জনই ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পারসনা নন গ্রাটা।ইউনুসের চরিত্র বিশ্লেষন করলে বোঝা যায় তিনি ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার জন্য স্টার লিঙ্ক,তিস্তা কুটনীতির মতো নিরাপত্তা ইস্যুতে ভারত-মার্কিন বলয়ের সাথে দরকষাকষি ও আপোষরফার অংশ হিসাবে তারেক-বাবরকে ভারতের হাতে তুলে দিতে পারেন।এমনও হতে পারে তারেক-বাবর কে বাকি জীবনটা ভারতের কারাগারে নিরাপত্তা বন্দী হিসাবে কাটাতে হতে পারে!



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST