September 10, 2026, 5:32 am
শিরোনামঃ
সড়ক দুর্ঘটনায় সাংবাদিক ছেলে মোহাম্মদ কায়েস আহত উন্নত চিকিৎসার জন্য পঙ্গ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয় খাগান-কলমা সড়কের পোলার আইসক্রিম ফ্যাক্টরি সংলগ্ন ঢাল যেন এক ‘মরণফাঁদ’ দায়িত্বে অবহেলা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না : খাদ্যমন্ত্রী মাননীয় স্পিকার, আমার একটা মাত্র বউ…! তালাক দিলেও ৯০দিন অপেক্ষা করতে হবে… ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর চকরিয়ায় ভিমরুলের হামলায় ৪ বছরের শিশু নিহত, আহত আরও ২ দেশে খাদ্যশস্যের কোনো ঘাটতি নেই: খাদ্যমন্ত্রী ঘাগড়া ইউনিয়ন ‘মেঘশিমূল’ গ্রামের আলিনেওয়াজ ফকির ও তার ছেলে নিজাম উদ্দিন সরকারি জায়গার গাছ কেটে বিক্রি চলন্ত ট্রেনে ধর্ষণ, ৯৯৯ নম্বরে ফোনকলে ভুক্তভোগী উদ্ধার গ্রেফতার ১ বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাবা-মায়ের কবরে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

বাকেরগঞ্জ পৌরসভা যেন ময়লার ডাস্টবিন চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে পৌরবাসী

Reporter Name

নিজস্ব প্রতিবেদক :- বাকেরগঞ্জ উপজেলায় পৌর এলা কায় হাট বাজার, সরকারি হাসপাতালসহ বেসরকারি ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চিকিৎসা বর্জ্যসহ পৌর কর্তৃপক্ষের বর্জ্য রাস্তার উপরে ফেলা হচ্ছে। এসব বর্জ্য রাস্তার উপরেই জমে থাকছে বছরের পর বছর ধরে। পৌর শহরের বিভিন্ন স্থানে সড়কের ধারে ও ড্রেনে বর্জ্য ফেলে স্তুপ করে রাখা হয়েছে।

প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হলেও এগুলো নির্দিষ্ট স্থানে ডাম্পিং করার ব্যবস্থা এখনো করেনি পৌর কর্তৃপক্ষ। চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে পৌরবাসী।এর মধ্যেই বেড়েছে এডিসসহ সব মশার প্রজনন। মশার উৎপাতে নাজেহাল পৌর এলাকার মানুষ হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। বিশেষ করে পৌর এলাকার ১নং ওয়ার্ডের বাকেরগঞ্জ বরগুন আঞ্চলিক সড়কের পাশে ময়লার ভাগাড় থেকে রোগ জীবাণুসহ মশা-মাছি র বংশবিস্তারে আবাসিক এলাকায় মানুষ বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়,বাকেরগঞ্জ বাস স্ট্যান্ড বিআই পি ক্লিনিক সংলগ্ন বাকেরগঞ্জ বরগুনা সড়কের পাশে গড়ে উঠেছে জাহানারা ক্লিনিক,গ্রীন লাইফ ক্লিনিকএন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ একাধিক ক্লিনিক ও ডায়গন স্টিক সেন্টার থেকে প্রতিদিনের বর্জ্য বাকেরগঞ্জ বরগু না আঞ্চলিক সড়কের উত্তর পাশে আবাসিক এলাকায় সাধারণ বর্জ্যরে মত কোনো সুরক্ষা ছাড়াই ঝুঁকিপূর্ণ ফেলা হচ্ছে যেখানে সেখানে।

এমনকি পৌরসভার বর্জ্য একই স্থানে ফেলা হচ্ছে ইঞ্জে কশনের সূচ,জীবাণুযুক্ত তুলো,ব্যান্ডেজ বা মেয়াদোত্তী র্ণ ওষুধ সমস্ত পচে গলে মিশে যাচ্ছে বাস স্ট্যান্ডপৌর কাঁচা বাজারের ফেলে দেওয়া সাধারণ বর্জ্যের সঙ্গে। এ ছাড়াও,টিএনটি রোডের পাশে একাধিক স্থানে ময়লার স্তুপ রয়েছে। টিএনটি রোডের সড়কের পাশে পৌর ড্রেন ময়লা আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। এসব স্থান থেকে এখন জীবাণু ও ব্যাকটেরিয়াসহ ডেঙ্গু ছড়াচ্ছে।

এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ মশা নিধন ঔষধ স্প্রে করা সহ অবিলম্বে দূষণ প্রতিরো ধে ব্যবস্থা না নিতে পারলে এই এলাকা-সহ বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত সহ দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হতে পারে।

জনকণ্ঠ সংবাদমাধ্যমের সাথে কথা হলে বাস স্ট্যান্ড ডিজিটাল ক্লিনিক এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জসিম উদ্দিন জানান,প্রতি মাসে আমাদের ক্লিনিক থেকে চার হাজার টাকা ও আমাদের হোটেল থেকে এক হাজার টাকা পৌর কর্তৃপক্ষকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য দিতে হচ্ছে। আমরা আমাদের ক্লিনিকের নির্দিষ্ট ড্রামে বর্জ্য ফেলি পৌর কর্তৃপক্ষ কোথায় ময়লা ফেলে সেটা তাদের দায়িত্ব পৌর কর্তৃপক্ষ সেই বর্জ্য কোথায় নিয়ে ফেলে সেটা আমার ভালো জানা নেই।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST