আক্কাছ আলী সরকার বলছেন “এখনই বদল দরকার”
নিবাহী সম্পাদক: সুলতানা রাজিয়া সান্ধ্য কবি:
তারিখ:২৩-০১-২৬ ইং
উলিপুর, কুড়িগ্রাম“হাতপাখা: প্রতীক নয়, গণমানুষের জিহাদ”দেশজুড়ে ক্ষমতার লড়াই নীতি-নৈতিকতা ও জনগণের স্বার্থকে কাবু করে রেখেছে। সেই প্রেক্ষাপটে কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে উঠে এসেছে এক সাহসী প্রতিবাদী কণ্ঠ—ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক ডা. মোঃ আক্কাছ আলী সরকার। তিনি ‘হাতপাখা’ প্রতীক নিয়ে মাঠে নেমেছেন, যা আজ নিপীড়িত মানুষের ক্ষোভ, প্রতিবাদ ও পরিবর্তনের এক জীবন্ত ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।“এটা প্রতীক নয়—এটা জুলুমের বিরুদ্ধে গণমানুষের জিহাদ”
প্রার্থী আক্কাছ আলী সরকার বলেন, “হাতপাখা শুধু প্রতীক নয়, এটা এক বিপ্লবের সংকেত—দুঃশাসন আর দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরাসরি ‘না’ বলার সংকল্প।”
তিনি আরও বলেন, “দেশ আজ কয়েকজন ক্ষমতালোভী গোষ্ঠীর হাতে বন্দি। ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে রাষ্ট্রকে ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে পরিণত করা হয়েছে। এই অবস্থা আর চলতে পারে না। হাতপাখা মানে হলো—এই জুলুমের বিরুদ্ধে সরাসরি ‘না’।”
মিথ্যা উন্নয়ন আর লুটপাটের খেলা এবার শেষ ডা. আক্কাছ আলী সরকার অভিযোগ করেন, বছরের পর বছর উলিপুর সহ গোটা দেশকে উন্নয়নের মিথ্যা গল্প শুনিয়ে লুটপাট চালানো হয়েছে। সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার, ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা আজ ধ্বংসপ্রায়। তিনি বলেন, “যারা বারবার ক্ষমতায় গিয়ে জনগণকে ঠকিয়েছে, তারা আর জনগণের প্রতিনিধি নয়—তারা জনগণের বোঝা। আজ তাদের হিসাব দেওয়ার সময় এসেছে। আর এই হিসাব দেওয়ার সুযোগ হচ্ছে ভোটের মাঠে।”
ভোটাররা বলছে—“এবার জুলুমমুক্ত করতে হবে”তার বক্তৃ তায় যে আবেগ,দৃঢ়তা ও মানবিক দহন—সেটি শুনেস্থানীয় জনগণ একরকম নীরবতায় নিমজ্জিত হচ্ছে। ভোটারদের মতে, অন্য প্রার্থীরা যেখানে ‘হিসাবি’ ভাষা ব্যবহার করে, সেখানে ডা. আক্কাছ আলী সরকার ভয়ডরহীন কণ্ঠে সত্য বলছেন। তরুণ সমাজ, আলেম-ওলামা ও সচেতন নাগরিকদের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা চোখে পড়ার মতো বৃদ্ধি পাচ্ছে।
হাতপাখা = জুলুমমুক্ত উলিপুর
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নেতারা জানিয়েছেন, এই আসনে এবার আর প্রচলিত রাজনীতির পুনরাবৃত্তি হবে না। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট হলে হাতপাখা প্রতীকের বিজয়কে কেউ থামাতে পারবে না—এই বিশ্বাস সবার মাঝে দৃঢ় হয়ে উঠছে।
প্রার্থীর কঠোর আহ্বান”শেষে ভোটারদের প্রতি কঠোর আহ্বান জানিয়ে প্রার্থী বলেন,
“ভোটের দিন কারও হুমকি, লোভ বা চাপে নত হবেন না। যদি সত্যিকার পরিবর্তন চান—তাহলে হাতপাখায় ভোট দিন। উলিপুরকে জুলুমমুক্ত করার দায়িত্ব আপনারাই নেবেন, আপনারাই পূর্ণ করবেন।”