November 5, 2026, 8:25 pm
শিরোনামঃ
সরকারি আবাসিক ভবন থেকে ময়লা ফেললে কঠোর ব্যবস্থা: অর্থ মন্ত্রণালয় এসআরবির মহাপরিচালক হলেন ফারুক আহমেদ প্রধানমন্ত্রী ২ দিনব্যাপী সোলার এক্সপোর উদ্বোধন করেছেন টেকনাফের বাহারছড়ায় নির্বিচারে ঝিনুক উত্তোলন ও পাহাড় কাটা: হুমকির মুখে উপকূলীয় ঝাউবাগান, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন কাভার্ড ভ্যান থেকে ১৫ লাখ টাকার মালামাল চুরির ঘটনায় আন্তঃজেলা চোর চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার তেজগাঁওয়ে ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে দুই ছিনতাইকারী গ্রেফতার টঙ্গী বিসিক এলাকায় মোড়ে মোড়ে বিএনপির অবস্থান, সতর্ক প্রহরায় শৃঙ্খলা বাহিনী সান্তাহার থেকে গাবতলীর তিন এলএসডিতে গেল শুধু কাগজ, অর্ধকোটি টাকার সরকারি চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নেত্রকোনায় সাংবাদিক আলিফ হত্যার বিচারের দাবিতে দুই শতাধিক সাংবাদিকের মানববন্ধন
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

দেশের ২৪ তম প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান

Reporter Name

প্রথম বাংলা – দেশের ২৪তম প্রধান বিচারপতি হলেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। মঙ্গলবার আইন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদের প্রদত্ত ক্ষমতা বলে মহামান্য রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসানকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেছেন। এই নিয়োগ শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।

বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ১৯৫৯ সালের ১১ জানুয়ারি নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরি বারে জন্মগ্রহণ করেন তাঁর পিতা মরহুম ডা.আখলাকুল হো সাইন আহমেদ মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন।তিনি গণপরিষদ সদস্য হিসাবে স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের সংবিধান রচনায় সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং সংবিধান রচনার পর তাতে স্বাক্ষর প্রদান করেন। ওবায়দুল হাসান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে অর্থনীতি বিষয়ে এমএসএস ডিগ্রি লাভ করেন। একই বিশ্ববিদ্যালয় হতে তিনি এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন।

তিনি ১৯৮৬ সালে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে এবং ২০০৫ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবেতালিকাভুক্ত হন। ১৯৯১ সালে বিচারপতি হাসান নিয়মিত আইনজীবী হিসেবে হংকং-এ অনুষ্ঠিত ‘ইন্টারন্যাশনাল ল ইয়ারস কন ফারেন্স’-এ অংশগ্রহণ করেন। গণচীনের প্রকিউরেটর জে নারেলের আমন্ত্রণে বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেলের সফরসঙ্গী হিসেবে যান।

১৯৯৭ সালে চীনের বেইজিংসহ বেশ কিছু নগরী ভ্রমণ করেন। বিচারপতি হাসান সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে ৫ (পাঁচ) বছর দায়িত্ব পালন করেন। এই সময়ের মধ্যে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এর হাইকোর্ট বিভাগ এবং আপিল বিভাগে অনেক সাংবিধানিক মোকদ্দমা পরিচালনা করেন।বিচারপতি হিসেবে যোগদানের পূর্বে তিনি দেওয়া নী,ফৌজদারি এবং সাংবিধানিক বিষয়াদি সম্পর্কিত মোক দ্দমার একজন দক্ষ আইনজীবী হিসেবে ব্যাপক পরিচিত লাভ করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধানমন্ডি ল’ কলেজের একজন খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি ২০০৯ সালের ৩০ জুন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একজন অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে যোগদান করেন এবং ২০১১ সালের ৬ জুন একই বিভাগে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। তিনি ২০১২ সালের ২৫ মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর একজন সদস্য হিসেবে যোগদান করেন এবং পরবর্তীতে ২০১২ সালের ১৩ ডিসেম্বর থেকে ২০১৫ সালের সেপ্টে ম্বর পর্যন্ত উক্ত ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST