November 6, 2026, 6:13 pm
শিরোনামঃ
পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে বাসে তুলে ক্যাম্পাসে নিয়ে গেলেন কুবি শিক্ষার্থীরা বিমানবন্দরসমূহের নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নের সভা মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন—বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কষ্ট কি আপনার হৃদয় স্পর্শ করে না? মাদক ব্যবসায় প্রতিবাদ করার দোকানপাটে হামলা ভাঙচুর, লুটপাট ও বেশ কয়েকজন আহত ​টেকনাফের উপকূলীয় জনপদ: সাগরের ঢেউ আর পাহাড়ের ত্রাসের সঙ্গে নিত্যদিনের লড়াই টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডাকাতের গুলিতে সেনা সদস্য আহত, পাহাড়ে যৌথ অভিযান শুরু টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডাকাতের গুলিতে সেনা সদস্য আহত, পাহাড়ে যৌথ অভিযান শুরু ওএমএস কালোবাজারির হোতা : সাভার উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা ময়মনসিংহে সাংবাদিকের অভিযোগ, ১০ মাসেও দেখেনি আলোর মুখ! জামালপুর জেলার এলএসডি গুলোতে নিম্ন মানের খাদ্য শষ্য মওজুদের অভিযোগ
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

মানবিক পুলিশিং এর উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো গোপালগঞ্জ সদর থানা পুলিশ”

Reporter Name

মোঃ তপু শেখ গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

আজ দুপুর অনুমান ১৪:৩০ ঘটিকার দিকে জনৈক আলম শেখ (৬৭) নামের একজন ব্যক্তি গোপালগঞ্জ শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় থেকে ৪/৫ বছরের একটি ছেলে শিশু কে পেয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় নিয়ে আসেন। অফিসার ইনচার্জ এর নির্দেশে থানার নারী অফিসার সহ অন্যান্য অফিসারগণ উক্ত শিশুটিকে সেবা ও শুশ্রূষা সহ মাতৃত্ব সুলভ আচরণ দিয়ে আপন করে নিয়ে গোপালগঞ্জ থানার ফেসবুক পেইজে উক্ত শিশুটিকে প্রাপ্তির বিষয়ে একটি পোস্ট দেয়।

এর কিছু সময় পরে স্থানীয় লোকজনদের মাধ্যমে ফেস বুক পোস্ট দেখে উক্ত শিশুটির মা মানসুরা বেগস(২৫), পিতা-দুলু শেখ, মাতা-রাজিয়া বেগম, সাং-আস্তাইল, থানা-মোল্লারহাট, জেলা-বাগেরহাট, বর্তমান সাং-ঘোষেরচর জনৈক মধুমিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া, গোপালগঞ্জ পাগলের মতো গোপালগঞ্জ সদর থানায় ছুটে আসেন। থানায় এসে মা তাঁর সন্তানকে কাছে পেয়ে দৌড়িয়ে এসে জড়িয়ে ধরে আনন্দে কান্না করতে থাকেন,মা যেন আকাশের চাঁদ ফিরে পেয়েছেন। তখন থানার ডিউটি অফিসারের কক্ষে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। এ যেন মা-সন্তানের এক মিলক্ষণ। তা স্বচক্ষে না দেখলে বুঝানো অসম্ভব।

এরপর উক্ত মা গোপালগঞ্জ সদর থানার পুলিশের জন্য প্রাণভরে দোয়া করতে থাকেন। পরবর্তী উক্ত শিশুটিকে তার মায়ের জিম্মায় প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য উক্ত শিশুটি তার নিজের নাম পর্যন্ত বলতে পারছিল না। পরবর্তীতে তার মায়ের কাছ থেকে জানা যায়, শিশুটির নাম – মো: আরাফাত, বয়স- ০৫ বছর।পরে শিশু আরাফাতকে ওসি আনিচুর রহমান তার মা মানসুরা বেগমের কাছে দেন এবং ছেলে আরাফাতকে নিয়ে মা নিজ বাড়ি চলে আসেন।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST