August 28, 2026, 12:48 am
শিরোনামঃ
সংঘাত নিরসন ও সাংবাদিকদের সুরক্ষায় নভেম্বরে নাইরোবিতে বসছে ‘গ্লোবাল প্রেস পিস সামিট ২০২৬ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি’ কোর অব মিলিটারি পুলিশ এবং রিমাউন্ট ভেটেরিনারি এন্ড ফার্ম কোরের বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন-২০২৬ লক্ষ্মীপুর গণপূর্তে ‘সমঝোতার সিন্ডিকেট’: তদারকির অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, হরিলুট সরকারি বরাদ্দে (পর্ব-০১) নরসিংদীর শিবপুরে বিধবা নারীকে সংঘবদ্ধ গণধ’র্ষণের অ’ভিযোগ ৪ জন আ’টক” রংপুর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মুসার বিরুদ্ধে কোটি টাকার সম্পদ ও টেন্ডার বাণিজ্যের অভিযোগ মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর জীবন দর্শন আমাদের প্রত্যেকের জন্য অনুসরণীয় : ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি জামালপুরে মিমি হত্যার রহস্য উদঘাটনের দাবি পিবিআইর : একটি মহল বাড়ীর মালিককে নিয়ে অপপ্রচার বিএনপি’র ক্ষমতা অপব্যবহার করে ধর্মীয় লেবাস সন্ত্রাসী শ্রমিক নেতা আক্তার মেম্বারে প্রত্যাবর্তন: আতঙ্কে মান্দারী ইউনিয়নের জনগণের দুদকের মহাপরিচালক ও পরিচালক পদে রদবদল ময়মনসিংহে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

আমনের সবুজ ধানে দোল খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন

Reporter Name

মোঃ খাইরুল ইসলাম মুন্না,বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি

বরগুনার বেতাগীতে আমন মৌসুমে ফসলি জমির মাঠগুলোতে এখন শোভা পাচ্ছে উফশী ও স্থানীয় জাতের রোপা আমন ধান। ধানের সবুজ রঙে ভরে উঠেছে উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠ। উপকূল জুড়ে চলতি বছরে ঘূর্নিঝড় সিত্রাংয়ে আঘাত ও কৃষি উপকরণের মূল্যবৃদ্ধির সংকটের মাঝেও প্রাকৃতিক দুর্যোগেও হাল ছাড়েননি কৃষকরা। গত মৌসুমে ধানের ফলন ও দাম ভালো পাওয়ায় ঝুঁকির মধ্যেও এবার কোমড় বেঁধে মাঠে নেমেছেন কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি আমন মৌসুমে ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিলো ১০ হাজার ৬৯২  হেক্টর। তবে আশার কথা লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও উপজেলার ১টি পৌরসভা সহ ৭টি ইউনিয়নের বিবিচিনি,বেতাগী,হোসনাবাদ, মোকামিয়া,বুড়ামজুমদার,কাজিরাবাদ ও সড়িষা মুড়ি ইউনিয়নের  বিভিন্ন এলাকায় বেশি জমিতে  উফশী ৪ হাজার ২৫০ হেক্টর ও স্থানীয় ৬ হাজার ৫৬০ মোট ১০ হাজার ৮১০ হেক্টর জমিতে ধানের চাষাবাদ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে না থাকা সত্বেও যতটুকু সঠিক সময়ে চারা লাগানো থেকে শুরু করে বীজ ও সার সংকট না থাকায় ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এর মধ্যে হালকা বৃষ্টিপাত হলে ধানের রোগ-বালাই অনেকটাই কমে যাবে এমনটা ধারণা করা হচ্ছে।

আগামী এক মাসের মধ্যে আবার কোথাও এরও কম সময়ে চলতি মৌসুমে কৃষকরা ফসল ঘরে তুলতে পারবেন বলে ধারণা করছে উপজেলা কৃষি বিভাগ। এদিকে কৃষকরা মাঠে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ধান গাছের পরিচর্যা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। মাঠে গিয়েই দেখা যায় মৃদু হাওয়ায় সবুজ ধানের দোল।

উপজেলার মোকামিয়া গ্রামের কৃষক আব্দুর রহমান বলেন, চলতি বছরে সারে ৩ একর জমিতে আমন ধান চাষাবাদ করেছি। ফসল তোলার আগে কোনো ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না ঘটলে বিগত বছরের তুলনায় এবার ভালো ফলন ঘরে তুলতে পারব। সদর ইউনিয়নের কৃষক মোশারেফ হোসেন বলেন, প্রচন্ড রোদ-বৃষ্টিতে চাষাবাদে কস্ট হলেও খেতের দিকে তাকালে মনটা জুড়িয়ে যায়। শুধূ এরাই নয়, বেতাগী পৌরসভার  মো: কামরুল হাসান ও মো: ফরিদ হোসেন জানান, দুর্যোগে সংকটের পরেও হাল ছাড়েননি। উপকরণের  মুল্যবৃদ্ধি ও নানা ঝুঁকি মাঝেও কৃষি বিভাগের নির্দেশনা মেনে কাজ করেছেন কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা  মো: ইসা জানান, চলতি আমন  মৌসুমে শুরু থেকেই কৃষকদের চাষাবাদে সঠিক পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কৃষি দেশের উন্নয়নের বড় মাধ্যম্। সরকার দেশের কৃষিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। উন্নত মানের বীজ সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে কৃষক খুব কম কস্টে অধিক পরিমান ফসল উৎপাদন করতে পারছেন। শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি বছরে  এ উপজেলায় আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST