June 28, 2026, 5:40 pm
শিরোনামঃ
র‌্যাব-১৪ কর্তৃক পৃথক ২ অভিযানে মাদক ও চেক জালিয়াতি মামলার ২ পলাতক আসামি গ্রেপ্তার ময়মনসিংহে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন ঢাকার নতুন বিভাগীয় কমিশনার মনিরুজ্জামান মিঞা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) পরিদর্শন তুরাগে আ.লীগের ৭ নেতাকর্মীর লাশ ভাসার খবর যা জানালো পুলিশ পদ্মার ডুবোচরে আটকে ছিল লঞ্চ, ৯৯৯ নম্বরে ফোনকলে ৮৫ যাত্রী উদ্ধার অপপ্রচার নাকি তদন্তাধীন অভিযোগ ? জিডির পর মুখ খুললেন বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক আরিফ উদ্দিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আসুন, ঐক্যবদ্ধভাবে কর্মসূচিগুলো সফল করি স্পেশাল ব্রাঞ্চ কর্তৃক ময়মনসিংহ জেলার ডিএসবি অফিসের বার্ষিক পরিদর্শন সম্পন্ন গুলশান থানা কর্তৃক ১৮ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযান: বিপুল অর্থ আত্মসাৎও প্রতারণার অভিযোগে বিটিএল গ্রুপের সিইও গ্রেফতার
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

৮০ লাখ টাকার মালামাল আত্মসাতে গাজীপুর পল্লী বিদ্যুতের ৫ জনের নামে মামলা

Reporter Name

প্রথম বাংলা – বিদ্যুতের ৮০ লাখ টাকার মালামাল আত্মসাতের অভিযোগে গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (৬ মার্চ) দুদকের গাজীপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. সেলিম মিয়া বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন– ঠিকাদার মো. মামুন উর রশিদ, গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর তৎকালীন সিনিয়র জিএম প্রকৌশলী যুবরাজ চন্দ্র পাল, এজিএম (ইএন্ডসি) এস এম নাহিদ সিরাজ, সাবেক সহকারী প্রকৌশলী মো. নুরুল ইসলাম, জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার উজ্জ্বল চন্দ্র সরকার ও স্টোর কিপার আব্দুল হামিদ।

আসামিদের বিরুদ্ধে গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৭৯ লাখ ৪০ হাজার টাকার মালামাল আত্মসাৎ করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এ লাইন রক্ষণাবেক্ষণ, ফিডার লোড ব্যালেন্সিং/আপগ্রেডেশন কাজ ও লাইন নির্মাণ কাজের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হলে ঠিকাদার মো. মামুন উর রশিদ তিনটি প্রতিষ্ঠানের নামে প্রতারণা ও জাল জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করে ভুয়া দরপত্র দাখিল করেন। পল্লী সমিতির কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাই ছাড়াই কোনোরূপ চুক্তি সম্পাদন ব্যতিরেকে ওইসব ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে কার্যাদেশ প্রদান করেন। চাহিদাপত্র ঘষামাজা (টেম্পারিং) করে ওই তিনটি প্রতিষ্ঠানের নামে ৪ কোটি ৪৬ লাখ টাকার মালামাল উত্তোলন করা হয়। কিন্তু উত্তোলিত মালামাল আত্মসাতের চেষ্টা করলে পুলিশের সহায়তায় তার গোডাউন থেকে কিছু মালামাল উদ্ধার করা হয়। বাকি ৭৯ লাখ ৪০ হাজার ৩০৩ টাকা আত্মসাৎ হয়েছে।

তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯/৪৬৮/৪৭১ ধারা ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলা করা হয়।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST