June 15, 2024, 1:57 am
শিরোনামঃ
এ জগৎ ভাই অল্প দিনের আর কয়টা দিন সবুর মনে প্রাণে বিশ্বাস করো কঠিন সাজা প্রভূর সংসদ সদস্য মোহিত উর রহমান শান্ত”র জন্মদিনে ইউসুফ আলীর শুভেচ্ছা ঈদ যাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে সবাই এক সঙ্গে কাজ করছে : আইজিপি ত্রিশাল থানা পুলিশের অভিযানে ,দস্যুতা কাজে ব্যবহৃত ০২ টি প্রাইভেট কার জব্দ সহ সহ ০৬ জন গ্রেফতার ডিবি পুলিশের অভিযানে ময়মনসিংহে চোরাই ৬টি অটোরিক্সা ও ১টি মোটর সাইকেল উদ্ধার গ্রেফতার ১ পুলিশ পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করায় দেশে স্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করছে : আইজিপি ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ছাদ থেকে পড়ে প্রাণ গেল শিশু হজযাত্রীর ভূরুঙ্গামারীতে মাদক মামলায় মিথ্যা আসামি করায় থানার ওসি ও তদন্ত ওসিকে প্রত্যাহারের দাবী পরিবারের পুলিশ কমিশনারের সাথে ডিএমপির বিভিন্ন বিভাগের প্রধানদের এপিএ স্বাক্ষর
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

এমপি আনারকে হত্যার পর হাড় ও মাংস আলাদা করে হলুদ মেশানো হয়’

Reporter Name

প্রথম বাংলা – ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারকে হত্যার পর হাড় ও মাংস আলাদা করে হলুদ মিশিয়ে ব্যাগে ঢোকায় হত্যাকারীরা। যাতে কেউ সন্দেহ করলে বাজার থেকে কেনা মাংস বলে এড়িয়ে যাওয়া যায়— এমনটা জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ”বৃহস্পতিবার (২৩ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

এদিকে ডিএমপি ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ বলেন, দেশে হত্যাকাণ্ডের সাহস না পেয়ে,হত্যাকারীরা দেশের বাহিরে হত্যার পরিকল্পনা করে। প্রথমে তারা কলকাতায় বাসা ভাড়া নেয়। এর পর পরিবার পরিচয়ে তারা কলকাতার ভাড়া বাসায় উঠে পরে সেখানে জিহাদ বা জাহিদ ও সিয়াম নামে দুইজনকে তারা ভাড়া করে। এরপর হত্যাকাণ্ডের সব পরিকল্পনা সাজিয়ে মূল পরিকল্পনাকারী ঢাকায় ফিরে আসে।

হারুন অর রশীদ আরও বলেন, এরপর ১২ মে এমপি আনার কলকাতায় গিয়ে বন্ধু গোপালের বাসায় উঠে। পরদিন ১৩ মে কাজ আছে বলে বাসা থেকে বের হন আনার”পরে ফয়সাল নামে একজন সাদা গাড়িতে তাকে রিসিভ করে। এরপর কিছুদূর গিয়ে হত্যাকারী সেই গাড়িতে উঠে’পরে তারা ওই ভাড়া করা বাসায় যায়।

এরপরই মুস্তাফিজ নামের একজন ব্যক্তি ওই বাসায় ঢোকে সে ই বাসায় আগে থেকেই জিহাদ অথবা জাহিদ ও সিয়াম আগে থেকেই ছিল। এরপর আধ ঘণ্টার মধ্যেই আনারকে হত্যা করা হয়। এরপর মরদেহ খন্ডিত করা হয়। পরে গ্রে রঙের একটি স্যুটকেসে করে মরদেহের একটি অংশ ও পরদিন হাড় ও মাংসের সাথে হলুদ মিশিয়ে পলিথিনে করে সরিয়ে ফেলা হয়।

এদিকে হত্যাকারীদের উদ্দেশ্য ছিল আনারের মরদেহএমনভাবে গুম করা,যাতে তাকে কোনোদিন খুঁজে না পাওয়া যায়। হত্যা কাণ্ডের পর হত্যাকারীরা একে একে বাংলাদেশে চলে আসলে মূল পরিকল্পনাকারী দেশ থেকে চলে যায় বলেও জানান হারুন বলেন, দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ড সংঘঠিত করা হয়েছে। তারা অনেক দিন ধরে এমপি আনারের ভারতে যাওয়ার সুযোগ খুজছিল।

হারুন অর রশীদ আরও বলেন,হত্যার পর হত্যাকারীরা আনারে ফোন থেকে বিভিন্ন জনকে ম্যাসেজ পাঠায়। যাতে কেউ তার নিখোজের বিষয়টি সন্দেহ না করে। সবশেষ ১৮ মে একটি ম্যা সেজ পাঠানো হয় বলেও জানান তিনি এছাড়া ঘন ঘন একাধিক স্থানে আনারের ফোনটি পাঠানো হয়। সবশেষ বেনাপোল থেকে আনারের ফোন দিয়ে তার ব্যক্তিগত সহকারীর কাছে ম্যাসেজ পাঠানো হয়। এর মাধ্যমে তদন্তকারী সংস্থাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করারও চেষ্টা করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page