নিজস্ব প্রতিবেদক”
শরীয়তপুরে”পালং মডেল থানার”অধীনে তুলাসার ইউনিয় ন আড়িগাও ১ নং নুর আলম কাজির ছোট মেয়ে দশম শ্রে ণীতে শিক্ষার্থী সকালে তুলসা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় যাওয়া সময় অপহরণকারীরা তাকে তুলে নিয়ে যায়। মাদারীপুর” সেখান থেকে প্রচার করা হয়।গোপালগঞ্জে, টঙ্গীপাড়া” সেখান থেকে মানব পাচারকারী গডফাদাররা ইন্ডিয়া প্রচার করে দেওয়া হয়।এতে ভুক্তভোগী পরিবাররা অসহায় হয়ে পড়েছিলেন। থানায় একটি মামলা ডায়াল করে মানব পাচার মামলা নং-১৮/২০২৬ইং সদর কোড নাম্বার ১৫৩” তারিখ ১০/১/২৬ উপস্থিতিতে শেখ হাফিজুর রহমান বিচারক সিনিয়ার জেলা দায়রা জজ মানব পাচার অপরাধ শরীয়তপুর।
ভুক্তভোগী পরিবার রা একপর্যায়ে নিরুপায় হয়ে ঢাকার প্রেসক্লাবের অধীনে আসি নিজের দুঃখ কান্না ভেসে চলছে। নিজেদের জেলায় বিচার না পেয়ে ঢাকা প্রেসক্লাবের অধীনে আসে নিজেদের হয়রানির স্বীকার করেছিলেন।
বাংলাদেশ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ থাকবে আর যেন কোন ভুক্তভোগী পরিবার এভাবে হয়রানি স্বীকার না হয়।
মানব পাচার দশর শ্রেণির স্কুল ছাত্রীর বাবা নুর আলম কাজী,বলেন
সকাল ৯ ঘটনা সময় আমার মেয়ে স্কুলে গিয়েছিলেন কিন্তু স্কুল ছুটি হওয়ার পর থেকে আমার মেয়ে আর বাড়ি ফিরল না তখন আমাদের পাশের বাড়ি তার একটা বান্ধবী ছিল নাম শিরিন তার কাছ থেকে জানতে পারি সেই মাদারিপুর কার সাথে ঘুরতে গিয়েছিল সেখান থেকে সে নাকি গোপালগঞ্জে নিয়ে গেছিল। একপর্যায়ে বুঝতে পারি তারা আমার মেয়েকে প্রচার করে দিয়েছিল তাদের দীর্ঘদিন পরিকল্পনা করি আজ আমার বুক খালি করে আমার মেয়েকে ইন্ডিয়া প্রচার করে দিয়েছে। আমি তাদের বিরুদ্ধে থানায় আদালতে মামলা ডায়াল করি কিন্তু মামলা তদন্ত অধীনে শিরিন নামে ব্যক্তি কে গ্রেফতার করা হয় বর্তমান তিনি জেল হাজতে আছে।
কিন্তুক আমার মেয়েকে উদ্ধার করার কোন পরিকল্পনা চলছে না পুলিশ প্রশাসন টাকার বিনিময় আমার মেয়েকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি তাই আমি ঢাকা প্রেসক্লাবে আসি আমার মেয়ে উদ্ধার করার জন্য আকুল আবেদন জানিয়েছি।
এ সময় স্কুল ছাত্রীর মা-আসিয়া বেগম বলেন,পালং থানার মডেলে মানব পাচার একটি মামলার করি একজনকে গ্রেফ তার করা হলো আদালতের রিমান্ড চেয়েছিলাম কিন্তু পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করতে অনিচ্ছুক এতে বুঝা যাচ্ছে পুলিশ মোটা অংকের টাকার বিনিময় আমার মেয়েকে ইন্ডিয়া প্রচার করার সহযোগিতা করেছিল।আমি সুস্থ তদন্তের ভিত্তিতে আমার মেয়েকে উদ্ধার করার একান্তর কামনা করে যারা আমার মেয়েকে প্রচার করে দিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে যেন কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হোক আর যেন আমার মত কোন অসহায় মেয়ে হারাইতে না হয়।
আসামিদেরকে গ্রেফতার করার জন্য পুলিশ প্রশাসনের কাছে অকুল আবেদন জানালে তারা তালবাহানা দিয়ে চলতে থাকে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে চলে যারা ঘুষ বাণিজ্য করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করবো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে আইজিপি” বিভাগীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি সত্য উদঘাটন করে মানব পাচারকারীর গডফাদাদের কে যদি গ্রেপ্তার করা হয়। বাংলাদেশের থেকে নারী পুরুষ প্রচার করা সম্ভব হবে না আমি যাদের বিরুদ্ধে আর থানা মামলা করেছি সত্তিকারী তাদেরকে যদি গ্রেফতার করা হয় এবং আদালতে রিমান্ড মঞ্জুর করে তাহলে অবশ্যই আমার মেয়েকে উদ্ধার করা সম্ভব হবে।
কিন্তু পালং মডেল থানার ওসিসহ তদন্ত মামলার আয়ু ঘুষের কাছে বিক্রি হয়ে গেল নিরীহ সাধারণ জনগনের সেবা করার সংখ্য তা হারিয়েছে।এরকম পুলিশ প্রশাসন দুর্নীতির সাথে জড়িত ও ঘুষ বাণিজ্য চলতে থাকে সাধারণ জনগণ সারা জীবন হয়রানি আর কান্না ছাড়া কিছুই থাকবে না।
আমি আদালতের মাধ্যমে ওকুল আবেদন জানাচ্ছি আমার মামলার আসামি গুলোকে দ্রুত সময় গ্রেফতার করে তাদেরকে রিমান্ডের মাধ্যমে আমার দশর শ্রেণীর ছাত্রীকে উদ্ধার করা হোক পুলিশ প্রশাসন চাইলে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেকোনো অপরাধীদেরকে দমন করা সম্ভব হয়।
আমরা দেশবাসীর কাছে অকল আবেদন জানাচ্ছি দ্রুত সময়ের মধ্যে সকলের সহযোগিতায় আমার মেয়েকে উদ্ধার করতে চাই প্রশাসন চাইলেই সম্ভব হবে আমাদের চাওয়া পাওয়া আর নয় আমার দশর শ্রেণীর ইস্কুলের ছাত্রী একমাত্র আমার আশা আকাঙ্ক্ষা কিভাবে সম্ভব হলো এ জানোয়াররা আমার মেয়েকে প্রচার করে দিতে পারে।
আমি দেশবাসীর কাছে চাই দ্রুত সময় যেন আমার মেয়েকে উদ্ধার করে আমার বুকে ফিরিয়ে দেয় আর যেন কারো মায়ের বুক খালি না হয়।
যে সকল পুলিশ অফিসাররা ঘুষ বাণিজ্যের কাছে বিক্রি হয় দুর্নীতির সাথে জড়িত থাকে তাদের উপরে একদিন না একদিন আল্লাহর গজব পড়বে। তাই অতি দ্রুত সময় দুর্নীতিকে না বলে যত দ্রুত সময় ছাত্রীকে উদ্ধার করা হোক।
আমার মেয়েকে উদ্ধার করতে চাই এ পর্যন্তয় পুলিশ মোটা সংকেল টাকার দেয়া হয়েছিল তারা শুধু আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছে আপনার মেয়ে পাবেন উদ্ধার করা হবে। কিন্তু দীর্ঘ দুই মাস হয়ে গেল মেয়ে উদ্ধার করা থাক দুরের কথা আর দশটা আসামির মধ্যে একটা আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। তা আদালতের মাধ্যমে ওই আসামির রিমান্ড চাইলে তদন্ত অফিসার রিমান্ড মঞ্জুর করতে রাজি হয় নাই এতে বুঝা যাচ্ছে অফিসাররা মোটামুটি আসামিদের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে আমরা নিরীহ জনগণ সাধারণ খেতে খামারে খেটে খাওয়ার মানুষ তাদের চাহিদা আমরা টাকা দিতে পারি নাই বিধে আমরা মানুষের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছি যারা ঘুষ বাণিজ্য করে তাদের উপরে আল্লাহর গজব পড়বে।
যারা মানব পাচারকারী সাথে লিপ্ত ছিল শ্রাবণ বিশ্বাস (১৯) রেখা বিশ্বাস(৩৮)
মন্দ্রির বিশ্বাস (৪৮) স্থানীয় ঠিকানা বুরুয়া ইউনিয়ন-কলাবাড়ী৮১১০,উপজেলা কোটারি পাড়া জেলা গোপালগঞ্জ মোবাইল নাম্বার ০১৯০৭৩২১৫২৩” বিশ্ব হালদার(৩৮) স্বরস্বতী হালদার (৩৬) শিশির হালদার (৪০) মরিয়া (২৫) রাবিয়া(৪০) ও মানব পাচারকারীর গডফাদার দেরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনে রিমান্ডের মাধ্যমে স্বীকারোক্তি মূলক মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবারের মেয়েকে উদ্ধার করা হোক।
মেয়ে হারা বেদনা কত কষ্ট যা চলে যায় সে বুঝে যারা জঘন্য অপরাধের সাথে লিপ্ত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ থাকবে দুর্নীতি চাঁদাবাজি সন্ত্রাসী ও মানব প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি ব্যবস্থা গ্রহণ না করে।তাহলে সাধারণ জনগণে দরবারে যাই’ কি লাভ যেখানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর টাকার কাছে বিক্রি হয়ে যায়।সেখানে সাধারণ জনগণের মরন ছাড়া আর কিছু নয় তাই সত্য উদঘাটন করে অপরাধীদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনে রিমান্ডের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করে ভুক্তভোগী পরিবারের মেয়েটাকে উদ্ধার করা হোক।
এ সময় পালং থানার তদন্ত অফিসারের সাথে কথা বলার সময় তিনি বলেন মানব পাচারের একটি মামলা ডায়াল করা হয়েছে একজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে বাকি আসামিদেরকে গ্রেফতার করার জন্য কাজ চালাচ্ছি
সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন আমরা কোন ঘুষ বাণিজ্য করি নাই ওই মামলার তদন্ত অফিসার সাথে কথা বলে দেখতে পারেন সত্য উদঘাটন করে অপরাধীদেরকে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ সময় মানব পাচার মামলা তদন্ত অফিসারের সাথে কথা বলার সময় তিনি বলেন আসামিদেরকে গ্রেফতার করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছি কেউ যদি আমাদের নামে মিথ্যা অপপ্রচার চালায় তাহলে তো কিছু করার থাকে না একজন সৎ সাহসী পুলিশ অফিসার কখনো ঘুষ বাণিজ্যর সাথে জড়িত নয়।
এই সময় তদন্ত অফিসারের সাথে আসামিদের রিমান্ডের বিষয়ে কথা বললে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন আমি তো আসামিদের রিমান্ড চাইবো না কেন আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে আমরা আসামিদেরকে গ্রেফতার করে ভুক্তভোগী পরিবারের ছাত্রীকে উদ্ধার করার চেষ্টা চালাচ্ছে