May 27, 2024, 10:06 pm
শিরোনামঃ
উপকূলে ৮-১২ ফুট জলোচ্ছ্বাস, পাহাড়ে হতে পারে ভূমিধস সব মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল ডিআরইউ সদস্য সন্তানদের সাঁতার প্রশিক্ষণ কার্যক্রম-২০২৪ শুরু মাত্র ৫০০০ টাকার বিনিময়ে এমপি আনারের দেহ ৮০ টুকরো করা হয়, কসাই জিহাদের স্বীকারোক্তি দেশে ফিরে থলের বিড়াল বের করে দেব: নিপুণ বিনোদন প্রতিবেদক কুড়িগ্রামে অসহায় দৃষ্টি প্রতিবন্ধী নুর নবী পরিবার নিয়ে চরম দুর্ভোগে দিনাতিপাত করছে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় মন্ত্রণালয়ের সব প্রস্তুতি রয়েছে – দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী শাহজাদপুরে সাংবাদিকের ওপর হামলা, থানায় অভিযোগ দায়ের ডিএমপি সদস্যদের অগ্নিনির্বাপণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত এমপি আনারকে হত্যার পর হাড় ও মাংস আলাদা করে হলুদ মেশানো হয়’
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী পেয়ারুল ইসলাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত

Reporter Name

মোঃ শহিদুল ইসলাম সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ

চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এটিএম পেয়ারুল ইসলাম আনারস প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২ হাজার ৫৭৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোটরসাইকেল প্রতীকে নারায়ণ রক্ষিত পেয়েছেন ১১৭ ভোট। চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন। সোমবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে ভোট শুরু হয়ে চলে বেলা ২টা পর্যন্ত। তবে নির্বাচনে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন ভোট গ্রহণে নিয়োজিত কর্মকর্তারা।ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ১৫ উপজেলার ১৫টি ভোট কেন্দ্রের ৩০টি বুথে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনে ১৫ উপজেলায় ১৫টি সাধারণ সদস্য পদে ৪৬ জন এবং সংরক্ষিত ওয়ার্ডের পাঁচ পদের বিপরীতে ২২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। দুই হাজার ৭৩০ জন ভোটার ১৫ উপজেলায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলামের পরিচিতি

চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম ১৯৬০ সালের ১০ আগস্ট ফটিকছড়ি উপজেলার নানুপুর ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৩০ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েশন করা সরকারি কর্মকর্তা মরহুম আবুল ফজল বিএ ও আমেনা বেগমের সন্তান তিনি।

তার শ্বশুর বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল (অব.) আবু তাহের সালাহউদ্দীন বীর প্রতীক। পেয়ারুল দুই ছেলে সন্তানের জনক। জ্যেষ্ঠ সন্তান ও পুত্রবধূ সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা। ছোট ছেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত।

ব্যক্তিগত জীবনে পেয়ারুল ইসলাম সফল ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তা। তিনি ২০১৪ সালে সফল উদ্যোক্তা হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে জাতীয় পুরস্কার লাভ করেন। তিনি প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের (গাড়ি তৈরির কারখানা) পরিচালকের দায়িত্ব পালনকালে দুর্বল প্রতিষ্ঠানটিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তিত করেন।

বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী এটিএম পেয়ারুল ইসলাম ১৯৭৪ সালে মাইজভান্ডার আহমদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদে জিএস নির্বাচিত হন। ১৯৭৯ সালে নির্বাচিত হন নাজিরহাট কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি। ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং বাংলাদেশ ‘ল’ স্টুডেন্টস ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাচিত সভাপতি। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক, নব্বইয়ের ছাত্র গণ-আন্দোলনের ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। ১৯৯০ সালে ফটিকছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ঢাকাস্থ চট্টগ্রাম সমিতির নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এবং ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন।

বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। এটিএম পেয়ারুল ইসলাম ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফটিকছড়ি সংসদীয় আসন থেকে মহাজোটের প্রার্থী ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page