শাহজাদপুর(সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি :
সরকারের প্রয়োজনে ক্ষেত্রে যেকোনো সম্পত্তি দিতে বাধ্য থাকিবে কিন্তুক যে সম্পত্তি অপ্রয়োজনীয়তা সেই সম্পত্তি সরকার কেন নিবে।সুপ্রীমকোর্টের আদেশ অমান্য করে সিরাজগঞ্জ শাহজাদপুরের পোতাজিয়া ইউনিয়নের পোতাজিয়া সরকারপাড়া গ্রামের টেক্কা খান ও তার শরীকদের ১৯.০৯ একর জমির খাজনা খারিজ না দেওয়ার ভুক্তভোগী টেক্কা খান বুধবার(৫মার্চ) দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করেন।আমাদের সম্পত্তিগুলো টেক না দেওয়ার কারণে সরকারি খাতায় লিখতে হয় এতে নতুন বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা ডায়াল করা হয় সে মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বাদীর পক্ষে রায় দেওয়া হয়।
রায়ের কফি নিয়ে খাজনার ঢাইলে কাটতে গেলে আবার পুনরা য় বাধা সৃষ্টি হয় তোশিলদারে বলতেছে এই সম্পত্তির খাজনা দেওয়া যাবে না এই সম্পত্তি সরকারি নথিবদ্ধ এক পর্যায়ে তবু গিরা নিরুপায় হয়ে আজ সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন পুনরায় তাদের সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার জন্য সাধারণ আন্তর্জাতিকভাবে সকলের হজ থেকে কামনা করি।
যে কোন জায়গায় সরকারি সম্পত্তি বাপ দাদার নয় যদিপ্রয়োজ নের ক্ষেত্রে সম্পত্তি ভোগ করতে পারবে।সরকারে বলে আমাদের সম্পত্তিগুলো সরকারের নথিভূক্ত হবে। এটা আমরা মানতে রাজি নয়’ উচ্চ আদালত থেকে আমাদের সম্পত্তি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ভূমি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়।সে রায় অমান্য করে আজও আমাদের সম্পত্তি বুঝিয়ে দিচ্ছে না আমরা আমাদের সম্পত্তি পাওয়ার জন্য আকুল আবেদন থাকবে দেশবাসীর কাছে।
এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে কৃষক টেক্কা খান বলেন, আমার বাবা ও তিন চাচা ৪টি দলিল মূলে ১৯.০৯ একর জমি ক্রয়সূত্রে খাজনা খারিজ করে ভোগ দখল করতে থাকি। এর মধ্যে কাগজপত্র থাকা সত্বেও আমাদের এ সম্পত্তি ১৯৭৮ সালে অবৈধভাবে অর্পিত সম্পত্তি হিসাবে তালিকাভুক্ত করা হয়। এর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে ডিগ্রী লাভ করলে ২০১৫ সালে খ গেজেট থেকে ভূমি অফিস অবমুক্ত করে।
এরপর আমরা খারিজের আবেদন করলে সরকারের স্বার্থ আছে বলে আমাদের খারিজ নামঞ্জুর করে দেয় ভূমি অফিস। এর প্রেক্ষিতে গত ২০২১ সালের ১৭ নভেম্বর রাজশাহী বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) আবেদন করলে আপীল মনঞ্জুর করে খারিজের জন্য রায় দেয়। তারপর ২০২২ সালে পুণঃরায় খারিজের জন্য আবেদন করলে খারিজ না দিয়ে কালক্ষেপন করতে থাকে। তখন জেলা প্রশাসক ও ভূমি মন্ত্রাণালয়ে আবেদন করলে ভূমি অফিসকে খারিজ দিতে নির্দেশ প্রদান করে। তবুও আমার খারিজ প্রদান করে না। সর্বশেষ গত ৯ ফেব্রুয়ারী খারিজের জন্য আবেদন করলে রিভিউ আপীল মামলা চলমান আছে বলে ভূমি অফিস খরিজ প্রদান করেন না।
এবিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) মোঃ মুশফিকুর রহমান জানান, টেক্কা খান গং গণ আদালতের রায়ে ভিপি সম্পত্তি থেকে অবমুক্ত হলেও এখনও ১নং খাস খতিয়ান থেকে বের হওয়ার রায় পান নাই। যে মামলাটি সিরাজগঞ্জ জজ আদালতে চলমান থাকায় খাজনা খারিজ দেওয়া সম্ভব নয়।
দেশের স্বার্থে জনগণের স্বার্থে সাধারণ জনগণের এত বড় সম্পত্তি সরকার নিয়ে যাবে খুবই দুঃখজনক ঘটনা আদালতের মামলার রায়ের কপির ভিত্তিতে ভুক্তিভোগী পরিবারের সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ থাকবে অপ্রয়োজনীয় সরকারের সম্পত্তি কখনো ভোগ করতে পারবে না যে সম্পত্তি সরকারের প্রয়োজন সে সম্পত্তি উন্নত দাম দিয়ে সরকারের সম্পত্তি বোক দখল করতে পারবে বলে কোন চুষনা আছে তাই বলে এত বড় সম্পত্তি জনগণের কে মেরে সম্পত্তি নেওয়ার সরকারের কোন অধিকার নেই।সর্বদিকে বিবেচনা করে সম্পত্তি গুলো ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ থাকবে।