May 31, 2026, 10:14 am
শিরোনামঃ
দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা ঈদের জামাত ও ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তায় ডিএমপি বহুমাত্রিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে: ডিএমপি কমিশনার ময়মনসিংহ জেলায় কর্মরত আউটসোর্সিং সদস্যদের মাঝে পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষে ঈদ উপহার পুনাকের সামগ্রী বিতরণ “ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার কর্তৃক বিভিন্ন থানা ও মহাসড়ক পরিদর্শন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে ময়মনসিংহ মডেল থানা পুলিশ ঈদে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো হুমকি নেই : র‌্যাব মহাপরিচালক ঈদের সার্বিক নিরাপত্তা ও মহাসড়ক তদারকিতে কঠোর অবস্থানে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী “বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠনের নাম পরিবর্তন করে’ বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা লীগ -এর নাম করণ প্রসঙ্গ” ত্যাগ ও কুরবানির মহিমায় উদ্ভাসিত হোক প্রতিটি মুসলিম পরিবার, ঈদ-উল-আজহার শুভেচ্ছায় দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইসিআরসি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

রাজশাহীতে নবজাতক চুরি’র ঘটনায় মোটা অংকের বানিজ্যের অভিযোগ

Reporter Name

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ রাজশাহীতে নবজাতক চুরি ঘটনায় সুকৌশলে মামলা গ্রহন ও আসামী গ্রেফতার না করে মোটা অংকের উৎকোচ নেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে। মাদকসহ ডা: রিমনকে আটক করে ঘটনাস্থলে ১ লাখ টাকায় ছেড়ে আসেন রাজপাড়া থানা পুলিশ। পরে অবশ্যই আইওয়াশের নামে মানবপাচারের মামলা নেয় থানা পুলিশ। রাজপাড়া থানার ওসি অস্থায়ী দ্বায়িত্ব পালন কারী এস আই কাজন নন্দী রয়েল হাসপাতাল কতৃপক্ষের নিকট থেকে উক্ত টাকা গ্রহন করেন তথ্য উপাত্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে৷২১ মে (রোববার) লক্ষিপুর রয়েল হাসপাতা লে নবজাতক চুরি’র ঘটনায় এমন বানিজ্য হয়েছে।

কয়েক দফায় এস আই কাজল নন্দি’র সঙ্গে বৈঠক শেষে উক্ত ১ লাখ টাকা প্রদান করা হয়।অবশ্য উক্ত ঘটনায় নবজাতকের মা, নগরীর তালাইমারী এলাকার সৈয়দা তামান্না আখতার বাদি হয়ে চারজনকে আসামী করে মামলা করেন।থানা সুত্রে জানা যায়, রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া এলাকার রয়েল হাসপাতালের গাইনি বিভাগের চিকিৎসক নিশাত আনাম বর্ণা ও অ্যানেস্থেসিয়া বিভাগের চিকিৎসক আলী চৌধুরী রিমনসহ চার জনকে আসামি করা হয়েছে। মানবপাচার আইনে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, তামান্না আখতারের গর্ভে দুটি সন্তান ছিল। বৃহস্পতিবার (১৮ মে) সৈয়দা তামান্না আখতারের প্রসব বেদনা উঠলে রাজশাহী নগরীর লক্ষ্মীপুর এলাকার রয়েল হাসপাতালে যান। এক ঘণ্টা পর রোগীকে ওটি থেকে বের করা হয়। সেখানে ওটিতে নেওয়ার পর রোগীকে অ্যানেস্থেসিয়ার (অজ্ঞান করার) ইনজেকশনও দেওয়া হয়।এরপর তিনি বাচ্চা প্রসব করেছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার সেই বাচ্চা চুরি করেছে।

সৈয়দ তামান্না আখতার বলেন, আমি ৯ মাস ১২ দিনের অন্তঃসত্ত্বা ছিলাম। এর আগেও আমি ডাক্তার দেখিয়েছি। আলট্রাসনোগ্রামে দেখা গেছে যে একটি ছেলে ও মেয়ে রয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে হাসপাতালে ভর্তির পর আমাকে ওটিতে নেওয়া হয়। এর আগে আমার সব কাগজপত্র জমা দিলে আমাকে একটি ইনজেকশন দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, ওটিতে নেওয়ার পর তারা আমার সঙ্গে বাজে আচরণ করতে থাকেন। এর কিছুক্ষণ পরে চিকিৎসক ডাক্তার নিশাত আনাম বর্ণা বলেন, এদিকে দেখেন। তখন আমি বুঝতে পারলাম আমার পুরো শরীর ঝাঁকি দিচ্ছে। মনে হলো বাচ্চা টেনে বের করে নেওয়া হচ্ছে। এরপর আমার আর কিছু মনে নেই। যখন জ্ঞান ফিরলো তখন আমি জানতে পারলাম আমার পেটে নাকি কোনো বাচ্চা ছিল না। এই ঘটনায় জড়িতদের কঠোর শাস্তি কামনা করছি। তৎক্ষনাৎ পুলিশ সাংবাদিক ঘটনাস্থলে গেলে খালি গায়ে নিজ চেম্বারে মদ পান অবস্থায় ডা: রিমনকে দেখতে পায়। কিন্তু পরক্ষণে পুলিশ সেখান থেকে অজ্ঞাত কারণে চলে যায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রয়েল হাসপাতালের অ্যানেস্থেসিয়ার চিকিৎসক আলী চৌধুরী রিমন বলেন, রোগীর অবস্থা গুরুতর ছিল। তার ভাইয়ের কাছে শুনেছেন তার পেটে দুইটা বাচ্চা ছিল। তাই তিনি অজ্ঞান করার ইনজেকশন দেন।তবে গাইনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিশাত আনাম বর্ণা বলেন, একজন নারী প্রেগন্যান্সির সব সিম্পটম নিয়ে এখানে এসেছিলেন। তিনি দাবি করেন, রোগীর স্বজনরা কোনো কাগজপত্র জমা দিতে পারেননি। তার কাছে কোনো পরামর্শও নেওয়া হয়নি।

রোগীকে অজ্ঞান রেখে রয়েল হাসপাতালে ওটিতে বসে সিগারেট ও মদ পান করতেছিলো ডা: রিমন সে ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত আছে। সে সময় সেখানে উপস্থি ত হয় রাজপাড়া থানার পুলিশ এস আই কাজল নন্দি তারাও সেখানে ডা: রিমনকে মদসহ আটক করেন। অজ্ঞা ত কারণে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আসামীদের ছেড়ে দেয় বলে জানায় ভুক্তভোগী পরিবার। পরে অনুসন্ধানে জানা যায়, দুটি পাঁচ শত টাকার বান্ডিলে মোট ১ লক্ষ টাকা নিয়ে তাদের ছেড়ে আসেন পুলিশ। পরে অবশ্য সাংবাদিক ও স্থানীয় লোকজন এবং ভুক্তভোগী পরিবাবের চাপে মামলা নেয় রাজপাড়া থানা পুলিশ।

এ বিষয়ে কথা বলতে ওসি রাজপাড়া থানার ফোন নম্বরে যোগাযোগ করা হলে, ভারপ্রাপ্ত ওসি এস আই কাজল নন্দি বলেন, টাকা নেওয়ার বিষয়টি ১০০% মিথ্যা কথা। ঘটনায় ভুক্তভোগী মামলা করেছেন, তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST