জেলা প্রতিনিধি –
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হোক বি,এন,পি সহ সকল রাজনৈতিক দল ও ভোটারদের স্বতঃস্ফর্ত অংশগ্রহণে। ঐ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত সংসদ হোক জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সরব উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত। আমরা এমন সংসদ চাই, যে সংসদে শাসক দলের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি বিরোধীদলের সংসদ সদস্যদের সরব উপস্থিতি থাকবে। সংসদ সদস্যরা বিধি মতে আলাপ-আলোচনা, বক্তব্য-বিবৃত্তিতে সংসদকে প্রাণচাঞ্চল্য ও প্রাণবন্ত করে তুলবে। গণতন্ত্রে ভিন্ন মত থাকবে।
পক্ষে-বিপক্ষে বক্তব্য,বিবৃতি,আলাপ-আলোচনা, সমা লোচনা থাকবে। সংসদে কার্যকর বিরোধী দলের সরব উপস্থিতি,বক্তব্য,বিবৃতি,আলোচনা-সমালোচনার মাধ্য মে গণতন্ত্র বিকশিত হোক এটাই আমাদের প্রত্যাশা। গণতন্ত্র বিকশিত হওয়ার অন্যতম স্তর সংসদ হোক নির্বাচিত রাজনৈতিক দলের সংসদ সদস্যদের সরব উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত।
আমাদের প্রত্যাশা,আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচ নে বি,এন,পি সহ সকল রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ ক রবে এবং সেই নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত সংসদ হোক সকল আলোচনা-সমালোচনার কেন্দ্রস্থল। বাংলাদেশে র প্রধান তথা সর্বোচ্চ আইন “গণপ্রজাতন্ত্রীবাংলাদেশে র সংবিধান।”আমরা প্রত্যাশা করি যে,সংবিধান অনুযা য়ী আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন যথাসময়ে, যথারীতি অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে।
আমরা এমন কোনো নির্বাচন চাই না, যেই নির্বাচনের প্রেক্ষিতে দেশের অপূরণীয় ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। সরকারি-বেসরকারী সম্পত্তির ক্ষতি হতে পারে সংখ্যা লঘু সম্প্রদায়সহ দেশের মানুষের জান-মালের ক্ষতি হতে পারে। আমাদের প্রত্যাশা “অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন।” যেই নির্বাচনে দিনের ভোট রাতে হবেনা।সেই নির্বাচনে বি,এন,পিসহ সকল রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করবে। সম্মানিত ভোটারবৃন্দ নির্বিঘে আনন্দমুখর পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। আমাদের প্রত্যাশা যেন রাজনৈতিক দল সমূহ পূরণ করেন। লেখক: এড. যীশু কুমার আচার্য্য, চট্টগ্রাম। (স্বাক্ষরিত)