স্টাফ রিপোর্টার:
অন্তর্বর্তী সরকার ভারত থেকে শেখ হাসিনা বা সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফিরিয়ে আনার জন্য গোপনে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা খরচ করে ইংল্যান্ডের একটি আইনি ফার্ম নিয়োগ করেছিল। কিন্তু সেই প্রচেষ্টা সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে।
বিশ্বস্ত আন্তর্জাতিক সূত্র “মার্কস” জানায়—নিয়োগপ্রাপ্ত ব্রিটিশ ফার্মের প্রধান একজন পাকিস্তান বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক। ভারত–বাংলাদেশ এক্সট্রাডিশন চুক্তি পর্যালোচনা করে তারা স্পষ্ট জানিয়ে দেয়—এই চুক্তি অনুযায়ী ভারত শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগের কোন নেতাকেই ফেরত দিতে বাধ্য নয়।
আইনি মূল্যায়নে বলা হয়েছে—প্রত্যর্পণের অনুরোধ নাকচ করতে ভারত সম্পূর্ণ স্বাধীন, কারণ অভিযোগগুলো রাজনৈতিক প্রকৃতির। মৃত্যুদণ্ড বা ফৌজদারি অভিযোগ থাকলেও ভারতের নিজস্ব বিবেচনা ছাড়া কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারে না। ফলে আন্তর্জাতিক বন্দী বিনিময় চুক্তিও এতে লঙ্ঘিত হবে না।
এদিকে, বৃহস্পতিবার ইউনূস সরকারের নিয়োগপ্রাপ্ত আইনি টিম আন্তর্জাতিক আদালত (ICJ)-এ শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করতে গেলে জানানো হয়—আওয়ামী লীগ ইতোমধ্যেই ড. ইউনূস ও তার সরকারের বিরুদ্ধে হাজারো হত্যা, ধর্ষণ ও নিপীড়নের অভিযোগে মামলা করেছে। তাই নতুন কোনো পাল্টা মামলা এখন গ্রহণযোগ্য নয়। সরকার শুধু “communication” আকারে মানহানি বা তথ্যভিত্তিক আপত্তি জানাতে পারবে।
আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সূত্রের মূল্যায়ন—ভারত থেকে শেখ হাসিনা, কামাল বা আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকে ফেরত আনার বাস্তব সম্ভাবনা নেই। একমাত্র শেখ হাসিনা চাইলে তিনি নিজ সিদ্ধান্তে ফিরে আসতে পারেন—তার আগে নয়।