September 9, 2026, 12:42 pm
শিরোনামঃ
সড়ক দুর্ঘটনায় সাংবাদিক ছেলে মোহাম্মদ কায়েস আহত উন্নত চিকিৎসার জন্য পঙ্গ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয় খাগান-কলমা সড়কের পোলার আইসক্রিম ফ্যাক্টরি সংলগ্ন ঢাল যেন এক ‘মরণফাঁদ’ দায়িত্বে অবহেলা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না : খাদ্যমন্ত্রী মাননীয় স্পিকার, আমার একটা মাত্র বউ…! তালাক দিলেও ৯০দিন অপেক্ষা করতে হবে… ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর চকরিয়ায় ভিমরুলের হামলায় ৪ বছরের শিশু নিহত, আহত আরও ২ দেশে খাদ্যশস্যের কোনো ঘাটতি নেই: খাদ্যমন্ত্রী ঘাগড়া ইউনিয়ন ‘মেঘশিমূল’ গ্রামের আলিনেওয়াজ ফকির ও তার ছেলে নিজাম উদ্দিন সরকারি জায়গার গাছ কেটে বিক্রি চলন্ত ট্রেনে ধর্ষণ, ৯৯৯ নম্বরে ফোনকলে ভুক্তভোগী উদ্ধার গ্রেফতার ১ বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাবা-মায়ের কবরে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

অবৈধ সম্পর্কে রাজি না হওয়ায় অপপ্রচার ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি

Reporter Name

বার্তা পরিবেশক

অবৈধ সম্পর্কের জন্য রাজি না হওয়ায় রামু উপ জেলার গর্জনিয়ার ইয়াসমিন আক্তার কাজল নামে এক নারীর ভিডিও ভাইরাল করার হুমকী ও অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। একই এলাকার ডাঃ আবছারের পুত্র ইসকান্দার মিজানের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেন তিনি। তাঁকে আইনের আওতায় আনার দাবিতে বুধবার কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের হলরুমে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী ওই নারী।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ইসকান্দার মিজানে র সাথে তার দীর্ঘ ১০ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তাদের সম্পর্ক পরিবারের কেউ মেনে নেয়নি। ২০১২ সালে চৌফলদন্ডীর আবদুর রহমানের সাথে ইয়াসমিনের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে একটি ফুটফু টে সন্তানও আছে। একই সাথে মিজানও বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। তার সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে। কিন্তু বিয়ের পরও মিজান নানাভাবে ইয়াসমিনকে উত্যক্ত করতে থাকে। তার স্বামীর বিরুদ্ধে একটি স্থানীয় পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ করায় মিজান। এরপর থেকে তাদের সংসারে শুরু হয় অশান্তি। মিজানের কথা তুলে ইয়াসমিনকে নানাভাবে নিগৃহীত করে স্বামী।

একপর্যায়ে স্বামীর অমানুষিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে ইয়াসমিন সন্তানকে নিয়ে নিজ বাড়িতে চলে আসে। পরে জীবিকার টানে তিনি গৃহকর্মী ভিসা নিয়ে পাড়ি জমান সৌদি আরবে। কিন্তু সেখা নেও মিজান তার বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লাগে। ওইসময় মিজান ইয়াসমিনকে অবৈধ সম্পর্কে জড়ানোও কুপ্রস্তাব দেয়। কিন্তু তাঁর কুপ্রস্তাবে সায় না দেওয়ায় ভিডিও ভাইরাল,অপপ্রচারসহ নানা হুমকী ধমকী দিয়ে আসছে। পরে মিজানের এমন অপতৎপরতা সহ্য করতে না পেরে দেশে চলে আসে ইয়াসমিন।

ইয়াসমিন আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, সৌদি আরব থেকে দেশে আসার পরও মিজান ইয়াসমিনে র বিরুদ্ধে জঘন্য মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। যার অংশ হিসেবে কক্সবাজারের স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকার আমাকে জড়িয়ে অপপ্রচার করা হয়েছে। যা সত্যিই দুঃখজনক বটে।

সংবাদে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা আমার বক্তব্যও নেওয়া হয়নি। অনুমতিবিহীন ব্যবহার করা হয়েছে আমার ছবি। এতে এডিট করে আমার ছবি বোন জামাতা মালেকের ছবির সাথে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। যা সাংবাদিকতার নীতি নৈতিকতা পরিপন্থী। ওই সংবাদের নারী হিসেবে আমার সামাজিক সুনাম ক্ষুন্ন হয়েছে। তিনি মিজানের এই অত্যাচার থেকে বাঁচতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। পাশাপাশি অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST