October 15, 2026, 2:39 am
শিরোনামঃ
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ‘সিনিয়র সচিব’ হলেন মোঃ কামরুজ্জামান চৌধুরী খাদ্য গুদাম পরিদর্শন করে দায়িত্ব হারালেন মন্ত্রীর এপিএস খাদ্যের মান যাচাইয়ের ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী কুড়িগ্রামে মাদকাসক্ত ছেলের ছুরিকাঘাতে মায়ের মৃত্যু শাহজাদপুরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন আহত পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে গেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শারদীয় দুর্গাপূজা: চকরিয়ার উপজেলা ও পৌরসভার মণ্ডপে মণ্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি বিভিন্ন জেলায় খাদ্যগুদামে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ চট্টগ্রামে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার এর উদ্বোধন ময়মনসিংহে বিশ্ব মান দিবস পালিত
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

কমিটির সম্পাদক ও তার ঘনিষ্ট ভাড়াটের যোগসাজশে আহসান উল্লাহ কাচারী মসজিদের আয়ের উৎস্য নিয়ে বানিজ্য চলছে

Reporter Name

স্টাফ রিপোর্টার:ময়মনসিংহ নগরীস্থ জেলা পরিষদ প্রশাস ক কার্যালয়,জেলা প্রশাসক কার্যালয়,জেলা জজ কার্যালয় ও পুলিশ প্রশাসন কার্যালয় সমুহের সন্নিকটে মুসলিমদের ধর্মপ্রতিষ্ঠান আহসান উল্লাহ কাচারী মসজিদের আয় সংশিষ্ট ঘরগুলো (ব্যবসায়ের দোকান) নিয়ে ভাড়া বাণিজ্য চলছে দীর্ঘ দিন ধরে।

মসজিদের আয়ের প্রতি লক্ষ্য ও গ্ররুত্ব না দিয়ে সম্পূর্ণ স্বী য় স্বার্থে মসজিদের এই দোকানগুলোর ভাড়া বাণিজ্য চালি য়ে আসছেন মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশরাফ সাহেব ও তার অন্যতম ঘনিষ্ঠ দুটি বড় দোকানের ভাড়াটে গোলাম কিবরিয়া সওদাগর।

প্রভাবশালী এই দুই ব্যক্তি যোগসাজশ করে দীর্ঘদিন ধরে মসজিদের আয়ের উৎস্য নিয়ে স্বেচ্ছাচারিতা চালানোয় মুসুল্লীদের অভিযোগে পত্র-পত্রিকায় খবরও প্রকাশিত হয় একাধিকবার। যা উপরোক্ত দপ্তর সমুহসহ মুসুল্লীদের মাঝে ব্যাপক ভাবে জানাজানি হয়। কিন্তু এসবের কোনই তোয়াক্কা না করে মসজিদটি পরিচালনার সকল নিয়ম কানুন লংঘন করেই চলছেন এই দুই ব্যক্তি।

মসজিদ কমিটির সম্পাদক সাহেব বাজার মূল্যের চেয়ে অ ত্যন্ত কম জামানত ও ন্যূনতম ভাড়ায় মসজিদের দোকান গুলো গোপনে স্ট্যাম্পে চুক্তি দলিলের মাধ্যমে পছন্দের লোকদের দিয়েছেন। যাদের অন্যতম গোলাম কিবরিয়া সওদাগর ঘনিষ্ঠ ও যোগসাজশকারী হওয়ায় তাকে বড় ২টি দোকান দিয়েছেন কম জামানত ও কম ভাড়ায়।

কিবরিয়া সওদাগর সাহেব নিয়ম লংঘন করে দোকান অনেক বেশী মূল্যে ও ভাড়ায় সরকারী স্ট্যাম্পে সাবলেট দিলেও মসজিদ কমিটির সম্পাদক আশরাফ সাবেহ তার সঙ্গের চুক্তিপত্র বাতিল না করে বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নিয়ে রহস্যজনকভাবেই নিরবে মেনে নেন।

এই কারনেই সম্পাদক আশরাফ ও ভাড়াটে গোলাম কিব রিয়া সওদাগরের মধ্যে সখ্যতা আরো মজবুত হয়ে ওঠে। সওদাগরের সহযোগিতায় মসজিদের অন্যান্য ভাড়াটেরাও সাবলেটের দিকে পা বাড়ায় অধিক জামানত ও ভাড়া আদা য়ের দিকে তারা বহু লাখ টাকা করে লুপাট করে নিলেও ব্যাপক পরিমান আয় থেকে বঞ্চিত হয় ধর্মপ্রতিষ্ঠান এই মসজিদ।

এ ক্ষেত্রে প্রতিবছর চুক্তি দলিল নবায়ন ও করে দেন মসজিদ কমিটির সম্পাদক আশরাফ সাহেব। মসজিদের নিয়ম পরিপন্থী সাবলেট কৌশলটি ব্যবহার করে পরিচালনা কমিটির সম্পাদক আশরাফ সাহেব ও তার যোগসাজশে কারী ভাড়াটে শুধুমাত্র, বহুজাতিক তেল কোম্পানী মবিল এর নিকট থেকেই প্রায় ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

হাতিয়ে নেয়া মসজিদের আরো কোটি কোটি টাকারহিসেব এখনো সামনে আনা হয়নি। সংশ্লিষ্ট সৎ-মুমীন ব্যক্তিদের নিয়ে মসজিদের নথিপত্র ও সরেজমিনে ভাড়াটেদের চুক্তি পত্র তদন্ত করলে সত্যটা প্রকাশ পাবেই।

 

মসজিদ চত্বরের মাদ্রাসা নির্মান কালে সম্পাদক আশরাফ ও কিবরিয়া সাহেব ব্যাপক লুটপার্ট চালিয়েছেন বলে অনেকের মুখ থেকে শোনা গেছে। আহসান উল্লাহ কাচারী মসজিদের আয় নিয়ে এতো লুটপাট বানিজ্য হয়ে গেলেও অদ্যাবধি নিকটস্থ সরকারী প্রশাসনিক দপ্তর সমূহের কর্তাগন ও মসজিদের মুসুল্লীগন কোনই পদক্ষেপ নেয়নি।

সাধারন মুসুল্লীগণ এ বিষয়ে একটি সুষ্ঠু পদক্ষেপ আশা করছেন।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST