May 26, 2024, 8:12 am
শিরোনামঃ
ডিআরইউ সদস্য সন্তানদের সাঁতার প্রশিক্ষণ কার্যক্রম-২০২৪ শুরু মাত্র ৫০০০ টাকার বিনিময়ে এমপি আনারের দেহ ৮০ টুকরো করা হয়, কসাই জিহাদের স্বীকারোক্তি দেশে ফিরে থলের বিড়াল বের করে দেব: নিপুণ বিনোদন প্রতিবেদক কুড়িগ্রামে অসহায় দৃষ্টি প্রতিবন্ধী নুর নবী পরিবার নিয়ে চরম দুর্ভোগে দিনাতিপাত করছে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় মন্ত্রণালয়ের সব প্রস্তুতি রয়েছে – দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী শাহজাদপুরে সাংবাদিকের ওপর হামলা, থানায় অভিযোগ দায়ের ডিএমপি সদস্যদের অগ্নিনির্বাপণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত এমপি আনারকে হত্যার পর হাড় ও মাংস আলাদা করে হলুদ মেশানো হয়’ মানবতার সেবায় নিয়োজিত আনার নিজেই চালাতেন অ্যাম্বুলেন্স কলকাতায় এমপি আনার খুন, দেশে আটক ৩
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

জি কে শামীমসহ ৮ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

Reporter Name

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রথম বাংলা – অস্ত্র মামলায় জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার (২৫শে সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শেখ ছামিদুলের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া অন্য আসামিরা হলেন- জিকে শামীমের সহযোগী সাত দেহরক্ষী মো. জাহিদুল ইসালাম, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. কামাল হোসেন, মো. সামসাদ হোসেন, মো. আমিনুল ইসলাম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. মুরাদ হোসেন।

২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর গুলশানের নিজ কার্যালয়ে সাত দেহরক্ষীসহ গ্রেপ্তার হন জি কে শামীম। পরে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও অর্থপাচার আইনে তিনটি মামলা করা হয়। মামলার এজাহারে শামীমকে চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, অবৈধ মাদক ও জুয়া ব্যবসায়ী বলে উল্লেখ করা হয়।

একই বছরের ২৭ অক্টোবর আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-১ এর উপ-পরিদর্শক শেখর চন্দ্র মল্লিক অস্ত্র মামলায় তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি একই আদালত মামলার চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। এ মামলায় ১০ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামি আমিনুল ইসলাম জামালপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে লাইসেন্স প্রাপ্ত হয়েছেন বলে ডকুমেন্ট দেখালেও তা যাচাইয়ে এর সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে ওই অস্ত্রের নকল কাগজপত্র নিয়ে ২০১৭ সালে প্রথমে এস এম বিল্ডার্স কোম্পানিতে যোগদান করেন। পরে ২০১৯ সালের মাঝামাঝি তিনি জি কে শামীমের দেহরক্ষী হিসেবে যোগদান করে কাজ করেন। তিনি মূলত অবৈধ অস্ত্রটি ৭০ হাজার টাকায় ক্রয় করে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করেন।

এছাড়া অন্যান্য আসামিরা নিরাপত্তার অজুহাতে অস্ত্রের লাইসেন্সপ্রাপ্ত হলেও তারা শর্ত ভঙ্গ করে অস্ত্র প্রকাশ্যে বহন, প্রদর্শন ও ব্যবহার করে লোকজনের মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টির মাধ্যমে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, মাদক ও জুয়ার ব্যবসা করে স্বনামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page