June 4, 2026, 4:38 am
শিরোনামঃ
নেত্রকোনায় পাওনা টাকার দ্বন্দ্বে এক ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কু’পিয়ে হ’ত্যা কালিয়াকৈরে ৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকায় চার গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন কেন্দুয়ায় পৌর শহরে “চার বোন” ও তার “মা” জীবন হুমকির আতংকে, নিরাপত্তা চায় ফিটনেসবিহীন ও লাইসেন্সবিহীন যানবাহনে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা, মোটা অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার আসহাব উদ্দিন চৌধুরী’র মায়ের জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন ২.০ সফল করতে শাহজা লাল বিমানবন্দর দখলে রাখার ঘোষণা গেরিলা বাহিনীর. আয়মান হোসেন অপু” দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা ঈদের জামাত ও ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তায় ডিএমপি বহুমাত্রিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে: ডিএমপি কমিশনার ময়মনসিংহ জেলায় কর্মরত আউটসোর্সিং সদস্যদের মাঝে পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষে ঈদ উপহার পুনাকের সামগ্রী বিতরণ “ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার কর্তৃক বিভিন্ন থানা ও মহাসড়ক পরিদর্শন
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

অর্থের লোভে বিবাহ সম্পাদন করাসহ নানা অভিযোগ ঠাকুরগাঁওয়ের মোখলেছুর কাজী বিরুদ্ধে

Reporter Name

 

স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁওঃ

অর্থের লোভে নিয়মের তোয়াক্কা না করেই বিবাহ সম্পাদন ও নিকাহ বাতিলসহ নানা অভিযোগ উঠেছে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মোখলেছুর রহমান নামে এক কাজীর বিরুদ্ধে। পূর্বে তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে জেলও খেটেছেন কাজী মোখলেছুর। আর জেলা রেজিষ্ট্রার বলছেন সত্যতার প্রমাণ পেলে নেয়া হবে ব্যবস্থা।

গেল কয়েকদিন আগে ঠাকুরগাঁও জেলা শহরের বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম ( ছদ্দ নাম) এক ব্যাক্তির বিবাহের ঘটনা নিয়ে জেলা শহরের গুরুত্বপুর্ন স্থানে প্রশ্ন উঠে। সেই প্রশ্নের জের ধরে বেড়িয়ে আসে কাজী মোখলেছুর রহমানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের বিষয়।

কাগজে কলমে দেখা গেছে, কাজী মোখলেছুর রহমান শফিকুল ইসলামের ছদ্দ নামের ব্যাক্তির বিবাহ সম্পাদন করেন। ওই বিবাহের দেন মোহর ধার্য হয় ৩০ লাখ টাকা। প্রশ্ন উঠেছে ওই বিবাহ সম্পাদনের দুদিন পরেই তালাক প্রদানে সম্পাদন করেন,বিবাহ রেজিষ্টারে যা কাজী নিজেই বিবাহ বাতিল বলে লিখে দেন । যা রিতিমত নিয়মবর্হিভুত। আরো অভিযোগ রয়েছে নিয়ম না থাকলেও শুধু মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে বিয়ে সম্পাদন ও তালাক দুটোই করেছেন তিনি।
এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কাগজে কলমে তালাকনামা প্রদান করলেও উভয়েই সংসার করছে ভালভাবে। তাদের বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ জীবন গড়িয়েছে দুই বছরের বেশি সময়।

কাজী মোখলেছুর এর আগেও বিয়ের এমন একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে কারাবরণ করেছেন। তারপরেও এ ধরনের অন্যায় কাজ চলমান রখেছেন। এছাড়াও অর্থের বিনিময়ে বাল্য বিবাহ, পুর্বের তারিখ দেখিয়ে বিবাহ সম্পাদন এবং তালাকনামা প্রদান, ভিন্ন ভিন্ন বই সংগ্রহে রাখা। তার এমন অন্যায় কাজের ফলে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পারিবারিক জীবন।

স্থানীয়দের দাবি, জেলা রেজিষ্ট্রার কর্মকর্তাদের তদারকি না থাকা বা যোগসাজসে এ ধরনের কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। যদি জেলা রেজিষ্ট্রার কর্মকর্তাদের যোগসাজস না থাকে তাহলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে কাজী মোখলেছুরের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।

রেজিষ্ট্রার অফিসের দায়িত্বরতরা বলছেন, অর্থের লোভে আইনি ও ধর্মীয় নিয়ম তোয়াক্কা না করে বিবাহ সম্পাদন একটি গুরুতর সামাজিক অপরাধ, যা নৈতিক অবক্ষয় এবং প্রতারণার শামিল। বৈধ অভিভাবকের সম্মতি বা সাক্ষীর অনুপস্থিতিতে, কিংবা প্রথম বিয়ে গোপন রেখে অর্থের লোভে পুনরায় বিয়ে করা শরিয়াহ এবং দেশের আইন অনুযায়ী, যেমন- দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৪৯৪ ধারা আইনত দণ্ডনীয়। এর ফলে পারিবারিক ও সামাজিক জীবন ধ্বংস হয়ে যায়।

এ বিষয়ে কাজী মোখলেছুর রহমান জানান, ত্রিশ লাখ টাকা দেন মোহরানার বিয়ে ও পরবর্তিতে বিবাহ বাতিল (তালাক) প্রদান করার কাজটি করা অন্যায় হয়েছে । সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের চাপে তা করতে হয়েছে। আর জেল খাটার বিষয়টিও ভুল বোঝাবুঝির কারনে হয়। অন্যান্য অভিযোগের বিষয়গুলোকে অস্বীকার করেছেন। তবে তিনি বলছেন আগামীতে সতর্ক থেকে কাজ করবেন ।

আর এ বিষয়ে জেলা রেজিষ্ট্রার মোঃ হেলাল উদ্দিন জানান, বিষয়টি শুনেছি। বিয়ের দুদিন পর বিবাহ বাতিল (তালাকের) কাজ সম্পাদন করা নিয়মে নেই। এবং কি তালাক রেজিস্টার আলাদা, কাজী তা করতে পারেন না। কাজী বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখে দ্রুতই ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST