February 24, 2026, 9:25 pm
শিরোনামঃ
সবাইকে দেশে ফিরতে হবে, নামতে হবে মাঠে’: শেখ হাসিনার রাজউক কর্মকর্তার আয়কর নথি জব্দের আদেশ নতুন আইজিপি হলেন আলী হোসেন ফকির গণপূর্তের দুর্নীতির বরপুত্র নির্বাহী প্রকৌশলী আ: হালিম শত কোটির অবৈধ সম্পদের মালিক তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ করলেন এক প্রসিকিউটর ইউনূসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র দ্রোহের মামলা করার ঘোষণা করলেন- মহাসিন রশীদের পুলিশ পরিবারের সন্তান রাজপথের অগ্নীকন্যা নাম তার সামসাদ জাহান তানিয়া রাজধানীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে বিএনপি নেতা আহত সেনাবাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে রদবদল, ডিজিএফআই পেল নতুন ডিজি বাদ দেয়া হচ্ছে আইসিটির চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামকে
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

ইউনূসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র দ্রোহের মামলা করার ঘোষণা করলেন- মহাসিন রশীদের

Reporter Name

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে মামলা করার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ মুসলিম লীগের সভাপতি ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহসিন রশীদ। তার দাবি, ইউনূসের কর্মকাণ্ড শুধু সংবিধান লঙ্ঘন নয়, বরং তা রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল। সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে তিনি নিজেই আইনি পদক্ষেপ নেবেন বলেও জানান।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সিনিয়র সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্নার ইউটিউব চ্যানেল ‘মানচিত্র’-এ অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন মোহসিন রশীদ।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হওয়ার পর রাষ্ট্রপতিই একমাত্র সাংবিধানিক পদে বহাল ছিলেন। সেই অবস্থায় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে যথাযথ যোগাযোগ না রাখা, গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্তের আগে তাকে অবহিত না করা এবং সাংবিধানিক রীতি-নীতি উপেক্ষা করা গুরুতর লঙ্ঘন। তার ভাষায়, “এটি শুধু সংবিধান লঙ্ঘন নয়, এটি ট্রিজন।”

মোহসিন রশীদ অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রপতিকে তার সাংবিধানিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের সুযোগ দেওয়া হয়নি। তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে মানসিক চাপে রাখা হয়েছে এবং রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো নথিতে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। রাষ্ট্রপতি সহযোগিতা না করলে দেশে সাংবিধানিক অচলাবস্থা সৃষ্টি হতে পারত। রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রতীক; তাকে যথাযথ সম্মান না দেখানো রাষ্ট্রের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার সামিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, একজন সাবেক উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতিকে ‘চোর’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন, অথচ ওই উপদেষ্টা তার কাছেই শপথ নিয়েছিলেন।

মোহসিন রশীদের দাবি, প্রেস উইং অপসারণ, বঙ্গভবন ঘেরাও এবং রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের প্রচেষ্টা রাষ্ট্রীয় শিষ্টাচারবিরোধী কাজ। এসব ঘটনার সঙ্গে ড. ইউনূসের সম্পৃক্ততা বা নীরব সমর্থন ছিল কি না তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি বা কমিশন গঠন করা উচিত বলে মত দেন তিনি।

ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন উপদেষ্টা পরিষদের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধেও তদন্তের দাবি জানান তিনি। তার বক্তব্য, রাষ্ট্র কোনো খেলার বিষয় নয়; রাষ্ট্রের ক্ষতি হয়েছে কি না তা নিরপেক্ষভাবে অনুসন্ধান করা প্রয়োজন।

সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ চ্যালেঞ্জ করার বিষয়েও তিনি আদালতে গেছেন বলে জানান এবং রায়ের সার্টিফায়েড কপির জন্য আবেদন করেছেন। রায় হাতে পেলে তিনি রিভিউ আবেদন করবেন বলেও উল্লেখ করেন।

ভবিষ্যতে যেন কোনো অবৈধ বা অসাংবিধানিক অন্তর্বর্তী কালীন সরকার না আসে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান মোহসিন রশীদ। সরকার যদি তদন্ত কমিটি গঠন না করে, তাহলে তিনি নোটিশ দিয়ে নিজেই মামলা দায়েরের উদ্যোগ নেবেন এবং ড. ইউনূসকে পক্ষভুক্ত করবেন বলেও জানান। তার ভাষায়, “আগেও করেছি, আবারও করব।”



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST