March 2, 2024, 4:54 pm
শিরোনামঃ
৭ মাসে রেমিট্যান্স এসেছে এক লাখ ৪১ হাজার ৯০০ কোটি টাকা – সংসদে অর্থমন্ত্রী ডিএমপির অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৬৪ মাদকসহ আসামী ছিনিয়ে নেয়া সেই যুবলীগ নেতা র‍্যাব-৩ হাতে গ্রেফতার ময়মনসিংহে ডিবির অভিযানে ৬০ বোতল ভারতীয় মদসহ গ্রেফতার জাজিরায় জাতীয় ভোটার দিবস পালিত ডিআরইউ’র প্রয়াত সদস্য পরিবারকে মাঝে বীমার চেক হস্তান্তর ও অসুস্থ সদস্যদের চিকিৎসা অনুদান প্রদান ঢাকা বার নির্বাচনে সভাপতি-সম্পাদকসহ ২১ পদে আওয়ামী লীগের জয় জাজিরায় রাতের আধারে একজনকে কুপিয়ে হত্যা জাতীয় বীমা দিবস ২০২৪ ও উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও চেক বিতরণ জাজিরায় গোয়াল ঘরে আগুনে পুড়ল গরু-ছাগল, বাঁচাতে গিয়ে দগ্ধ কৃষক
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

আবারো আলোচনায় ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট

Reporter Name

নিজস্ব প্রতিবেদক :- বিএনপি জামাত যখন ২৮ অক্টোবর ঢাকায় মহাসমাবেশ ডেকেছে এবং শেষ মহাসমাবেশকে ঘিরে রাজনীতিতে সহিংসতার শঙ্কা দেখা দিয়েছে, ঠিক সেই সময় আওয়ামী লীগের মধ্যে সম্রাটকে নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

ঢাকা মহানগরীতে একক নেতা হিসেবে সবচেয়ে বেশি কর্মী যার অনুসারী তার নাম ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট। সম্রাটকে ক্যাসিনো ও বাণিজ্যের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন কারাভোগের পর তিনি সম্প্রতি মুক্ত হয়েছেন। তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ছিলেন। সেই সময় তাকে সভাপতি পদ থেকে বের করে আনা হয়। এখনো শারীরিকভাবে অসুস্থ সম্রাট কর্মীদের মধ্যে অকুণ্ঠ জনপ্রিয়।কিন্তু দলে তাকে পদ পদবী কোনো কিছুই ফিরিয়ে দেওয়া হয়নি। এমনকি তার বিরুদ্ধে বহিষ্কারাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে কিনা সে সম্পর্কেও কোনো তথ্য জানা যায়নি। যদিও গাজীপুরের আওয়ামী লীগের নেতা জাহাঙ্গীরকে দুইবার বহিষ্কার করে দুইবারই তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। অথচ সম্রাটের ক্ষেত্রে সেই উদারতা দেখানো হয়নি।

তবে আওয়ামী লীগের একজন দায়িত্বশীল প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেছেন যে সম্রাটের বিষয়টি নিয়ে তিনি নিজে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন এবং প্রধানমন্ত্রী তাকে কাজে লাগানোর জন্য সবুজ সংকেত দিয়েছেন। আওয়ামী লীগের একজন জনপ্রিয় সাংগঠনিক সম্পাদকও বাংলা ইনসাইডারকে একই রকম তথ্য দিয়েছেন। এরকম বাস্তবতায় সম্রাট কি রাজনীতিতে আবার ফিরে আসছে?

২৮ অক্টোবরকে ঘিরে যখন রাজনৈতিক উত্তেজনা, তখন অনেক কর্মীরাই সম্রাটের মতো একজন সাহসী এবং রাজপথের নেতাকে খুঁজছেন। তাঁরা মনে করছেন যে ঢাকা মহানগর উত্তর এবং দক্ষিণের সাংগঠনিক অবস্থা এখন স্মরণকালে সবচেয়ে দুর্বল। এতটাই দুর্বল যে তারা বিএনপির আন্দোলন এবং বিএনপি যদি কোন রকম জ্বালাও-পোড়াও বা সহিংসতা করে সেটাকে সামাল দেওয়ার সক্ষমতাও রাখে না।

কর্মীদের মধ্যেও এ ধরনের আলোচনা হচ্ছে যে এটি সামাল দিতে পারেন একজনই। তিনি হলেন ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট। কারণ তার নিজস্ব কর্মী বাহিনী রয়েছে। এই সম্রাটই ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর বিএনপি জামাতকে প্রতিহত করেছিল। বিভিন্ন সংকটের সময় সম্রাটের কর্মীরাই রাজপথে বিএনপি জামাতের জন্য চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পেরেছিল। কিন্তু এখন সম্রাট কতটুকু কার্যকর থাকবেন এবং কতটুকু সক্রিয় হবেন সেটি নিয়ে কারো কারো সন্দেহ দেখা দিয়েছে।

বিভিন্ন সূত্রগুলো বলছে যে, আওয়ামী লীগের কর্মীদের মধ্যে এ নিয়ে একধরনের হতাশা রয়েছে। তারা বলছেন যে এখন ঢাকা উত্তর এবং দক্ষিণ মহানগরের যে নেতৃত্ব রয়েছে তাদের সাথে কর্মীদের কোনো সংযোগ নেই। কর্মীদের মধ্যে তারা কোনো রেখাপাতও করতে পারেননি। কর্মীদের মধ্যে তাদের জনপ্রিয়তাও তেমন একটা নেই। আর এই কারণেই এসব নেতাদের ডাকে কর্মীরা অকুতোভয় হয়ে বিএনপি জামাতকে মোকাবিলা করবে এমন ভাবার কোনো কারণ নেই। আর এই কারণেই আওয়ামী লীগ এখন সম্রাটের দিকে তাকিয়ে আছে।

কিন্তু বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অভিযোগে দুর্দিনের এই কাণ্ডারিকে যেভাবে রাজনীতিতে কোণঠাসা করা হয়েছে সেই সম্রাট কি আবার আগের মূর্তিতে ফিরে আসতে পারবে? কিংবা সম্রাট কি আগের মতো নির্ভীক ভাবে রাজপথে নামবে?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page