November 7, 2026, 5:05 pm
শিরোনামঃ
মধুপুরে কথিত মাদক ব্যবসায়ী হাবুর বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন গৃহহীন মানুষের স্থায়ী ঠিকানা নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়-ফজলুল হক ৭ বছরের চাকরিতেই অঢেল সম্পদের মালিক গণপুর্তের রেজাউল করিম পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে বাসে তুলে ক্যাম্পাসে নিয়ে গেলেন কুবি শিক্ষার্থীরা বিমানবন্দরসমূহের নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নের সভা মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন—বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কষ্ট কি আপনার হৃদয় স্পর্শ করে না? মাদক ব্যবসায় প্রতিবাদ করার দোকানপাটে হামলা ভাঙচুর, লুটপাট ও বেশ কয়েকজন আহত ​টেকনাফের উপকূলীয় জনপদ: সাগরের ঢেউ আর পাহাড়ের ত্রাসের সঙ্গে নিত্যদিনের লড়াই টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডাকাতের গুলিতে সেনা সদস্য আহত, পাহাড়ে যৌথ অভিযান শুরু
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

বিমানবন্দরে কাস্টমস হাউসের গুদাম থেকে ৫৫ কেজি স্বর্ণ উধাও

Reporter Name

প্রথম বাংলা – শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাস্টম হাউস থেকে অন্তত ৫৫ কেজি স্বর্ণ চুরির ঘটনা ঘটেছে।এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ থানায় মামলা হয়েছে।যে কোনো মূল্যে চুরির সঙ্গে জড়ি তদের খুঁজে বের করা হবে বলে জানিয়েছেন কাস্টমসের একাধিক কর্মকর্তা চুরি হওয়া স্বর্ণের মূল্য প্রায় ৫০ কোটি টাকা।

এ বিষয়ে বিমানবন্দর থানার ওসি আজিজুল হক মিঞা গণমাধ্যম কে বলেন, কাস্টম হাউসের ভল্ট থেকে চুরির ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। পুলিশ জানায়, রবিবার দুপুরের দিকে ভল্ট থেকে স্বর্ণ চুরির বিষয়টি জানাজানি হয় ওই এলাকাটি সংরক্ষিত পুরো এলাকা সিসি ক্যামেরার নজর দারিতে।

অবৈধ উপায়ে আনা যাত্রীদের কাছ থেকে জব্দ স্বর্ণের বার, অলংকারসহ গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র কাস্টম হাউসের গুদামে রাখা হয় উধাও হওয়া স্বর্ণের মধ্যে অলংকার ও স্বর্ণের বার রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, কোনো চক্র সুকৌ শলে কাস্টম হাউস থেকে জব্দ স্বর্ণ সরিয়ে ফেলেছে। দীর্ঘদিন ধরে অল্প অল্প করে সরানো হয়েছে,নাকি একবা রেই গায়েব করা হয়েছে– তা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

কাস্টম হাউসের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জব্দ মালপত্র গুদামে ঠিকঠাক রয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত হতে কয়েক দিন ধরেই নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছিল কাস্টম হাউস। আলাদা একাধিক দল গুদামের মালপত্রের তালিকা প্রস্তুত করছিল। এ সময় তারা দেখতে পায়, গুদামের একটি তালা বাইরে থেকে অক্ষত থাকলেও ভেতরের লকার ভাঙা। এর পরই স্বর্ণ চুরির বিষয়টি ধরা পড়ে।

বিমানবন্দর সূত্র জানায়, বিমানবন্দরের কাস্টমস কর্মকর্তা রা চার শিফটে কাজ করেন সব শিফটে জব্দ করা স্বর্ণ একটি গুদামে রাখা হয়েছিল। স্বচ্ছতার জন্য ঢাকা কাস্টম হাউসের কমিশনার একেএম নুরুল হুদা আজাদ সম্প্রতি জব্দ করা স্বর্ণ শিফটের ভিত্তিতে আলাদা লকারে রাখার নির্দেশ দেন। বিভিন্ন শিফটে জব্দ হওয়া স্বর্ণ ওই শিফটের নির্ধারিত লকারে রাখতে বলেন তিনি। পরে গুদামে থাকা স্বর্ণের হিসাব করার জন্য একটি কমিটি করা হয়। ওই কমিটি প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে কাস্টম হাউস ছাড়াও সিআইডি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকটি দল দোষীদের শনাক্ত করতে কাজ করছে।

বিমানবন্দরের ভেতরে হারিয়ে যাওয়া ও খুঁজে পাওয়া পণ্য রাখার স্থানের পাশেই কাস্টমসের গুদাম গুদামটিতে বিমানবন্দরে কর্তব্যরত ঢাকা কাস্টম হাউস,শুল্ক গোয়েন্দা, তদন্ত অধিদপ্তরসহ অন্য সংস্থাগুলোর জব্দ করা মালপত্র রাখা হয়।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST