প্রথম বাংলা – কক্সবাজারের চকরিয়া থানার বিতর্কিত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়াকে বদলির ২৪ ঘন্টা পার না হতে থানায় যোগদানের আগেই প্রত্যাহার করে চট্টগ্রাম রেঞ্জ অফিসে সংযুক্ত করা হয়েছে।রোববার (২মার্চ) রাত ৮টার চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আহসান হাবীব পলাশ ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়াকে চট্টগ্রাম রেঞ্জ অফিসে সংযুক্তের আদেশ জারি করেন।
কক্সবাজার জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাকিল আহমেদ (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) গণমাধ্যম কে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
উল্লেখ্য : কক্সবাজারের চকরিয়া থানার ওসিসহ চার পুলিশ কর্মকর্তা এবং চার কনস্টেবলের বিরুদ্ধে নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে মামলা হয়েছে। দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ কক্সবাজার অফিস থেকে গভীর রাতে সাংবাদিক মনসুর আলম মুন্নাকে অপহরণ করে,চকরিয়া থানায় নিয়ে হত্যাচেষ্টা, মারধর, লুটপাট ও চাঁদা দাবির পর সাজানো মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর অভিযোগে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী মনছুর আলম মুন্না জাতীয় দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার। তিনি কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলা করেন। এ মামলায় চকরিয়া থানার ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া, এসআই ফরহাদ রাব্বি ইশান, এসআই সোহরাব সাকিব, এএসআই পারভেজ ও চার কনস্টেবলকে আসামি করা হয়েছে।
এদিকে মধ্যরাতে বসত ঘরে ঢুকে যৌন নিপীড়ন শ্লীলতাহানির অভিযোগে কক্সবাজারের চকরিয়া থানার ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ভূক্তভোগী এক নারী।গত সো মবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নং ১ কক্সবাজার এ মামলাটি দায়ের করেন ভিকটিম জাহেদা বেগম।
তিনি চকরিয়া উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নের কোরালখালী গ্রামের বাসিন্দা আবদুল গাফফারের স্ত্রী।একই মামলায় চকরিয়া থানার এসআই মোঃ শফিকুল ইসলাম রাজাসহ মোট ৫ জনকে আসামী করা হয়েছে।
বাংলাদেশ অনলাইন সংবাদপত্র সম্পাদক পরিষদ বনেকের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি খায়রুল আলম রফিক জানান, ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়াসহ ৯ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গত মাসে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চেয়ারম্যান বরাবরে লিখিত অভি যোগ করেছি অভিযোগ আমলে নিয়ে অনুসন্ধান করছে দুদক।
এছাড়াও ওসি মনজুর কাদের যেন দেশ ছেড়ে পালাতে না পারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আরেকটি লিখিত আবেদন করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আহসান হাবিব পলাশ জানান, পুলিশ হেডকোয়ার্টারের নির্দেশে ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া কে সংযুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।