November 1, 2026, 5:13 pm
শিরোনামঃ
ময়মনসিংহে সাংবাদিকের অভিযোগ, ১০ মাসেও দেখেনি আলোর মুখ! ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় ভিডব্লিউবি’র চাউল বিতরণে অনিয়ম লক্ষ্মীপুর, কমলনগর- রামগতিতে ইটভাটা বন্ধের আশঙ্কা দুশ্চিন্তায় হাজারো শ্রমিক- লাখপুর শিমুলিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৬২ জন গ্রেফতার পুলিশ সুপার, ময়মনসিংহ মহোদয় কর্তৃক কোতোয়ালী মডেল থানা পরিদর্শন এইচএসসি পরীক্ষায় ময়মনসিংহ শিক্ষাবোর্ডে পাশের হার ৫১.৪৪ শতাংশ ময়মনসিংহে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ছাত্রলীগ নেতা মীর রাব্বি গ্রেফতার জাতীয় অর্থনীতিতে নারীদের বহুমুখী অবদান” শীর্ষক আলোচনা ও স্বপ্নজয়ী নারী সম্মাননা- ২০২৬ অনুষ্ঠিত ১ ডিসেম্বর থেকে দেশব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব শুরু হবে: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

ময়মনসিংহে সাংবাদিকের অভিযোগ, ১০ মাসেও দেখেনি আলোর মুখ!

Reporter Name

স্টাফ রিপোর্টার : আদালতে বিচারাধীন মামলা প্রত্যাহারে বাধ্য করতে ময়মনসিংহে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে শতবর্ষের চলাচলের রাস্তা বন্ধ, মাছের খামার ও নার্সারি ক্ষতিগ্রস্ত, চাঁদাদাবি এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে।

‎এসকল ঘটনায় অভিযোগ ও জিডি করার পরেও থানা পুলিশ কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় অবশেষে পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদনের ১০ মাস পার হলেও তদন্তে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। পুলিশের এমন ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারী ভুক্তভোগী সাংবাদিক মো. মাইন উদ্দিন উজ্জ্বল। তিনি জাতীয় দৈনিক নতুনসময় পত্রিকায় ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

‎লিখিত অভিযোগে জানা যায় সদর উপজেলার ৭নং চর নিলক্ষীয়া ইউনিয়নের রফিকুল ইসলাম (রফিক মাস্টার), মতিউর রহমান ফয়সাল, সন্ত্রাসী সিদ্দিকুর রহমান শাহীন, আব্দুল মজিদ, আবু সাঈদ ও হাবিবুল্লাহ’র নাম উল্লেখ রয়েছে।

‎জানা যায়, আদালতে বিচারাধীন মামলা জোরপূর্বক প্রত্যাহারে বাধ্য করতে ৭নং চর নিলক্ষীয়া ইউনিয়নের রাঘবপুর পূর্বপাড়া এলাকায় প্রায় এক একর জমির মাছের খামার ও নার্সারিতে যাতায়াতের শতবর্ষী রাস্তা বন্ধ করে অন্তত ৬০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। পাশাপাশি তিন লাখ টাকা চাঁদাদাবি, হত্যার হুমকি, মব সৃষ্টি ও মামলার সাক্ষীদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও রয়েছে।

‎ভুক্তভোগী সাংবাদিক মোঃ মাইন উদ্দিন উজ্জ্বল বলেন, পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ তদন্তের আবেদনের কিছুদিন পর থানায় কর্মরত এসআই কুমোদ লাল দাস আমাকে ফোন করে থানায় যেতে বলেন, পরে আমি থানায় গেলে তিনি বলেন আপনি এসপি স্যার বরাবর একটি আবেদন করেছিলেন সেটার তদন্ত কর্মকর্তা আমি। দ্রুত প্রতিবেদন দিতে হবে আপনার ডকুমেন্টস দিন। পরবর্তীতে আমি প্রমানাদি উপস্থাপন করলে কখনও ব্যস্ত, কখনও রাইটার সংকট দেখিয়ে বিভিন্ন কৌশলগত তালবাহানার মাধ্যমে কালক্ষেপণ করে অবশেষে বলে ওসি স্যারের সাথে কথা বলতে হবে। এরপর অদৃশ্য কারনে প্রতিবেদন দাখিল করেননি। তবে স্থানীয়ভাবে প্রচার আছে তদন্ত প্রতিবেদন না দেওয়ার শর্তে সিদ্দিকুর রহমান শাহীনসহ অভিযুক্তদের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ গ্রহণ করেছেন উর্ধতন কর্তৃপক্ষ এসপি-ওসি’র দোহাই দিয়ে।

‎ভুক্তভোগী সাংবাদিক বলেন, ‘আমি কোনো বিশেষ সুবিধা চাই না, ন্যায়বিচার চাই। দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি ও হুমকির শিকার হচ্ছি। পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ ও জিডি তদন্তের আবেদন করেও প্রতিকার না পাওয়া হতাশাজনক। অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।’

‎এবিষয়ে ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার মুহাম্মদ কামরুল হাসান গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, অভিযোগটি কোথায় আছে কিভাবে আছে আমার জানা নাই, খোঁজ নিয়ে দেখি।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST