March 2, 2024, 5:46 pm
শিরোনামঃ
৭ মাসে রেমিট্যান্স এসেছে এক লাখ ৪১ হাজার ৯০০ কোটি টাকা – সংসদে অর্থমন্ত্রী ডিএমপির অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৬৪ মাদকসহ আসামী ছিনিয়ে নেয়া সেই যুবলীগ নেতা র‍্যাব-৩ হাতে গ্রেফতার ময়মনসিংহে ডিবির অভিযানে ৬০ বোতল ভারতীয় মদসহ গ্রেফতার জাজিরায় জাতীয় ভোটার দিবস পালিত ডিআরইউ’র প্রয়াত সদস্য পরিবারকে মাঝে বীমার চেক হস্তান্তর ও অসুস্থ সদস্যদের চিকিৎসা অনুদান প্রদান ঢাকা বার নির্বাচনে সভাপতি-সম্পাদকসহ ২১ পদে আওয়ামী লীগের জয় জাজিরায় রাতের আধারে একজনকে কুপিয়ে হত্যা জাতীয় বীমা দিবস ২০২৪ ও উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও চেক বিতরণ জাজিরায় গোয়াল ঘরে আগুনে পুড়ল গরু-ছাগল, বাঁচাতে গিয়ে দগ্ধ কৃষক
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

১০ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে ৭ শত কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে

Reporter Name

সেলিম মিয়া – ২০০৩ সালে সহকারী প্রকৌশলী হিসাবে বিআইডব্লিউটিএ যোগদান করেন মো: ছাইদুর রহমান। মাত্র ১২ বছর চাকুরীকালে নির্বাহী প্রকৌশলী থেকে তত্ত্বা বধায়ক প্রকৌশলী এরপর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী পদে পদন্নোতি পান। বর্তমানে পরিচালক আইটি সেল অতি: দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি ধারাবাহিক ভাবে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার ৪ টি ড্রেজিং প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক তিনি। ২৪ টি নৌপথ ড্রেজিং কাজে প্রায় ৭ শত কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগে উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

প্রকৌশলী মোঃ ছাইদুর রহমান কুড়িগ্রাম জেলার ত্রিমোহনী থানার মুক্তারামপুর (ত্রিমোহনী) গ্রামের মৃত আনিসুর রহমা নের পুত্র। ছাত্র জীবনে অন্যের বাড়িতে লজিং মাষ্টার থে কে যিনি লেখাপড়া করেছেন। চাকুরী জীবনের মাত্র কয়ে ক বছরে সেই হতদরিদ্র মো: ছাইদুর রহমানের আলাদিনের চেরাগ পাওয়ার মত ঘটনা ঘটেছে।

দুদক সুত্রে জানাগেছে,অতি: প্রধান প্রকৌশলী ড্রেজিংমো: ছাইদুর রহমান,মোঃ দিদার এ আলম,নির্বাহী প্রকৌশলী ড্রে জিং,মোঃ মাহফুজুর রহমান,সহকারী প্রকৌশলী,ড্রেজিংমো নজরুল ইসলাম,উপ সহকারী প্রকৌশলী,ড্রেজিং গনের না মে ময়মনসিংহ জেলা সমন্বিত দুর্নীতি দমন কার্যালয়ে উপ পরিচালক মোঃ আবুল হোসেন এর অধীনে দুর্নীতি অনুস ন্ধান ও তদন্ত চলছে।

একাধিক বিশ্বসস্থ সূত্রে জানা যায়, বিপুল অংকের টাকালে নদেনের মাধ্যমে প্রকৌশলী মো: ছাইদুর রহমান এই অভি যোগ হতে অব্যাহতি পাওয়ার জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। বি এনপি-জামায়াত ঘরাণার এই সকল কর্মকর্তা বিআইডব্লিউ টিএর ড্রেজিং বিভাগের বিভিন্ন প্রকল্প হতে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করে আওয়ামীলীগ সরকারের ভাবমুর্তি চর মভাবে ক্ষুন্ন করছেন।

এ প্রকল্প ছাড়াও প্রকৌশলী মো: ছাইদুর রহমানের নামে মা দারীপুর- চরমুগুরিয়া-টেকেরহাট-গোপালগঞ্জ নৌপথ খনন শীর্ষক ড্রেজিং প্রকল্প,নাটোরের আত্রাই ড্রেজিং প্রকল্প,এবং অভ্যান্তরীন নৌপথের ৫৩ টি রুটে ক্যাপিটাল ড্রেজিং (১ম পর্য্যায়ঃ ২৪ টি নৌ পথ) ২য় সংশোধিত শীর্ষক প্রকল্প,এবং ১২টি নৌ পথ খনন প্রকল্পের টাকা আত্বসাত সহ অবৈধ স ম্পদ অর্জনের জন্য স্ত্রী শামীমা আক্তার সহ তার নামে তদ ন্ত চলছে। প্রতিটি তদন্তেই এই মহা দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী মো:ছাইদুর রহমান অদৃশ্য ক্ষমতা এবং অবৈধ টাকার জোরে পার পেয়ে যাচ্ছেন।

যে পরিমাণ সম্পদ আছে তার:দুর্নীতির এই টাকা দিয়ে প্র কৌশলী মো: ছাইদুর রহমান ঢাকায় বনশ্রী,রামপুরা,সিদ্ধেশ ^রী,শান্তি নগর,বসুন্ধরা,মালিবাগ এলাকায় বিলাস বহুল ফ্লা ট ও প্লট ক্রয় করেছেন। তার স্ত্রী ও নিজ নামে,মানামা এম ডব্লিউ হাইটস ২৫/২ খিলগাও,ঢাকা ঠিকানায় মানামা ডেভে লপার কোম্পানি হতে ক্রয়কৃত ৬ হাজার বর্গফুটের বিলাস বহুল ফ্ল্যাট রয়েছে। মৌজা বরপা রুপগঞ্জ ঢাকা এলাকায় ক্রয়কৃত জমি ৪৫ শতাংশ। নামে বেনামে ব্যাংক,বীমা,

লীজিং কোম্পানিতে রয়েছে শতকোটি টাকাএছাড়াও কুড়ি গ্রাম,রাজিবপুর এলাকায় নামে বেনামে ক্রয় করেছেন শত শত একর জমি।মোঃ সিরাজুল ইসলাম ভূইয়া উপ পরাচাল ক প্রশাসন বিআইডব্লিউটিএর এর সাথে রয়েছে প্রকৌশলী মো: ছাইদুর রহমানের রিয়েল এষ্টেটের শতকোটি টাকার ব্যবসা। এ শতশত কোটি টাকার উৎস কোথায়? আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী কর্মকান্ডে প্রকৌশলী মো: ছাইদুর রহ মান বিএনপি -জামায়াত সংগঠনকে বিপুল পরিমান টাকা যোগান দিচ্ছেন মর্মে গুঞ্জন আছে। তার চাকুরী জীবনের স্বল্প সময়ে তিনি একের পর একটা বড় বড় ড্রেজিং প্রক ল্পের প্রকল্প পরিচালক হয়েছেন। বর্তমানেও তা অব্যাহত রয়েছে।

তিনি দুর্নীতিতে বিশেষভাবে পারদর্শী, তাই নৌপরিবহন মন্ত্র ণালয়ের একটি সংঘবদ্ধ চক্র অসৎ উদ্দেশ্য প্রকৌশলী মো: ছাইদুর রহমানকে প্রকল্প পরিচালক পদে নিয়োগ দেন প্রকৌশলী মো: ছাইদুর রহমান নিজ হাতে ২০১৬ সালে বলাকা জুয়েলার্স ১৩/৪ চাঁদনী চক মার্কেট ঢাকা ভাউচার নং ০১৪,তারিখঃ

৭/৫/২০১৬,টাকা=১২,৩৮,৫৬৬/ বলাকা জুয়েলার্স,১৩/৪ ,চাঁদনী চক মার্কেট ঢাকা,ভাউচার নং ০২৫ তারিখঃ ২৫/৫/ ২০১৬ টাকা= ১৪,৮৭,৭০৪/এবং বলাকা জুয়েলার্স,১৩/৪, চাঁদনী চক ঢাকা,ভাউচার নং ০৩৪,তারিখঃ ১৫/৬/২০১৬ টাকা=৯,৭৭,৫৯৫/ স্বর্ণ বিক্রয়ের ভূয়া বিল ভাউচারতৈয়ারী করে ২০১৬-২০১৭ কর বর্ষে টিননং-৬১৯৪৬১৫৭১২৬৩ (বৈতনিক) কর অঞ্চল-০২ ঢাকা নথিতে প্রায় এক কোটি টাকা দেখিয়ে দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জিত কালো টাকা সাদা করেছেন। অথচ ভূয়া ভাউচারের এই স্বর্র্ণের দোকানের কোন সন্ধান এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। (তদন্ত ওপ্রমানে র জন্য অভিযোগপত্র এবং স্বর্ণ বিক্রয়ের ভূয়া বিল ভাউচা রের কিছু কপি আমাদের সংগ্রহে রয়েছে)।এ বিষয়ে তার বিরুদ্ধে স্বারক।

নং-০০.০১.০০০০.৫০১.০১.০৪০.২০/১৯২৮১/১(২) তারিখঃ ১৬/০৯/২০২০ ইং উপ-পরিচালক সালাহউদ্দিন আহমেদ অনুসন্ধানকারী তদন্ত কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমি শন,প্রধান কর্যালয়-১নং সেগুন বাগিচা ঢাকায় তদন্ত চলছে প্রায় তিন বছর যাবত। মাদারীপুর -চরমুগুরিয়া -টেকেরহাট -গোপালগঞ্জ প্রকল্পে টাকা আত্বসাতের জন্য ২০১০-২০১১ হতে ২০১৩-২০১৪ অর্থ বছরে ড্রেজিং কাজে অনিয়মের জন্য স্বারক নং দুদক/অনুঃ ও তদন্ত-১/অনুঃ ২৩৮/ঢাকা/২১৪/২২৬৪৩/১(৭) দীর্ঘদিন যাবত অনুসন্ধান চলছে।

এছাড়াও ফরিদপুর জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনে তার বিরু দ্ধে তদন্ত চলছে। সীমাহীন দুর্নীতি এবং অভিনব কায়দায় বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য তার বিরুদ্ধে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের স্বারক নং -১৮.০১৪.০২৭.০০. ০০.০০২.২০১০.৭৭৫ তারিখঃ ২৪/১১/২০১৫ এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের টিএ শাখার স্বারক নং-১৮.০১৪.০ ২৭.০০০০.০০২.২০১০/৪২৭ তারিখ ৭/৬/২০১৬ অভি যোগ গৃহিত হয়।নিয়মকে অনিয়মে পরিনত করা তার প্রধান কাজ।

পিপিআর বিধি লংঘন করে ঙঞগ পদ্ধতিকে উচগ পদ্ধতি তে রুপান্তর করে প্রতিটি ড্রেজিং কাজ তার পছন্দের নিদি ষ্ট ঠিকাদারকে পাইয়ে দেয়ার জন্য প্রকৌশলী মো: ছাইদুর রহমানকে দিতে হয় ১০℅ টাকা। এছাড়াও প্রতিটি ঠিকাদা রি প্রতিষ্ঠানকে বিল নিতে তার চাহিদা অনুযায়ী ৫℅ টাকা দিতে হয়। না দিলে ঠিকাদারকে নানাভাবে হয়রানি করেন। ইজিপি টেন্ডারের নামে তিনি দর এবং আইটেমে টেম্পারিং করার পাশাপাশি তার পছন্দের বিএনপি জামায়াত পন্থি ড্রেজিং প্রতিষ্ঠান যেমন, ওটিবিএল ড্রেজিং।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page