May 15, 2026, 7:50 am
শিরোনামঃ
ময়মনসিংহ সমাজসেবা অধিদপ্তরে দুর্নীতির অভিযোগ বর্তমান সরকার দেশের উন্নয়নের সকল কর্মসূচি বাস্তবায়নের কাজ করে যাচ্ছে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ৫ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কাজ করছে সরকার : ত্রাণমন্ত্রী গুদামে ধান বিক্রির আবেদন “অ্যাপস” জটিলতা বিপাকে কৃষকরা ত্রিশালে জাতীয় কবি নজরুলের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী: সমাপনী দিনে প্রধান অতিথি তারেক রহমান বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক দিঘলী বাজার শাখায় রেমিট্যান্স উৎসবের পুরস্কার বিজয়ী সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত লক্ষ্মীপুরে জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মারামারির ঘটনার মামলায় নেত্রকোনা খাদ্য বিভাগে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ (২) মৃত্যুর মিছিলে আবারো শোকের ছায়া সুনতি বাঁশি মামলার তদন্তে সত্যতা ছাড়া কোনো” সাংবাদিককে গ্রেফতার করা যাবেনা
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

অনলাইনে আয়ের প্রলোভনে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি

Reporter Name

প্রথম বাংলা – অনলাইনে “টাস্ক” সম্পন্ন করে সহজে উপার্জনের প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎকারী একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এর সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি) ইউনিট। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম মো. হারুন অর রশিদ (২৯), পিতা- মো. সুরুজ্জামান, মাতা- খালেদা বেগম, সাং- বুরুঙ্গা, ডাকঘর- জালালপুর, থানা- মেলান্দহ, জেলা- জামালপুর।

 

প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, প্রতারক চক্রটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন ও প্রলোভনমূলক বার্তার মাধ্যমে সহজে আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগীদের ফাঁদে ফেলত। তারা অনলাইন “টাস্ক” সম্পন্নের কথা বলে ধাপে ধাপে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিত। “অনলাইন টাস্ক” বলতে নির্দিষ্ট পোস্টে লাইক বা শেয়ার করা, অ্যাপ বা লিংক ব্যবহার করে বিভিন্ন অ্যাক্টিভিটি সম্পন্ন করা ইত্যাদি নির্দেশনামূলক কার্যক্রমকে বোঝায়।

প্রথম পর্যায়ে প্রতারকরা স্বল্প পরিমাণ কাজ সম্পন্নের বিপরীতে সামান্য অর্থ প্রদান করে ভুক্তভোগীদের আস্থা অর্জন করত। পরবর্তীতে অধিক লাভের আশ্বাস দিয়ে ধাপে ধাপে বড় “টাস্ক” সম্পন্নের শর্তে বড় অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করা হতো এবং বিভিন্ন MFS ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করা হতো।

 

প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, এভাবে প্রতারক চক্রটি ০৪টি বিকাশ নম্বর এবং পৃথক ০৯টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ভুক্তভোগীর নিকট থেকে মোট ১,১০,৫৮,৩০৫ (এক কোটি দশ লক্ষ আটান্ন হাজার তিনশত পাঁচ) টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করে।

পরবর্তীতে উক্ত ভুক্তভোগী সিআইডি সাইবার পুলিশ সেন্টারের ফেসবুক পেজে অভিযোগ দাখিল করলে সিআইডি বিষয়টি প্রাথমিকভাবে যাচাই-বাছাই করে এবং তাকে নিকটস্থ থানায় মামলা দায়েরের পরামর্শ প্রদান করে। এর প্রেক্ষিতে গত ২১/০৫/২০২৫ খ্রি. তারিখে ডিএমপি’র লালবাগ থানায় পেনাল কোড ১৮৬০ এর ৪০৬/৪২০/৩৪ ধারায় মামলা নং-১৪ দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে মামলাটি সিআইডি অধিগ্রহণ করে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে।

 

তদন্তের অংশ হিসেবে সিআইডি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবের তথ্য সংগ্রহ করে এবং সন্দেহভাজন আসামিদের পরিচয় শনাক্তপূর্বক তাদের বিদেশ গমনাগমন রোধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এ প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালতের আদেশক্রমে আসামিদের পাসপোর্ট’ জব্দ ও বহিঃবাংলাদেশ গমনাগমনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

পরবর্তীতে গত ১৮/০৪/২০২৬ খ্রি. তারিখে মালয়েশিয়া হতে বাংলাদেশে আগমনকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন পুলিশের মাধ্যমে সন্দেহভাজন আসামী মো. হারুন অর রশিদ (২৯) আটক হন।

 

পরদিন ১৯/০৪/২০২৬ খ্রি. তারিখ ডিএমপির বিমানবন্দর থানা হতে তাকে গ্রেফতার করে সিআইডির হেফাজতে গ্রহণ করা হয়। গ্রেফতার পরবর্তী প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামী প্রতারণার সাথে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে এবং এ ঘটনায় আরও একাধিক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার তথ্য প্রদান করে।

গ্রেফতার কৃত অভিযুক্তকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে সিআইডির তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST