August 9, 2026, 4:54 am
শিরোনামঃ
বাংলাদেশের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রাণিসম্পদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কালিয়াকৈরে জাতীয় রোবোটিক্স উৎসব “ বদলির আদেশ উপেক্ষা করে ঘাটাইলেই বহাল তবিয়তে হিসাব সহকারী মাহফিজুর রহমান! চকরিয়া থানা মালুম ঘাটে পুলিশের মাদকবিরোধী ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা দুদকের নতুন চেয়ারম্যান-কমিশনার বাছাইয়ের চূড়ান্ত পর্যায়ে যারা নেত্রকোনায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব সারাদেশে পুলিশের হাই অ্যালার্ট জারি গ্যাস,বিদ্যুৎ সংকটসহ দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে নরসিংদীতে ১১ দলের স্বারকলিপি প্রদান বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি-২০২৬ এর প্রথম সভা অনুষ্ঠিত কতোয়ালি থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

শাহজাদপুরে এক রিকশাচালকের মেয়ে মেডিকেলের স্বপ্নপূরণ

Reporter Name

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:

দারিদ্র্যকে হার মানিয়ে মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার মাদলা গ্রামের চাঁদনী খাতুন। তাঁর বাবা চাঁদ আলী একজন রিকশাচালক, আর মা স্থানীয় একটি কারখানায় শ্রমিকের কাজ করেন। তিন ভাই-বোনের মধ্যে বড় চাঁদনী শত প্রতিকূলতার মধ্যেও নিজের স্বপ্নকে ছুঁয়ে দেখার জন্য নিরলস পরিশ্রম করেছেন।

শৈশবে পড়াশোনার প্রতি তেমন আগ্রহ না থাকলেও চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ার সময় থেকে চাঁদনী পড়াশোনায় মনোযোগী হয়ে ওঠেন। কাকিলামারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পিএসসি পরীক্ষায় বৃত্তি পান। এরপর পোতাজিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে অষ্টম শ্রেণিতেও বৃত্তি অর্জন করেন। পরে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে শাহজাদপুর সরকারি কলেজে উচ্চমাধ্যমিক শুরু করেন।

সংসারের অভাব-অনটনের কারণে বাবা-মা কাজে বাইরে থাকলে চাঁদনীকেই ছোট ভাই-বোনের দেখভালের দায়িত্ব নিতে হতো। পাশাপাশি তিনি অবসরে হস্তশিল্প তৈরিতেও পারদর্শী হয়ে ওঠেন। তবে দারিদ্র্য কখনও তাঁর স্বপ্নকে থামিয়ে রাখতে পারেনি।

চাঁদনীর বাবা চাঁদ আলী জানান, রিকশা চালিয়ে পরিবারের খরচ চালাতেই হিমশিম খেতে হতো, ফলে মেয়ের পড়াশোনার জন্য বাড়তি উৎসাহ দিতে পারেননি। তবে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বিভিন্নভাবে তাঁকে সহযোগিতা করেছেন, যা চাঁদনীকে এগিয়ে যেতে বড় ভূমিকা রেখেছে।

চাঁদনী বলেন, আমরা গরিব, তাই বুঝি দারিদ্র্যের কারণে ভালো চিকিৎসা পাওয়া কত কঠিন। সেই কষ্ট থেকেই চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখি, যেন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারি। কিন্তু মেডিকেলে পড়াশোনার খরচ চালানো এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

চাঁদনীর মেডিকেলে চান্স পাওয়ার খবরে যেমন তাঁর পরিবার আনন্দিত, তেমনি তাদের সামনে নতুন দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে—মেয়ের পড়াশোনার খরচ কীভাবে বহন করবেন? ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে ভর্তি হওয়ার পর টিউশন ফি, বইপত্র ও অন্যান্য খরচ চালানো তাঁদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

চাঁদনী ও তাঁর পরিবার এখন সমাজের সহৃদয়বান ব্যক্তিদের সহায়তার প্রত্যাশায় রয়েছেন, যেন দারিদ্র্যের বাধা পেরিয়ে একজন মেধাবী শিক্ষার্থী তাঁর স্বপ্নপূরণ করতে পারেন এবং একদিন অসহায় মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে পারেন।
শাহজাদপুরের সহৃদয়বান ব্যক্তিবর্গ অনুগ্রহ করে সহযোগিতায় এগিয়ে আসুন এবং এই মেধার বিকাশে সাহায্য করুন।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST