June 17, 2026, 8:00 pm
শিরোনামঃ
গৌরীপুরে খাল পুনঃখনন ও টিআর প্রকল্প পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হলেন মোতাহার হোসেন লোকজ সাংস্কৃতিক রাজধানী এই প্রতিপাদ্যে কেন্দুয়া ‘লোকজ সাহিত্য আসর’ উদ্বোধন মাতামুহুরী উপজেলায় ডাকাতি ও ধর্ষণ গ্রেপ্তার ৬ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির চর্চার মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ করে তুলতে হবে : ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার খাগড়াছড়িতে আ.লীগ-ছাত্রলীগের হামলায় বিএনপির ৬ নেতাকর্মী আহত টেকসই উন্নয়ন ও পরিকল্পনা প্রণয়নে সঠিক তথ্য-উপাত্তের বিকল্প নেই: বিভাগীয় কমিশনার দেশে বছরে ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হয়: খাদ্যমন্ত্রী ভুয়া তথ্যের জালে সমাজ, সচেতনতায় হতে পারে মুক্তি জী এমন মাহাফুজুর রহমানের নেতৃত্বে লোহাগাড়া উপজেলা ( ইউএনও)র সাথে সাক্ষাৎ
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

৮০ লাখ টাকার মালামাল আত্মসাতে গাজীপুর পল্লী বিদ্যুতের ৫ জনের নামে মামলা

Reporter Name

প্রথম বাংলা – বিদ্যুতের ৮০ লাখ টাকার মালামাল আত্মসাতের অভিযোগে গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (৬ মার্চ) দুদকের গাজীপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. সেলিম মিয়া বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন– ঠিকাদার মো. মামুন উর রশিদ, গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর তৎকালীন সিনিয়র জিএম প্রকৌশলী যুবরাজ চন্দ্র পাল, এজিএম (ইএন্ডসি) এস এম নাহিদ সিরাজ, সাবেক সহকারী প্রকৌশলী মো. নুরুল ইসলাম, জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার উজ্জ্বল চন্দ্র সরকার ও স্টোর কিপার আব্দুল হামিদ।

আসামিদের বিরুদ্ধে গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৭৯ লাখ ৪০ হাজার টাকার মালামাল আত্মসাৎ করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এ লাইন রক্ষণাবেক্ষণ, ফিডার লোড ব্যালেন্সিং/আপগ্রেডেশন কাজ ও লাইন নির্মাণ কাজের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হলে ঠিকাদার মো. মামুন উর রশিদ তিনটি প্রতিষ্ঠানের নামে প্রতারণা ও জাল জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করে ভুয়া দরপত্র দাখিল করেন। পল্লী সমিতির কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাই ছাড়াই কোনোরূপ চুক্তি সম্পাদন ব্যতিরেকে ওইসব ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে কার্যাদেশ প্রদান করেন। চাহিদাপত্র ঘষামাজা (টেম্পারিং) করে ওই তিনটি প্রতিষ্ঠানের নামে ৪ কোটি ৪৬ লাখ টাকার মালামাল উত্তোলন করা হয়। কিন্তু উত্তোলিত মালামাল আত্মসাতের চেষ্টা করলে পুলিশের সহায়তায় তার গোডাউন থেকে কিছু মালামাল উদ্ধার করা হয়। বাকি ৭৯ লাখ ৪০ হাজার ৩০৩ টাকা আত্মসাৎ হয়েছে।

তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯/৪৬৮/৪৭১ ধারা ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলা করা হয়।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST